সে যাক, গল্প ঠিক কোথায় খুঁজতে হবে তা নিয়ে আমি দ্্বিধায় আছি। দ্্বিধায় আছি বলাটা ঠিক হলো কিনা জানি না। কারণ নিজের মাথার ভেতরে কোনো মিটিং করে আমি কোনো সিদ্ধান্তও নেইনি গল্পটা কোথায় খুঁজতে হবে। তবে বিকালে আমি নিজেকে আবিষ্কার করলাম লাইব্রেরিতে। পাবলো কোয়েলহোর ইলেভেন মিনিটস বইটা নিলাম। কিছু ডিভিডি নাড়াচাড়া করে ব্রাজিল ছবিটা নিলাম। মসলা ও মাসায়েল নামক বইটা উলেট পালেট বিভিন্ন সংকটে মুমিন বান্দার কর্তব্য কী তা পড়ার চেষ্টা করলাম। এধরনের কার্যকলাপকে নিশ্চয়ই গল্প খোঁজা বলা যাবে না।
ছোট হোক বড় হোক, ছবির জন্য গল্পটা চোখের সামনে দেখতে পাওয়ার কথা। আমি কী দেখি। না গল্প দেখি না। দুটো চরিত্র দেখি। বয়স্ক একজন বাঙালি ভদ্রলোক। পক্ষাঘাতগ্রস্ত। ইজি চেয়ারে শুয়ে আছেন। পূর্ব লন্ডনের অপরিসর বাড়িগুলোর আধো-অন্ধকারে তার রোগা-পাতলা শরীরকে মৃতদেহ বলেই ভ্রম হয়। আরেকটি চরিত্র আমি দেখি, শ্বেতাঙ্গ এক যুবতী। এই মুহূর্তে বসে আছে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বাঙালি ভদ্রলোকটির কাছে। অপেক্ষা করছে তার জেগে ওঠার। আর মাঝে মাঝে তাকিয়ে ঘরের দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখা ভদ্রলোকের পুরনো সাদা-কালো ছবিগুলো দেখছে।
এইমাত্র আরেকটা চরিত্রকে আমি আবিষ্কার করলাম। 11/12 বছরের একটি বাঙালি এক মেয়ে। হিজাবে ঢাকা মাথা। লাফাতে লাফাতে ঘরে ঢুকে এরকম একটা শ্বেতাঙ্গ মেয়েকে বাবার পাশে বসে থাকতে দেখে অবাক হয়ে গেছে। চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে।
যখন এই পোস্ট শুরু করেছিলাম তখন এই তৃতীয় চরিত্র মাথায় ছিল না। এখন মনে হচ্ছে গল্পটা একটু একটু করে ধরা দিচ্ছে। গল্পটা কি আমি পাচ্ছি?
এতদুর পড়তে পড়তে আপনাদের মনে ও মগজে কি বিশেষ কিছুদৃশ্য ফুটে উঠছে?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



