সামারের বন্ধ চলছে। বব আর গি্লন উধাও। গি্লনকে পরীক্ষার এন্ট্রি ফর্ম সাইন করে পাঠিয়েছিলাম। পাত্তা নেই। আগামী সপ্তাহে মেইল করে তাড়া দিতে হবে। এতদিন দেইনি কারণ আমার খসড়া সংশোধনই শেষ হয়নি। আজ মোটামুটি শেষ অংশে এসে পৌঁছেছি।
থিসিসের (বিশেষ করে সমাজবিদ্যার) ক্ষেত্রে প্রথম চ্যাপ্টারটা পরে আবার লিখতে হয়। কারণ ফার্স্ট ইয়ারে লেখা গবেষণার লক্ষ ও উদ্দেশ্য অনুযায়ী গবেষণার ফলাফল পাওয়া যায় না। সুতরাং শেষে এসে যে ফলাফল পাওয়া গেল তার আলোকে উদ্দেশ্য ও লক্ষকে সাজাতে হয়। যাতে বিষয়টা পড়ে মনে না হয়, চট্টগ্রামে যেতে চেয়েছিলো অথচ গেলো কক্সবাজার। এটি অনৈতিক কিছু না। কারণ চট্টগ্রাম আসার পর কারো যদি মনে হয় এর চেয়ে কক্সবাজারই বেশি আকর্ষণীয় তখন সে ফিরে গিয়ে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের উপরেই ফিচার লিখতে পারে। বিষয়টা অনেকটা সেরকমই।
সুতরাং আজ 7, 8, ও 9 নাম্বার চ্যাপ্টার পড়ে পড়ে আমার প্রাপ্ত ফলাফলগুলোর একটা তালিকা বানালাম। এখন এগুলোর আলোকে 1ম চ্যাপ্টারের লক্ষ ও উদ্দেশ্য নতুন করে লিখতে হবে।
শনি আর রোববারেই আশা করি নামিয়ে ফেলবো। ব্লগ লেখার ভূত যদি ঘাড়ে চেপে না বসে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




