নিজেদের পছন্দ আর চাহিদার নিয়ে এরকম আবিষ্কারের খেলা আমরা মাঝে মাঝেই খেলতাম। তো একদিন আমরা ধরলাম ওয়াহিদুল হক কে। কী আবিষ্কার হলে আপনি খুশি হতেন? উনি টয়লেটের ফ্লাশের শব্দ নিয়ে অভিযোগ তুললেন। অর্থাৎ ছোটঘরে বড় শব্দের অভিযোগ। বাছা বাছা শব্দে কথা বলেন ওয়াহিদুল হক। তিনি বললেন, যখন জলব্যয় করে আমরা ফ্লাশের জন্য চেইন টান দেই। তখন বড় বেশি শব্দ করে। আশে পাশে অন্য ঘরের লোকজনও সেই শব্দ শুনতে পায়। রম্নচিমানদের কানে সে শব্দ বড় লাগে। টয়লেট, কমোড ইত্যাদি আবিষ্কার করে বিজ্ঞানীরা আমাদের বড় সুবিধা করে দিয়েছেন। যদি এই শব্দটা কমিয়ে দেয়ার একটা ব্যবস্থা করতেন তবে সম্ভ্রম রক্ষাটা সহজ হতো।
আমাদেরও খুব পছন্দ হয় এই ধারণাটা। ছোটঘরে এত জোরে শব্দ হবে কেন? বর্জ ত্যাগের বিষয়টা আমরা চোখের আড়ালে নীরবেই সারতে চাই। তা অনেকদিন হয়ে গেছে, এ বিষয়ে কোনো আবিষ্কার হয়েছে কিনা জানি না। তবে জাপানে এখন এমপি থ্রি লাগানো ঢাকনাসহ টয়লেট পাওয়া যায়। গানের শব্দ দিয়ে হয়তো জলপ্রপাতের শব্দকে ছাপিয়ে যাওয়ার চেষ্টা। কেউ যদি ব্যবহার করে থাকেন (জি্বনের বাদশাসহ) তবে একটু আওয়াজ দেবেন।
তবে এই যে ছোটখাটো জলপ্রপাতের শব্দ করে রুচিমানদের অসুবিধা ঘটায় যে টয়লেট সে সম্পর্কে একটা তথ্য জানলাম সমপ্রতি। বেশিরভাগ ব্রিটিশ টয়লেটের ফ্লাশ নাকি ই-ফ্ল্যাট সুরে বাঁধা। ওয়াহিদুল হককে পাচ্ছি না। আপনারা নিশ্চয়ই জানাতে পারবেন আপনার টয়লেটের ফ্লাশটার স্কেল। কোন সুরে বাজে সেটা? বেশিরভাগ বাঙালির টয়লেটের ফ্লাশ কোন স্কেলে বাঁধা? ব্রিটিশদের সাথে তুলনা করে রুচি ও সংস্কৃতির স্কেলের পার্থক্যটা হয়তো বুঝা যেত।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




