বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থান নিয়ে আমি কিছুই লিখি নাই বা এই নিয়ে এখন পর্যন্ত কোন কথাই আলোচনা করি নাই। কারন এই ব্যাপারটা যে আজ না হোক কাল ঘটবে এটাতো জানা ছিল। কারন ধর্মভীরুতা এক জিনিষ আর মৌলবাদ অন্য ব্যাপার। সেই হজরত আলীর খেলাফতের সময়ও, যখন কিনা ইসলামের একজন সাহাবীর হাতে সমগ্র মুসলিম জাহানের পতাকা উরতেছিল তখনও কিন্তু হজরত আলীকে গোঁড়া মুসলিম মানে মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হয়েছিল, আর এখনতো ২০১৬ সাল।
পৃথিবীর কোন ধর্ম এমনকি যারা শয়তানের পুজা করে মানে যারা "Hermes" বা "Lucifer" এর পুজা করে, সেইখানেও কোথাও লেখা নাই যে বিনা অজুহাতে কোন প্রাণীকে মারা যাবে, আর এত ইসলাম।
আজকে শুনলাম জঙ্গিরা নাকি ক্যাপটাগন নামের ড্রাগ নিয়ে এই হত্যাযজ্ঞ চালাইছিল, তখনই বুঝলাম কেন তাদের দ্বারা এটা সম্ভব হইসে, আসলে এরা ইসলাম বা কোন ধর্মীয় অজুহাতে এই কাজ করে নাই, এরা করেছিল শুধুমাত্র ড্রাগ এর কারনে। কারন এরা নিজেরাই বিশ্বাস করেনা যে মানুষ মেরে ইসলাম প্রতিষ্ঠা সম্ভব। কে কোনকালে দেখেছে যে মানুষের উপর অত্যাচার করে কিছু নিয়ন্ত্রন সম্ভব? আমার অনেক হিন্দু, ক্রিস্টিয়ান বন্ধু, ছোটভাই আছে, যাদের আমি নিজের পরিবারের মতই দেখি, কখনও কোনদিন ভাবি নাই যে তাদের থেকে আমি আলাদা, এমনকি আমি এখন পর্যন্ত বলি যে আমার ভিতরের যেই ভদ্রতাবোধ বা মানবিক গুনাবলি আছে তার মূলটা ছিল যেই মিশনারি স্কুলে আমরা ছোটবেলায় পরেছিলাম সেইখানে।
আজকে কিছু মানুষের জন্য আমাদের ধর্ম, আমাদের আজীবনের লালিত অসাম্প্রদায়িক মনোভাব সবকিছু নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, হয়ত কিছুদিন পরে জঙ্গি দেশ হিসেবে আমাদের আখ্যা দিয়ে বিদেশী কোন প্রভাবশালী রাষ্ট্র আমাদের সোনার দেশটাকে আফগানিস্থান বা সিরিয়া বানাইয়া দিবে, কারন এতে তাদের যে ষোল আনার উপর আঠার আনা লাভ। তখনও কিন্তু দেখা যাবে ৭১ এর মত কিছু পা-চাটা কুকুর জড় হয়ে যাবে। যাই হোক সবাইকে শুধু এটুকুই বলব যে কিছু মানুষের জন্য সমগ্র মুসলমানদের দোষারোপ করবেন না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

