somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সাত সকালের কিচ্ছা;););)

১৪ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

-সকাল সকাল কই যাইতাছসরে?
বইনের হুংকারে কইলাম,বইনরে হাওয়া খাইতে ছাড়া কই আর যামু?
বইন আমার দেয়াশলাইয়ের মত জ্বইলা উইঠ্যা কইল,বাজারের টাকা মাইরা এখন যাইতাছস হাওয়া খাইবার।বাপ আসলে তোর খবর নিমুনি।
-৯০০টাকা দিছস বাজার করতে।৯০০টাকা দিয়ে কিছু হয়? নিজের পকেট থেইক্যা আরও ১১টাকা লাগছে।আর তুই কইতাছস আমি ৯০০টাকার তন চুরি করছি।তোরে নগদে মাইনাস।
-আমারে মাইনাস দিছস না?আজ বাপ আসলে প্রমান করুমনে তুই বাজারের টাকা চুরি করছস।
-প্রমাণ করতে না পারলে আমার পায়ের নক কাইটা দিত হইব কইলাম।
বইন কইল,পারুম।আমি কইলাম,কেমতে?
জনকন্ঠ বাইর কইরা বইন আমারে দেখাইল জনকন্ঠে লিখছে,সব কিছুর দাম কমেছে।মনে মনে বাচাঁইলি কইয়্যা ডিজিটাল হাসি দিয়া বইনের মুখের দিকে না তাকাইয়া বাসা থেইক্যা বাইরে আসতেই বস্ত্রহীন বেলার দোস্তের লগে মোলাকাত।দোস্তের লগে মোড়ের দোকানে বইস্য চুকচুক কইরা চা খাইতাছি আর দোস্ত গতকাল 'ইয়ে'র হাত কেমতে ধরছে সেইটা শুইন্যা মজা লইতাছি এমন সময় দোস্তের 'ইয়ে' হাজির।রিক্সার তন নাইম্যা ঠাস কইরা দোস্তের গালে একটা দিয়া কইল,মোবাইল সাইলেন্ট কইরা চায়ের দোকানে মজা লইতাছস?তোরে না কতবার কইছি চায়ের দোকানে বসবি না।আর একটা দেওন লাগব নাকি তার আগেই রিক্সায় উঠবি? দোস্ত আমার গৃহপালিত বিলাইর মত কুঁই কুঁই করতে করতে রিক্সায় উঠে বসতেই দোস্তের ইয়ে আমারে ভদ্র ভাবে কইল,আর কোনদিন যদি চায়ের দোকানে জাহিদ কে নিয়ে বসেন তাহলে আপনার পা জমিনে পরবে না আসমানে পরব।পুলিশ কন্যারে কইলাম,আন্নের মাথার উকুনের:P কসম চায়ের বিলটা দিয়া দিলে জাহিদরে নিয়ে চায়ের দোকানে বস তো দুরে থাক আইজকার পর জাহিদরে আমি চিনুমইনা।ব্ল্যাকবেল্ট ওয়ালীরে X((মার্কা এ্যাকশনে যাইতে দেইকা নাক বরাবর দিলাম দৌড়।'দোস্ত'.'দোস্ত' আওয়াজ শুইন্যা পিছনে তাকাইয়া দেখি জাহিদও আমার পেছনে দৌড়াইতেছে।চিল্লায়া কইলাম, তুই দৌড়াস ক্যা?

-আমারে পাঠাইছে তোরে ধইরা নিতে।তোরে ধরতে না পারলে আমার খবর আছে.. :((

আমার দেশের ভিমরুলে প্রকাশিত
এখানে শুধু অন্যভাবে প্রকাশ করা হয়েছে


সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৪৮
২২টি মন্তব্য ২০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কে আমারে ডাকে?

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২০

কিছু কিছু গান তৈরির পর সৃষ্টির আনন্দে আমি অত্যধিক উচ্ছ্বসিত হই। এ গানটার ফিমেইল ভার্সনটা তৈরি করেও আমি অনেক অনেক তৃপ্ত। আপনারা যারা ফোক-ক্ল্যাসিক্যাল ফিউশন ভালোবাসেন, এটা তাদের জন্য উপযুক্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরানের ভুল বনাম যুদ্ধকৌশল

লিখেছেন আলামিন১০৪, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:০৯






ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করেছিল এবং তার মাশুল দিচ্ছে হাড়ে-হাড়ে। যখন গাজার শিশু-মহিলা-আপামর জনসাধারণকে নির্বিচারে বোমা-ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছিল তখন আম্রিকা বলেছিল ঈসরাইলের উপর হামলায় ইরানের ভূমিকা নেই- মানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লোভে পাপ, পাপে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৫২


"মাংস সমিতি।" এরকম নাম শুনলে প্রথমে হাসি পায়। সঞ্চয় সমিতি শুনেছি, ঋণ সমিতি শুনেছি, এমনকি মহিলা সমিতিও শুনেছি। কিন্তু মাংস সমিতি? তারপর একটু ভাবলে হাসি থেমে যায়। কারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

চর্যাপদঃ বাংলা ও বাঙালির ঐতিহ্য

লিখেছেন কিরকুট, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:০৮

চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত হলেও, এর ভাষা ও উৎস নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলে আসছে। ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এই পদগুলি আবিষ্কার করেন এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩৪


আজ বাদে কাল ঈদ। ঈদ-উল-ফিতর প্রতি বছর আমাদের জীবনে নতুন নতুন অনুভূতি নিয়ে ফিরে আসে, তবে এই আনন্দের জোয়ার সবচেয়ে বেশি আছড়ে পড়ে শিশু-কিশোরদের মনে। সেই ছোটবেলার কথা মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×