কোনো এক মেঘনাদময় ঘোর সন্ধ্যায়
কাকভেজা ক্লান্তকায় বিভক্ত বিগ্রহে তুমি আসবে।
দিনান্তে দিপ্ত দিনপতির শেষ নিঃসরণে
ধরণী হ’লে তিক্ততাময় আনন্দের কারখানা
সেইদিন তুমি আসবে।
প্রদর্শিত সব আস্ফালন রাত্রির গহীনে ঠাই নিলে
লব্ধ যত ফলাফল স্তব্ধ হ’য়ে গেলে
অপ্রাপ্তির চোখে আঙুল দিয়ে লক্ষ্যভেদ করলে
এক বস্তা দীর্ঘশ্বাস, তুমি আসবে।
নিকশ সেই অমাবস্যায়, শুধাংশু হীনতায়
জ্বলে ওঠা সপ্তর্ষির মার্গ অনুসরনে—
পুরাঘটিত বর্তমান বিসর্জনে, বিস্মরণে,
বিতৃষ্ণ হৃদয় নগরে অবশ্যই তুমি আসবে,
অতীত ভুলের সংশোধনে।
তুমি আসবে নিকোটিনের শেষ টানে
বুকের জ্বালায় মনের জ্বালার হারানো আহ্বানে,
মরফিন নামক কষ্ট নাশক দিতে বা খুঁজে নিতে
কোনো এক প্রেম ও প্রেমকাহীন নিঃসঙ্গ প্রাণে।
তন্দ্রাহত তপ্তকাঞ্চন সাজে
আমরা নাহয় স্মৃতিহারা হবো সেই দিন,
বুকেতে জ’মে ওঠা অভিমানের শক্ত বরফ গ’লে।
ভুলবো আমাদের নষ্ট অতীত,
হারিয়ে যাওয়া পুরনো সব স্মৃতি, উদ্ধৃতি,
নতুনরূপে জন্ম দেবো ব’লে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

