মৈত্রী এক্সপ্রেস থেকে ৪ কোটি টাকা লাভের নজির গড়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। অভাবনীয় মুনাফার ঘটনায় মৈত্রীর ট্রিপ সংখ্যাও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ
০৯ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
মৈত্রী এক্সপ্রেস থেকে ৪ কোটি টাকা লাভের নজির গড়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। দিনের পর দিন লোকসান গুনতে থাকা রেলে এমন অভাবনীয় মুনাফার ঘটনায় মৈত্রীর ট্রিপ সংখ্যাও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। এখন সপ্তাহে দু'টি ট্রেন চলছে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে। মৈত্রীর তৃতীয় ট্রেনটি কলকাতা থেকে যাত্রী নিয়ে ডিসেম্বর মাসের কোন এক রোববার ঢাকায় আসবে। আর ঢাকা থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে পরদিন সোমবার। এখন ৬টি বগি নিয়ে মৈত্রী চলে। তৃতীয় মৈত্রীতে ৭টি বগি দেওয়া হবে। বাংলাদেশের বর্তমান ৬ বগিতে ২১০ জন যাত্রী বহন করা যায়। তবে ভারতীয় বগি বড়সড় হওয়ায় ২৮৬ জন যাত্রী বহন করা হয়। এবার মৈত্রীতে সপ্তাহে আরও একটি ট্রেন যুক্ত হলে বাংলাদেশের বার্ষিক আয় দু'কোটি বেড়ে গিয়ে দাঁড়াবে ছয় কোটি টাকায়। মৈত্রীর আয়ের ৭৫ শতাংশ পায় বাংলাদেশ আর ২৫ শতাংশ আয় ভারতের। কেননা রেলপথের দূরত্বের এক তৃতীয়াংশ পড়েছে বাংলাদেশে। এজন্য আয়ের চুক্তিটাও হয়েছে পথের দূরত্ব হিসাব করেই। ঢাকা-কলকাতা রেলপথের দূরত্ব ৩৭৫ কিলোমিটার। এখন ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকে বুধবার ও শনিবার সকাল ৮টা ১০ মিনিটে মৈত্রী ছেড়ে যায়। কলকাতার চিৎপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে মৈত্রী ছাড়ে মঙ্গলবার ও শনিবার সকাল ৭টা ১০ মিনিটে। কিন্তু সামপ্রতিক মাসগুলোতে মৈত্রী এক্সপ্রেসে যাত্রীচাপ ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সপ্তাহে ৬ দিন ট্রিপ চালুর দাবি ওঠে। এমন পরিস্থিতিতে দুই দেশের কর্তৃপক্ষ মৈত্রীরেল বাড়ানো নিয়ে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নেন। ঢাকা ও নয়াদিল্লিতে মৈত্রী এক্সপ্রেসের বাড়তি ট্রেন চলাচল নিয়ে চলতি মাসের শেষার্ধে আরেক দফা আলোচনা হবে নয়াদিল্লিতে। এ বৈঠকে মিলবে উভয় দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র। ব্রিটিশ শাসনামলে খুলনা ও কলকাতার মধ্যে সরাসরি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল চালু করা হয়। কিন্তু ১৯৬৫ সালে পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধের সময় এ ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। উভয় দেশের একটি করে ট্রেনও আটকা পড়ে যায় যশোর এবং কলকাতায়। আগে যেমন খুলনা ও কলকাতার মধ্যে রেল চালুর সময় চলন্ত ট্রেনের কামরার মধ্যেই যাত্রীদের পাসপোর্ট-ভিসা পরীক্ষা করা হতো। বাংলাদেশ এবার প্রস্তাবিত মৈত্রী ট্রেনে চলন্ত অবস্থায় কামরার মধ্যেই কাস্টমস-ইমিগ্রেশন সেরে নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে ।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
এম ডি মুসা, ২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা আছে, জনগণের নিরাপত্তা কোথায়?
বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কি নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকারটুকুও আমাদের নেই? সরকার ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তায় গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকে। কিন্তু সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:০৫

১৯৯৭ সাল।
আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়ি।
স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মামুন ভাইয়ের একটা অডিও ক্যাসেটের দোকান ছিল। পাশেই মির্জা ভাইয়ের কনফেকশনারি। টিফিনের সময় ওখানে প্যাটিস খেতাম।
সেই সময় অডিও ক্যাসেটের...
...বাকিটুকু পড়ুন
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বাদী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী (৮৭)। মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়ার প্রস্তুতি চলার সময় জামাতের...
...বাকিটুকু পড়ুনএদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬

জিম করা কি হারাম?হ্যাঁ, জিম করা হারাম!
যদি জিমে গিয়ে নিজের পেশিবহুল বাহুডোরে কোনো ললনাকে জড়িয়ে ধরেন!
কিন্তু তারপরেও কথা থাকে।
এখানে জড়িয়ে ধরাটা হারাম। জিম করাটা নয়!
অর্থাৎ, জিমে গিয়ে শরীর...
...বাকিটুকু পড়ুন