somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মরিচঝাপি গনহত্যা : ঘটনা নয়, রটনা (২)

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

'মরিচঝাপি' পর্ব-২
(সংক্ষিপ্ত বিবরন)
দীপক রায় (২৪-১১-১৭)
# মরিচঝাঁপি একটি দ্বীপের নাম। দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার সুন্দরবনের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবস্থিত মোটামুটি দেড়শো বর্গকিমির একটি ছোট্ট নির্জন দ্বীপ। দক্ষিন ২৪ পরগনার আর পাঁচটা দ্বীপের মতো মরিচঝাপি কিন্তু সমুদ্রের অভ্যন্তরে নয়। সংরক্ষিত সুন্দরবনের ভিতরে কতগুলি নদী, উপনদী বেষ্টিত একটা দ্বীপ। উত্তরদিকে নদীর ওপারে রয়েছে কুমিরমারি ও ছোট মোল্লাখালি, আর পূর্বে সাতজেলিয়া ও সাধুপুর। পূর্বে কিছুটা গেলেই নদীর ওপারে বাংলাদেশের সুন্দরবন।
# মরিচঝাপি যেহেতু সংরক্ষিত বনাঞ্চল, সেই কারনে সেখানে মানুষের বসবাস আইনসিদ্ধভাবেই নিষিদ্ধ। ব্রিটিশ সরকারের সময় থেকেই ভারত সরকার এই ধরনের বনাঞ্চলে কোন ধরনের মানুষের স্থায়ী বসবাস করার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছে। ফলে এই ধরনের বনাঞ্চল রক্ষা করতে সংস্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলিও আইনানুগভাবেই বাধ্য।
# ১৯৭৭ সাল। বামফ্রন্ট সরকার তৈরি হল। কেন্দ্রে জনতা দলের সরকার। বাংলাদেশ থেকে উদ্বাস্তু মানুষের স্রোত তখনও আসা বন্ধ হয়নি। মধ্যপ্রদেশের মানা ক্যাম্প, উড়িষ্যার দন্ডকারন্য ক্যাম্পেও ঠাই নাই ঠাই নাই অবস্থা। আর বাংলাভাষী মানুষ বাংলারই কোন জায়গায় আশ্রয় নিতে চাইবে এটাই স্বাভাবিক। ফলে অন্য রাজ্যের ক্যাম্প থেকে বাংলায় এসে বসবাস করার একটা তাগিদ উদ্বাস্তুদের ছিলই। তাঁর উপরে উদ্বাস্তু আন্দোলনে সফল বামফ্রন্ট সরকারে এসেছে, সুতরাং একটা ব্যবস্থা ঠিক হয়ে যাবে, এমন ধারনাও উদ্বাস্তু মানুষের মধ্যে ছিল। পাশাপাশি কিছু অবিবেচক নেতা গোছের মানুষ, যারা নিজেরাই অনেক বেশি দায়িত্ব নিয়ে ফেলেছিলেন, পরবর্তী পরিস্থিতির বিচার বিবেচনা না করেই। বামফ্রন্টের নেতানেত্রীদের ক্ষমতায় আসার আগে উদ্বাস্তু বিষয়ক কিছু বক্তব্যও এই ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিল। এমন কিছু মানুষ, যারা পরে মরিচঝাপি আন্দোলনের মধ্যমনি ছিলেন, তাদের প্রশ্রয়ে, বক্তব্যে, সাহায্যে দলে দলে প্রথমে বর্ধমান ও পরে কাকদ্বীপ ষ্টেশানে এসে পৌঁছান। সেখান থেকে তারা কুমিরমারী ও সাতজেলিয়া দিয়ে পৌঁছে যান মরিচঝাপি।
# মনে রাখতে হবে সময়টা ১৯৭৮ সাল। ফলে দ্রুত খবর প্রশাসনের কাছে পৌঁছে যাবে সেটা সম্ভব নয়। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দেরিতে হলেও খবর গিয়েছিল। তাদের মাধ্যমে উপরেও খবর গিয়েছিল। কিন্তু ঠিক কত মানুষ দ্বীপে গিয়েছে, সেই তথ্য প্রশাসনের কাছে ছিল না। তাঁর কারন, প্রথম থেকেই প্রশাসন ভিতরে প্রবেশ করতে পারেনি। ফলে সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি থেকেই গিয়েছে। ১৪ হাজার থেকে চল্লিশ হাজার নানা মুনির নানা মতের লেখা বেরিয়েছে। প্রকৃত সংখ্যা জানা প্রশাসনেরও সম্ভব হয়নি। সেই সময়ের খবরের কাগজগুলি, আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, প্রশাসনের বক্তব্য, সংসদীয় দলের রিপোর্ট, স্থানীয় মানুষের বক্তব্যে তাই সংখ্যা নিয়ে ভুতুড়ে