পক্ষে
--------
হ্যাঁ ক্ষতি করছে। প্রচুর লেখক। প্রচুর লেখা। ফেসবুকের সাহিত্য গ্রুপ কি করছে? লেখা জমা পড়ছে আর সবাই দারুণ অসাধারণ অনবদ্য খুব সুন্দর বলছে। যেই দু একজন উল্টো সুর ধরছে অমনি তাকে চেপে ধরছে - আপনি সাহিত্যের কিছু বোঝেন না।
আবার সাহিত্য গ্রুপ কিন্তু সেখানে যেসব লেখা জমা পড়ছে তার থেকে বাছাই করে একটাও লেখা সেই গ্রুপের ছাপা পত্রিকার জন্য নেয় না।
কি করা হয়? লেখা চাওয়া হয়। আবার এও বলে দেওয়া হয় লেখা যেন অপ্রকাশিত হয়। ভাবুন। তাহলে এই সাহিত্য গ্রুপে যে এতদিন লেখা দিলাম তা কি পণ্ডশ্রম। হ্যাঁ পণ্ডশ্রম। একথা আমি বলছি না। বলছে ওই সাহিত্য গ্রুপ। তবে ঘুরিয়ে।
তবে দু একটা গ্রুপ জানি যেখানে পত্রিকার জন্য লেখা সেই গ্রুপ থেকে নেওয়া হয়। তার মানে গ্রুপে আপনি যে লেখা লিখছেন তা আরও উন্নত হলে অবশ্যই ছাপার যোগ্য। কিন্তু গ্রুপ থেকে যদি লেখা না নেওয়া হয় বা অপ্রকাশিত লেখা চাওয়া হয় তার মানে সাহিত্য গ্রুপের সব লেখাই খসড়া। ছাপার অযোগ্য। কিংবা অগ্রবর্তী সাহিত্য নয়। কেন না চিরকালীন লেখা বার বার পড়া যায়।
ফেসবুক বাদ দিয়ে যে সব সাহিত্য চর্চা তাতে লেখকের নিজস্ব নিমগ্নতা বার বার ধরা পড়েছে। লেখকের মনন কখনই অন্যের মন্তব্যের মুখাপেক্ষী নয়।
একবার আমার ক্ষুদ্র এক সামান্য লেখা ছাপার জন্য নির্বাচিত কিন্তু প্রকাশিত তাই বাদ। সেই গ্রুপ এবং তার অজস্র লেখা পুরোটাই কিন্তু অনলাইন। তবে ফেসবুক সাহিত্য গ্রুপে থাকলে লিখলে আপনাকে চিনবে জানবে অনুষ্ঠানে গেলে আপনার লেখাটিতে ভাল ভাল মন্তব্য পড়বে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পাঠ হবে। কিংবা এই পরিচিতির জন্য আপনি নিজের যদি বই করেন তা একটু বেশি বিক্রি হবে। সবাই তো আর না বলতে পারবে না। না হলে সাহিত্যের প্রসার কি করে হবে?
তবে ভাল মন্দে একটা দিক লক্ষ্য করা যাচ্ছে, কিছু ভাল লেখা পড়তে পাচ্ছি। ভাল ভাবনা ভাল দিশা। তবে তা সাহিত্য গ্রুপ হলেও সাহিত্য কি না বলা মুশকিল। কিন্তু সাহিত্য চর্চা বাড়ছে বলে মনে হলেও কোথাও যেন থমকে আছে। মনে রাখার মত লেখা নেই, কিন্তু লেখক আছে। অন্য বাজে কিছু না করে অনেকে লেখক হয়েছে এটাও একটা দিক।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ৮:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





