মিয়ানমারভিত্তিক ইরাবতী পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার রাখাইন প্রদেশের পুলিশ কর্নেল তুনও গোলাগুলিতে এক বিজিবি সদস্য নিহত হয়েছে বলে তাদের জানিয়েছেন।
“২৮ মে সংঘর্ষে অন্যপক্ষের (বাংলাদেশ) একজন আমাদের পুলিশ বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছেন,” বলেছেন তিনি।
গত বুধবার রাতে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে বিজিবি সদস্যরা টহল দেয়ার সময় ওপার থেকে গুলিবর্ষণ হয়।
বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, গোলাগুলি থামার পর বাহিনীর এক সদস্যকে পাওয়া যাচ্ছিল না।
নিখোঁজ ওই বিজিবি সদস্যের নাম কর্পোরাল মিজানুর রহমান বলে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন।
শনিবার বিকালে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু সাফায়েত মো. শাহেদুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সকাল থেকে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি লাশ হস্তান্তরের কথা চলছিল। তবে এখনো লাশ আসেনি।”
এদিকে শনিবার দ্বিতীয় দফায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত মিও মিন্ট থানকে তলব করে করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
কোনো ধরনের ‘উস্কানি’ ছাড়াই শুক্রবার বিকালে ফের বিজিবিকে লক্ষ করে মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সদস্যরা গুলি ছোড়ার ঘটনায় রাষ্ট্রদূতকে ডেকে কঠোর প্রতিবাদ জানানো হয়েছে বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
এর আগে বুধবার গোলাগুলির পরদিন মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছিল মন্ত্রণালয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