হিসেব আজও রয়ে গিয়েছে। তবে বেশ কয়েক হাজার উদ্বাস্তু মানুষ সেখানে গিয়েছিল, এতে কোন সন্দেহ নেই। আর এত মানুষ একসাথে একটা দ্বীপে আশ্রয় নিলে পাশের গ্রামগুলির ব্যবসার আর্থিক চেহারা বদলাবে এটা স্বাভাবিক। আর হয়েছিলও তাই। কারন মরিচঝাপিতে কিছুই ছিল না। এত মানুষের থাকা খাওয়ার জন্য সাতজেলিয়া আর কুমীরমারীর ব্যবসায়ীরা তাই ফুলে ফেপে উঠেছিল। রাজ্য সরকারের নির্দেশ পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন, পঞ্চায়েত তখন পাশের গ্রামগুলিতে উদ্বাস্তুদের জন্য পানীয় জল, চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু ব্যবস্থা নিয়েছিল। নইলে মহামারী দেখা দেবার সম্ভবনা ছিল। কিন্তু যেহেতু মরিচঝাপি সংরক্ষিত বনাঞ্চল, ফলে দ্বীপের ভিতরে সরকার বা প্রশাসন কোন কিছু করেনি।
# রাজ্য সরকার রিপোর্ট পাঠায় কেন্দ্রীয় সরকারকে। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারকে জানায়, সংরক্ষিত বনাঞ্চলে কোন বসতি গড়তে দেওয়া যাবে না। বেশ কয়েকবার কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে এই বিষয়ে আলোচনার পরে বিষয়টিকে মেটাবার উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রচার চালানো হয়, মরিচঝাপি ছেড়ে বেরিয়ে আসার জন্য। রাজনৈতিকভাবেও আলাপ আলোচনা চলতে থাকে। জ্যোতি বসু ও তাঁর সরকারের কঠোর নির্দেশ ছিল, বলপ্রয়োগ করে কাউকে ফেরত নিয়ে আসা হবে না। বুঝিয়েই ফেরত আনতে হবে। কিন্তু ততদিনে একদিকে মরিচঝাপিতে, আরেকদিকে মূল ভুখন্ডে রাজনৈতিক প্রভুরা ময়দানে নেমে পড়েছেন। সংগঠন তৈরি হয়েছে। কুমিরমারী, সাতজেলিয়ার ব্যবসায়ীরাও সরকারের বিরুদ্ধে গিয়েছে। কারন এত মানুষ দ্বীপে থাকা মানেই তাদের বানিজ্যিক সুবিধা। সেটা তারা নষ্ট হতে দেবেন কেন? আর দ্বীপের অসহায় মানুষের মাধ্যমে নদীপথে সরকারী গাছ কেটে নতুন ব্যবসাও ফেদে বসেছেন অনেকেই। নদীর ওপারে বাংলাদেশ। ফলে চোরাপথের লাভজনক বানিজ্যের সুবিধাই বা তারা নষ্ট হতে দেবেন কেন? ফলে সরকারী বা শাসক দলের যত প্রচার হয়েছে মরিচঝাপি ছেড়ে বেরিয়ে আসার, ততই জোটবদ্ধ হয়েছে অন্যান্য রাজনৈতিক দল, ব্যবসায়ী আর সেখানকার উদ্বাস্তুদের নেতারা। কিন্তু পুলিশ প্রশাসন মরিচঝাপিতে প্রবেশ না করে, নানাভাবে আলাপ আলোচনা ও মরিচঝাপি থেকে বেরিয়ে আসার প্রচার চালিয়ে গিয়েছিল।
# ১৯৭৮ সালের মার্চ থেকে ১৯৭৯ সালের জানুয়ারীর শেষ অবধি মরিচঝাপির বাসিন্দারা বিনা বাধায় বসবাস করেছিল। প্রশাসন বলপ্রয়োগ করেনি। জানুয়ারীর শেষে যখন ১৪৪ ধারা জারি করা হয়, তখন মরিচঝাপিতে যাওয়া আসা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু মরিচঝাপি নিয়ে যতই হইচই করা হোক, বাস্তবে সেটা যে বসবাসের অযোগ্য, সেটা বুঝে অনেক উদ্বাস্তুই মরিচঝাপি থেকে চলে যান। ফলে খুব বেশি পরিবার শেষ অবধি সেখানে ছিল না।
# পুলিশের গুলিচালনার ঘটনা ঘটেছিল কুমিরমারীতে। আর তাতে যে দুজন মারা গিয়েছিল, তারা কুমীরমারীরই বাসিন্দা। মরিচঝাপির নয়। এর পরে পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে উঠলে রাজ্য সরকার মরিচঝাপি ফাঁকা করার সিদ্ধান্ত নেয়। ২৬-৩১ জানুয়ারী ৩০ টি লঞ্চ মরিচঝাপিতে পৌছায়। ক্রমাগত মাইকে প্রচার চলতে থাকে। সেখানকার বাসিন্দারা শেষ অবধি সেই লঞ্চেই ফিরে আসেন। প্রশ্ন ওঠে এত মানুষ কোথায় গেল? তাহলে কি সব মানুষকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে? উঠে আসে নানা তথ্য। বহু প্রত্যক্ষদর্শী নানা কাগজে নানা রকমের বিবৃতি দেন। অধিকাংশ নেতাই পালিয়ে যান দন্ডকারন্যে, মানা ক্যাম্পে, কেউ বা বাংলাদেশে। তারা হয়ে যান সব বড় বড় ব্যবসায়ী। অসহায় মানুষদের ফেলে চলে যাওয়া সেও এক ইতিহাস।
