ক্যামেরা আর ব্যাটারি নিয়ে সাংঘাতিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম এবার। প্রচুর ছবি তোলার ইচ্ছা। কিন্তু মনের মত ছবি তুলতে পারিনি একটিও। ছবি তোলার ক্ষেত্রে জায়গা যে একটা বড় বিষয় এবারই বুঝলাম। তারপর খেয়াল করলাম ফটোগ্রাফাররা প্ল্যান করে করে বিভিন্ন দৃষ্টিনন্দন জায়গায় যায় ব্যতিক্রমী ছবি তুলতে। সব জায়গাতেই ভালো ছবি তোলার বিষয়বস্তু পাওয়া যায় না।
তবে ভ্রমণের ক্ষেত্রে জায়গার চেয়ে সঙ্গীই আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সাদামাটা একটা ভ্রমণও আনন্দের হয়ে ওঠে ভ্রমণসঙ্গীর গুণে। অনেকে ভ্রমণে যান কিন্তু ভ্রমণটাকে মোটেই উপভোগ করেন না। অর্থাৎ তারা গন্তব্যে পৌঁছা না পর্যন্ত গাড়িতে উঠেই দেন ঘুম। বাসের জানালা দিয়ে বাইরের প্রকৃতিটা দেখা। নতুন জায়গা, তার গাছপালা, প্রাণী, ছোট্ট একটা নদী, ছোট একটা শহর এগুলো দেখার দিকে তাদের আগ্রহ কম থাকে। ভ্রমণ আসলে পুরোটা সময়ই। এভাবে ভ্রমণকে উপভোগ না করলে মূল গন্তব্যে গিয়ে নিরাশ হতে হয় অনেক সময়। মনে হয় কি জানি নেই। ঠিক জায়গায় হয়তো আসিনি। অমুক জায়গায় গেলে ভালো হতো।
ভ্রমণেই আমার আনন্দ। জায়গা খুব একটা মারাত্মক সুন্দর হওয়ার দরকার নেই। নতুন জায়গা হলেই হলো। আর সঙ্গীরা হতে হবে মনের মত। যারা অল্পে রেগে যাবে না, বিষণ্ন হবে না, নাটক করবে কম আর সারাক্ষণ মেতে থাকবে হাসিখেলায়। এবার বোর্নমাউথের ভ্রমণে এর কোনোটারই কমতি ছিল না।
তেমন কোনো মনকাড়া দৃশ্যের ছবি না তুললেও বেশ কিছু ছবি তুলেছি। এখানে সেরকম কিছু ছবি পোস্ট করলাম। দেখুন। আর যেখানে যান ভ্রমণকে উপভোগ করুন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




