somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

১০ হাজার ভূমিহীন পরিবারের জন্য স্থাপন করা হচ্ছে গুচ্ছগ্রাম

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ২:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভূমিহীন অসহায় মানুষদের পুনর্বাসিত করার লক্ষে গড়ে তোলা হচ্ছে গুচ্ছগ্রাম জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন নামের আরেকটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। সরকারী উদ্যোগে এখন পর্যন্ত মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়েছেন ৮৩ হাজার ১৫২টি পরিবারের প্রায় ৫ লাখ মানুষ। আদর্শগ্রাম-১, আদর্শগ্রাম-২ এবং গুচ্ছগ্রাম নামের প্রকল্পের মাধ্যমে এসব । নতুন করে আরও প্রায় ১০ হাজার পরিবারের ৫০ হাজার মানুষের ঠিকানা গড়ে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দুস্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত আশ্রয়হীন ভিটেমাটি সহায় সম্বলহীন মানুষদের একটি স্থায়ী আবাস গড়ে দিতে খাস জমিতে পুনর্বাস কার্যক্রম শুরু করা হয়। গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের মাধ্যমে অসহায় মানুষদের পাশে সহায়তা হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে সরকার। নিঃস্ব মানুষগুলো তাদের একটি ঠিকানা পাবে। মাথা গোঁজার ঠাঁই পাবে। শুধু তাই নয় তাদের অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতে নেয়া হবে নানা কর্মসূচী। এর মাধ্যমে মানুষগুলোর একটি স্থায়ী আবাস সৃষ্টি হবে। প্রকল্পের আওতায় প্রধান কার্যক্রম হচ্ছে, খাসজমিতে গুচ্ছগ্রাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচীর আওতায় বসতভিটা উঁচুকরণ, পুকুর খনন, পুনঃখনন ও সংযোগ রাস্তা নির্মাণ করা, প্রতিটি পরিবারে জন্য ৩০০ বর্গফুটের পিলার স্পেশ বিশিষ্ট আরসিসি পিলারসহ দুই কক্ষ বিশিষ্ট ঘর এবং পাঁচ রিং বিশিষ্ট স্যানিটারি ল্যাট্রিন তৈরি করা, নিরাপদ সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন প্রকার গভীর-অগভীর নলকূপ/রিংওয়েল/পন্ডস্যান্ড ফিল্টার ইত্যাদি স্থাপন, পুনর্বাসিত পরিবারসমূহের মাঝে বিআরডিবির মাধ্যমে আয়বর্ধনমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা, প্রতিটি গুচ্ছগ্রামে অন্তত একটি করে মাল্টিপারপাস হলো নির্মাণ এবং আদর্শগ্রাম প্রকল্পের অধীনে প্রতিষ্ঠিত গ্রামসমূহের প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ফলে পুনর্বাসিত পরিবারগুলোর আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য শিক্ষা, আয় বর্ধনমূলক প্রশিক্ষণ, ক্ষুদ্র ঋণ, নিরাপদ সুপেয় পানি, স্বাস্থ্য সম্মত ল্যাট্রিনসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি হবে, যা সার্বিকভাবে দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।


সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ২:৩২
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৪১



পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট

সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ক্যায়া হুয়া ? হুক্কা হুয়া; হুক্কা হুক্কা হুক্কা হুয়া

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২৫


২৪ বছর ধরে ঢাবিতে অনার্স পড়ছে; তা-ও নাকি ভাষা শিক্ষা বিভাগে উর্দূ নিয়ে !!! আজতক তার পড়া শেষ হয় নাই !!! এ ভার্সিটিতে নাম লিখালে পন্ডিত মশাই'রা কি কোনও... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ হতো হায়দ্রাবাদ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫

।।হায়দারাবাদের নিজাম।।


১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগীটি মারা গেলো

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩৩



বাংলাদেশে ডাক্তারদের অবহেলায় কি পরিমাণ প্রাণ অকালে ঝরে গিয়েছে তা কল্পনাতীত। এবং আমাদের দেশের ডাক্তার এই অপরাধে নূন্যতম অনুশোচনা বোধ করে না।

ডাক্তারদের অবহেলার কারণে দেশের পাঠ্য বই ইংরেজি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×