# কিন্তু যে প্রশ্ন নিয়ে এত আলোচনা সে হল গনহত্যা। গনহত্যা কবে হল? এই নিয়ে বহু বই, চলচ্চিত্র, নিউজ প্রকাশিত হয়েছে। সংখ্যা বারো থেকে ছত্রিশ, দেড়শো থেকে তিনশো ছাড়িয়ে হাজার হাজারও লেখা হয়েছে। এক বিদেশী গবেষক তো রীতিমতো থিসিস লিখে গবেষণালব্ধ বই বের করে ফেলেন। যার মোদ্দা কথা, সুন্দরবনের বাঘেরা মানুষখেকো হয়েছে, মরিচঝাপিতে পুলিশের গুলিতে মরা লোকের মাংস খেয়ে!
# আন্দোলনকারীদের যে সব ডকুমেন্ট পরবর্তীতে পাওয়া গিয়েছে বা তারা মৃত্যুর যে খতিয়ান দিয়েছে, তার সংখ্যা কত? হাজার হাজার বা শত শত মৃত্যুর তথ্য কিন্তু তাদের ডকুমেন্ট বা বিবৃতিতে নেই। ঘটনার পরে আসা সংসদীয় দলের মারফৎ যে রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে গিয়েছিল্‌ সেই রিপোর্টেও মৃত্যুর সংখ্যা দেখলে বর্তমান মরিচঝাপিপ্রেমীরা নিরাশই হবেন।
তাহলে কোন তথ্যকে মান্যতা দেওয়া হবে? পুলিশের তথ্য? রাজ্য সরকারের তথ্য? কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য? সংসদীয় দলের তথ্য? সংবাদ পত্রের তথ্য? আন্দোলনকারীদের তথ্য? কোন আন্দোলনকারীর তথ্য? সেখানে তাদের তথ্যে তো আকাশপাতাল তফাৎ! পরবর্তীকালে প্রকাশিত বইপত্র বা ইন্টারনেটের তথ্য? কোনটা বিশ্বাস করব?
# সত্যি সবসময় সত্যিই হয়। পুলিশের গুলিচালনায় কুমীরমারীর দুইজন নিহত হবার ঘটনা বাস্তব। কিন্তু মরিচঝাপিতে তাহলে কি কোন মৃত্যু হয়নি? সত্যিটা বেরিয়ে পড়েছে এই বিষয়ে 'গনহত্যার কাহিনী' লেখা নানা নিবন্ধে। সেখানে একটা কথাকে তারাও মান্যতা দিয়েছে। একটি লেখায় আছে, ''সরকার তাদের সরাসরি গুলি করে হয়তো সবাইকে মারেনি, কিন্তু ১৪৪ ধারা জারি করে তাদের ভাতে মারা হয়েছে্‌ পালিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। সেভাবে পালাতে গিয়েও বহু মানুষ মারা গিয়েছে, নিখোঁজ হয়েছে।''
# আসল সত্যিটা এখানেই। এগারো মাস ধরে সরকার তাদের মরিচঝাপি ছাড়তে ধারাবাহিক প্রচার করেছিল। বেশিরভাগ মানুষ সেখানে যে নিদারুন কষ্টে ছিল, সেই অভিজ্ঞতায় তারা মরিচঝাপি ছেড়েছিল। আন্দোলনকারীদের চাপে অনেকে ছিলেন, স্বেচ্ছায়ও অনেকে ছিলেন। বাস্তবে শেষ অবধি অল্প সংখ্যাই ছিল। তাই মাত্র ৩০ টি লঞ্চে তাদের ফেরত আনা সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু সমস্ত সুযোগ সুবিধাহীন একটা বিচ্ছিন্ন এলাকায়, বসবাসের অযোগ্য এলাকায় থাকায় অবশ্যই কিছু মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। যতই লবনের কারখানা, উন্নত চাষ, ইস্কুলের কথা বলা হোক না কেন- আদপে মরিচঝাপি একটা মানুষের বসবাসের অযোগ্য জায়গাই ছিল।
# এই বর্ণনা একটা সাধারন লেখা মাত্র। এখানে কোন অকাট্য তথ্য নেই। তথ্য ছাড়া কোন বক্তব্যই মান্যতা দেওয়া যায় না। তাই পরে আসব তথ্য নিয়ে। তথ্য গুলো ফাসিয়ে দেবে মরিচঝাপির গল্পের বেলুন! তাঁর জন্য একটু অপেক্ষা করুন। সবুরে মেওয়া ফলে।
(চলবে...পরের পর্ব...কারা কি কি বলেছেন...)

