বোটে করে ব্রাউনসি আইল্যান্ড
০৩ রা জুন, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
পুলের বন্দরটার খুব ঠিক উল্টোদিকে ইংলিশ চ্যানেলের এক দ্বীপ হচ্ছে ব্রাউনসি আইল্যান্ড। নতুন জায়গা শুধু দেখার নয় কিছুটা অন্যরকম অভিজ্ঞতা নেয়ার জন্য আমরা হলুদ রংয়ের এক বোটে চড়লাম। উদ্দেশ্য বন্দরের সামনের দ্বীপটার চারপাশ ঘুরে আসা। বোট যে চোখে পড়ার মত ক্যাটক্যাটে হলুদ তা না। ওদের টিকেট কাটার ঘরটাও হলুদ। তবে অন্যগুলোর চেয়ে আলাদা হওয়ায় সহজেই চোখে পড়ে। এরকম বোটকে আমাদের দেশে লঞ্চ বলে। তো লঞ্চে চড়ে বসলাম টিকেট কেটে। নীচের তলাটা ক্যাফের মত। সার ধরে টেবিল আর টেবিলগুলোর দুপাশে চেয়ার রাখা। একটা কাউন্টার আছে যেখানে নানা রকম খাবার আর পানীয় বিক্রি করে। এখানে বসে দুপাশের সার দেয়া জানালাগুলো দিয়ে বাইরের দৃশ্য দেখা যায়। তবে আরো ভালো করে দেখতে হলে যেতে হবে খোলা দোতলায়।
দোতলায় ক্লাশরুমের মতে করে বেঞ্চ পাতা। অবশ্য হাতাওয়ালা বেঞ্চ। তিন সারির বেঞ্চে লোকজন বেশ ফুরফুরে মেজাজে বসে আছে। তান্নু আরেকদফা ভদকা ধরিয়ে দিলো আমাদের সবার হাতে। সাগরের হাওয়ায় নাকি জম্পেশ হবে খেতে। সারেং মানে আমাদের তথাকথিত বোটের ক্যাপ্টেন মাইকে ধারাবিবরণী দিয়ে যাচ্ছে চারপাশের। বামে দেখা যাচ্ছে স্যান্ডব্যাংক নামের দামী জায়গা আর অতিদামী বাড়িগুলো। লন্ডনের মেফেয়ারের পর বৃটেনের সবচে দামী জায়গা এটি। সরম্ন এক চিলতে মাটি লম্বা পথের মত হয়ে ঢুকে গেছে ইংলিশ চ্যানেলে। তাতে প্রচুর পাউন্ড দিয়ে জমি কিনে বিলাসী সব বাড়ি বানিয়েছে ইউকে'র ধনকুবেররা। প্রচন্ড রোদ উঠেছে আজ। পানি আর আকাশ দুটোরই রং খুলেছে। 45 মিনিটের এই ভ্রমণে বোটটি একবার থামে ব্রাউনসি দ্বীপে, দূর্গটির কাছাকাছি। আমাদের হাতে সময় ছিল না তাই আমরা নামলাম না। অনেকে পিকনিক করতে নেমে গেলো। নীল পানি আর ভাসতে থাকা বোটের দৃষ্টিকোণ থেকে দুর্গটাকে খুবই অন্যরকম লাগছিলো। রোদ, বাতাস আর ভদকা থেকে পাওয়া অনুভূতি নিয়ে আমরা তখন নিজেদের মতই মাতোয়ারা। ক্যাপ্টেনের ধারাভাষ্যে মন নেই। ওর তথ্যগুলো মনে রাখার চেয়ে প্রকৃতির সুষমা দেখেই মন ভরালাম।
আর আপনাদের জন্য রইলো কিছু ছবি এই যে...
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের গ্রামের পাশ দিয়ে একটা নদী বয়ে গেছে। তার একটা আদুরে নাম আছে, ‘স্বর্ণামতি’। কে, কবে, কেন নদীটির এ নাম দিয়েছে, তা আমার অজানা। তবে নামটি আমার খুবই প্রিয়। এক...
...বাকিটুকু পড়ুনবাংলাদেশের রাজনীতিতে সারাবছরই ঐক্যের ঋতু, এখানে রাজনীতিতে শত্রু না থাকলে মিত্র টেকে না। যতদিন হাসিনা ছিল, স্বাধীনতাবিরোধীরা ছিল একটি সুখী পরিবার। বাম জানত ডানকে ঘৃণা করতে হয়, কিন্তু আপাতত স্থগিত।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনেকদিনের ইচ্ছে পছন্দের বেশকিছু গান নিয়ে একটা পোস্ট দেব। দেওয়া হয়নি, কারণ, বিষয়টা সময়সাপেক্ষ। আজ হুট করে বসেই পড়লাম। রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুলগীতি, লালনগীতিসহ নানান ধরনের গানের একটা তালিকা করছি,...
...বাকিটুকু পড়ুন
আমি হাসিনা। আমি আমার স্বামী ওয়াজেদ মিয়াকে কোনদিন স্বামীর মর্যাদা দেইনি। সে জ্ঞানী হলেও আমি সবসময় তাকে বাসার কাজের লোকের চেয়ে বেশি কিছু মনে করিনি। আমি সবসময় মৃণাল কান্তি...
...বাকিটুকু পড়ুন
রুবার সাথে আমার বিয়েটা ওঠ ছেড়ি তোর বিয়ের মতোই হয়েছে । একদম সাধারন কোনরকম অনুষ্ঠান নাই । সেইদিন অফিসে অনেক কাজ ছিলো । চোখে তারা ফারা দেখছিলাম । বসের...
...বাকিটুকু পড়ুন