মানুষ চাইলে মাঘ মাসের ১ তারিখ থেকে শুরু হতে পারতো নতুন বছর। কনকনে ঠান্ডায় পান্তা ভাত, একবার ভেবে দেখুনতো। খুব একটা আরাম দায়ক হতো কি? উহু, ভয়ের কিছু নেই, তখন কেউ কেউ আয়োজন করতো গরম পানির পান্তা ভাত। গরম ভাতের মধ্যে ঢেলে দেয়া হত গরম পানি, আহ কি মজা। কত ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পানিতে নতুন বছরের পান্তা-ইলিশ খাওয়া উচিত এটা নিয়েও হয়তো টিভি চ্যানেল গুলো টকশো এর আয়োজন করত।
বি এন পি যদি 69 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পানি দিয়ে পান্তা ইলিশের আয়োজন করতো তাহলে আওয়ামিলীগের পানির তাপমাত্রা থাকতো 96.জাতিয় পার্টি পান্তা ভাতে কোন পানিই দিত না, আর জামাত বলতো হে আল্লাহ বৃষ্টি দাও, বৃষ্টির পানি দিয়ে ভাত ভিজায়া পান্তা বানাইয়া খামু, আর পারলে বৃষ্টির মধ্যে শিলা না দিয়া দুই একটা মাছও দিও
বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ না হয়ে কই মাছ হলে আরো ভাল হতো, আর মানুষ জীবন্ত মাছ খেয়ে অভ্যস্থ থাকলে তো কথায় নেই, একেবারে সোনায় সোহাগা। হালকা হালকা আরামদায়ক গরম পান্তা ভাতের মধ্যে ছেড়া দেয়া হবে মাঝারি সাইজের হ্যান্ডস্যাম কইমাছ, প্রথমে কইমাছের ঘাড়ের মধ্যে একটা কামড় দিয়ে শুরু হবে বর্ষবরন। ঘাড় মটকানো শেষ, এবার আরাম করে খাওয়ার পালা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




