আমাদের দেশে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল লোক কম। এখানে আইন ভাঙাকেই বাহাদুরি মনে করা হয়। বিশেষত চালকদের মধ্যে ধৈর্যের অভাব, আগে যাওয়ার প্রতিযোগিতা- এই অসহিষ্নুতা প্রবল। সকল প্রকার আইনকে বৃদ্ধাঙুলি দেখিয়ে, কে কার আগে যেতে পারে - এ যেন ট্রাফিক জ্যাম নয়, যুদ্ধের ময়দান।
অন্য যেকোন যানবাহনের তুলনায়, মোটরসাইকেল আরোহীদের মধ্যে এই প্রবনতা খুব বেশী লক্ষ্য করা যায়। এমনকি একজন রিক্সাওয়ালাও যেখানে নূন্যতম কিছু আইন মেনে চলে, মোটরসাইকেলের জন্য যেন কোন আইন মানার বালাই নেই। সিগনালে সব গাড়ি দাড়িয়ে আছে, অথচ বাইকগুলোর তাড়া খুব বেশী, হুটহাট চলে যাচ্ছে। হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে ফুটপাথে চালানো, রাস্তার উল্টোদিকে চালানো - এসব চলছে অহরহ, কর্তৃপক্ষের নাকের ডগায়।
আরো আছে- অহেতুক হর্ণ বাজানো, বেপরোয়া জোরে চালানো - এধরনের উৎপাত। একটি মোটরসাইকেলের হর্ণ যেকোন গাড়ির হর্ণের সমান শব্দদূষণ সৃষ্টি করে। অথচ দেখা যায়, নির্বিচারে ওনারা হর্ণ বাজিয়ে থাকেন। এইসব সাইকেলের অনেকগুলোই রেজিস্ট্রেশন বিহীন, অধিকাংশ চালকেরই নেই বৈধ লাইসেন্স।
এভাবে বেপরোয়া চালানোর ফলে যেকোন মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে গুরুতর দূর্ঘটনা। আপনি হয়তো মৃত্যুকে পরোয়া করেন না, কিন্তু আমাদের সাধারন খেটে খাওয়া মানুষের নিজের জীবনের মায়া আছে।
আপনাদের প্রতি অনুরোধ, দয়া করে অন্যের অধিকার ক্ষুন্ন করবেন না। রাস্তায় আপনার যেমন তাড়া আছে, অন্যদের তার চেয়ে কম নেই। সুতরাং যতদূর সম্ভব নিয়ম মেনে, সুস্থিরভাবে মোটরসাইকেল চালান।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



