বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির রায় হল। এতে সাধারন জনগণ সন্তুষ্ট হলেও মনে মনে একটা খড়কা ছিল যে , বাচ্চু রজাকার তো এখনও পলাতক। তারপর এল কসাই
কাদেরের পালা। রায় দেয়ার আগেরদিন থেকেই সাধারন মানুষ প্রস্তুতি নিচ্ছিল আনন্দ মিছিলের। কিন্তু তা আর হল কই ? সারাদেশের মানুষের আকাঙ্খাকে উপেক্ষা করে ৬টি অভিযোগের ৫টি প্রমানিত হওয়ার শর্তেও দেয়া হল না ফাঁসির রায়।
ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নেটওয়ার্ক-এর আহ্বানে "কাদের মোল্লার ফাঁসি চাই'- এই স্লোগানে গত মঙ্গলবার বিকেল থেকে ভিড় জমতে শুরু করে রাজধানীর শাহবাগ এলাকায়। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার মুহূর্তে তা ছড়িয়ে যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বর পর্যন্ত। সময় যত বাড়তে থাকে ভিড়ও বাড়তে থাকে। শাহবাগ বা প্রজন্ম চত্বরের তারুণ্যের আগুন থেকে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে এমনকি বিদেশে । তারপর যা ঘটতে থাকল তাকে এককথায় বলা চলে বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন আলোকিত পথের সূচনা ।
কেউ কেউ একে বলছে ২য় মুক্তিযুদ্ধ । এই গণআন্দোলনে সংহতি প্রকাশে সবাই এগিয়ে এসেছে । অবশেষে BNP-ও একে স্বাগতম জানিয়েছে যদিও রাজাকারদের সঙ্গ ত্যাগ করেনি। সারাদেশের সর্বস্তরের মানুষ এই গণজাগরণের সাথে এক হয়ে গতকাল ৩মিনিট নিরবতা পালন করল। কিন্তু সে শান্তির বাহকের কোন পাত্তাই নাই। শান্তির ফেরিওয়ালা গেল কই ? তার কি উচিত নয় এই গণজাগরণে নিজেকে সামিল করা সংহতি প্রকাশ করা?
তিনি কি জানেন না ,"যাকে মানুষ হৃদয়ে ঠাঁই দেয়; তাকে মানুষের হৃদয়ের দাবিতে এগিয়ে আসতে হয়"?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



