খেলতে গেলে বা নির্বাচনে দাঁড়ালে হারজিত থাকবেই। এটা চিরন্তন সত্য, এর ব্যতিক্রম হওয়ার কোন পথ নেই। তাই বলে হার নিশ্চিত জেনে খেলার মাঝ পথে মাঠ ত্যাগ করার মধ্যে যেমন কোন বাহাদুরি নেই, তেমনি স্বার্থকতা বা সফলতা নাই। গত সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে বিএনপি যেভাবে মাঠ ছেড়ে পালিয়েছে তাতে তো কোন বাহাদুরি নাই, সফলতাও নাই বরং নির্বাচনে থেকে হেরে গেলেও জনগণের কাছে জিতে জিতে যাওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকতো। হয়তো জনগণ তাদের প্রতি একটু সহানুভুতি দেখাত। কিন্তু বিএনপি জনগণের জন্য সে সুযোগটাও রাখে নাই। তাছাড়াও নির্বাচন ত্যাগ করা যে তাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত তা প্রেসিডিয়াম সদস্য নজরুল ইসলাম খান ও তার এক অনুসারীর ফোনালাপে পরিস্কার হয়ে গেছে। এছাড়া শিমুল বিশ্বাস ও মওদুদ আহমেদের ফোনালাপ থেকে এটা আরও পরিস্কার হয়ে গেছে যে তারা তাদের পুর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ীই নির্বাচনের মাঠ ত্যাগ করে গেছে। বিএনপির পক্ষ থেকে এ এক অদ্ভুত নির্বাচনী খেলা। যারা প্রার্থী ছিল, তাদের শ্রম, টাকা-পয়সা, জনগণের সাপোর্ট কিছুর দিকেই বিএনপি একবারও তাকালো না। শুধু দেখল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের সুযোগ। কিন্তু এ সুযোগ না বুমেরাং হয়ে গেছে। কারণ সাধারণ জনগণের কাছে বিএনপির নির্বাচনী এই খেলা একেবারে পরিস্কার হয়ে গেছে। নির্বাচনে হারজিত থাকবেই। গাজিপুরের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সরকার দলীয় প্রার্থী হেরেছিল কিন্তু আওয়ামীলীগ তো নির্বাচনের মাঠ ছেড়ে যায় নাই। সেই নির্বাচনেও অনেক সহিংসতা হয়েছিল, ৩ জন মারাও গিয়েছিল, ১০০ অধিক সেন্টারে গোলযোগ হয়েছিল। ভোট কেন্দ্র বাতিলও করা হয়েছিল। বোমাবাজি-মারামারি হয়েছিল। কিন্তু সেই কেউই সেই নির্বাচনে মাঠ ছেড়ে চলে যায় নাই। তাহলে বিএনপির এবার কি হলো? এখানে তো কেউ মারা যায় নাই, ৩ টা কেন্দ্রে ভোট বন্ধ হয়েছে, মাত্র ৫৫ টি কেন্দ্রে আংশিক গোলযোগ হয়েছে। তাহলে বিএনপি নির্বাচনী মাঠ ছাড়ল কেন? নিশ্চিত পরাজ্য জেনে নাকি জ্বালাও-পোড়াও, পেট্রোল বোমাবাজির প্রতিশোধ জনগণ ভোটের মাধ্যমে দিয়ে সেটা বুঝতে পেরে। আসলে বিএনপি যতকিছুই বলুক, তাদের মনের মধ্যে একটা ভয় ঢুকে গেছে। জনগণের প্রতিশোধ নেওয়ার ভয়। আর সে কারনেই বিএনপি নির্বাচনী মাঠ ছেড়ে পালিয়েছে। বিএনপিকে বলবো হার-জিত থাকবেই তবুও সামনের এগিয়ে যেতে হবে পুনরায় বিজয়ী হওয়ার জন্য, সামনে এগিয়ে চলুন।
আজকের ডায়েরী- ২০১

এবছর দেশে আমড়ার ফলন ভালো হয়েছে।
আমড়ায় আছে প্রচুর ফাইবার যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এক কেজি আমড়া মাত্র ৫০ টাকা। এক কেজি আপেল ৩৫০ টাকা। মালটা... ...বাকিটুকু পড়ুন
২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার : বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে নির্বাচন করা হয়েছে
গাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন
চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....
চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....
বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।