দেশের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর সাফল্য স্বাস্থ্য সেবা সাধারণ মানুষের দ্রোর গোড়ায় পৌঁছেছে
১৮ ই এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৫:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
বিশ্বের কোনো দেশের জন্যই সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে বিনামূল্যে চিকিত্সা সুবিধা দেওয়া খুব সহজ কাজ নহে। বাংলাদেশ সেই কাজটিই বেশ সাফল্যের সহিত পরিচালিত করিতেছে কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে। ‘গরিবের হাসপাতাল’ নামে পরিচিত এইসব কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবায় সন্তুষ্ট ৮৩ শতাংশ মানুষ। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে দৈনিক গড়ে ৩৩ জন মানুষ সেবা নিতে আসেন। কমিউনিটি ক্লিনিক তথা গ্রামীণ এই স্বাস্থ্য সেবাকেন্দ্রসমূহের ৯২ শতাংশে পৌঁছাইবার রাস্তাঘাট ভালো। আর ৯০ শতাংশ কেন্দ্র মানুষের বাড়ির সন্নিকটেই, হাঁটা-দূরত্বের মধ্যে। ৯৪ শতাংশ কেন্দ্র সপ্তাহে ছয় দিন খোলা থাকে এবং ৮৬ শতাংশ কেন্দ্রে গবেষণার সময় স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি দেখা গিয়াছে। বিনামূল্যে ঔষধপ্রাপ্তি, দোরগোড়ায় বিনাখরচে চিকিত্সাসেবা পাওয়া এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সেবামূলক আচরণ এই সন্তুষ্টির কারণ বলিয়া মতামত পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিঃসন্দেহে তাত্পর্যপূর্ণ। বর্তমানে দেশে মোট ১২,৫২৭টি কমিউনিটি ক্লিনিক রহিয়াছে, যাহার মাধ্যমে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সেবা, প্রজনন স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা সেবা, টিকাদান কর্মসূচি, পুষ্টি, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরামর্শ, ছোঁয়াচে রোগ নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদির চিকিত্সা প্রদান করা হয়। সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে এই ব্যবস্থা যেন মেঘ না চাহিতে বৃষ্টির মতো। জীবনভর সমস্ত বঞ্চনার মাঝে রোগ-ব্যাধি আরোগ্যে ন্যূনতম চিকিত্সা পাওয়া কম কথা নহে। এই কারণে প্রায় সাড়ে তিন বত্সর পূর্বে জাতিসংঘ মহাসচিব সরেজমিনে বাংলাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিক দেখিয়া বলিয়াছেন—অন্য দেশের জন্য মডেল হইতে পারে বাংলাদেশের এই চিকিত্সাব্যবস্থা। কোটি কোটি সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যেই মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার সর্বাধিক। সুতরাং তাহাদের জন্য ন্যূনতম চিকিত্সার সুযোগ প্রদান করা সম্ভব হইলে জাদুর মতো কমিয়া আসিবে মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার। বস্তুত, তাহা হ্রাস পাইতেছেও। মোদ্দা কথা, সাফল্যের আলো দেখেছে বর্তমান সরকারের সুদক্ষ পরিকল্পনা ও নজরদারিতে পরিচালিত দেশের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
গাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮
চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....
বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়...
...বাকিটুকু পড়ুন
আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন...
...বাকিটুকু পড়ুন
আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন...
...বাকিটুকু পড়ুন