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:০১
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড় কাউকে জয়ী হতে দেয় না

লিখেছেন মুনতাসির, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১১




আমরা প্রায়ই বলি, অমুক এভারেস্ট জয় করেছেন, তমুক কে-টু জয় করেছেন, অমুক অন্নপূর্ণা জয় করেছেন। শব্দটি এতটাই প্রচলিত যে আমরা আর ভাবিই না—আসলে কি পাহাড়কে জয় করা যায়?

আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

৩৫ হাজার টাকা বিনিয়োগে ৩ লাখ ২৭ হাজার টাকা ফেরতের প্রলোভন!

লিখেছেন শাহাবুিদ্দন শুভ, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৩৯

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি ওয়েবসাইটের প্রচার দেখা যাচ্ছে, যেখানে প্রথম আলোর আদলে তৈরি একটি ডিজাইন ব্যবহার করে উচ্চ মুনাফার বিনিয়োগের প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। এমনকি তৃতীয় মাত্রা অনুষ্ঠানের ফটোকার্ড... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইক্রোপ্লাস্টিক: অদৃশ্য প্লাস্টিক কীভাবে আমাদের খাবার ও শরীরে ঢুকছে?

লিখেছেন কাবিল, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:০৪


মাইক্রোপ্লাস্টিক (Microplastic) হলো খুব ছোট প্লাস্টিকের কণা। সাধারণভাবে ৫ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট প্লাস্টিক কণাকে মাইক্রোপ্লাস্টিক বলা হয়। এর থেকেও অনেক ক্ষুদ্র কণা আছে—সেগুলোকে ন্যানোপ্লাস্টিক বলা হয়। এগুলো এত ছোট হতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এনসিপিকে মারছে কেন? (অথবা) এনসিপি মার খাচ্ছে কেন?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৪০


(ইহা নাকি এনসিপিকে পিষিয়ে মারবে!)

এনসিপিকে মারছে কেন (?) অথবা এনসিপি মার খাচ্ছে কেন? প্রশ্ন দুটো হলেও আদতে প্রশ্ন একটাই উত্তরও একটাই। বিগত ১৫/১৬ বছর অর্থাৎ খুনি হাসিনার আমলে যাহারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই আন্দোলনের সম্ভাবনাময়, রৌদ্রোজ্জ্বল মুখগুলো ডানপন্থার অনুরাগী হচ্ছে! দায় কার?

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩



জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সেই আইকনিক ফটো--যেখানে দেখা যাচ্ছিল একটা ভার্সিটির ফাস্ট কি সেকেন্ড ইয়ারের মেয়ে পুলিশের গাড়ি আটকাচ্ছে, ওর ভার্সিটির এক বড় ভাইকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×