স্খলিত আপেলের জন্য আশংকা
জানালার কাছ থেকে টেস্টটিউবটা দ্রুত সরিয়ে কোথাও আঁচড় পড়লো কিনা পরীক্ষা করতে করতে আজাদ নিজের সাথে কথা বলে, যতই সময় হাতে থাকুক, এখন প্রকৃতি দেখার সময় নয়, আজাদ। নারী কি প্রকৃতি এবং প্রিয় নারীর কথা মনে ভাবাও কি প্রকৃতি দেখার মত কাজ এরকম একটা এঁড়ে তর্কের বিষয় আজাদের মনে গুঞ্জন তোলে কিন্তু রেস্টরুমের দরজা খুলতেই বিস্ময় ও অজানা এক ভয়ের মিশ্রিত অনুভূতিতে সামনের মূর্ত বাস্তবই তার সব মনোযোগ কেড়ে নেয়। খুব বেশি বড় না হলেও সোফা, কার্পেট, রকিং চেয়ার, বইয়ের শেলফ, টবে বুনো গাছ সব দিয়ে এমন সাজানো একটা রুম হানিমুন স্যুট হতে পারে, রেস্টরুম হতে যাবে কেন? আজ এইসময় বোধহয় আজাদ ছাড়া কারো এখানে থাকার কথা না তাই একরকম একান্ত নীরবতার ঢেউ টের পায় আজাদ চারপাশে আর তখন তার চোখ পড়ে আরো দুটি দরজার দিকে। ভুল জায়গায় আসেনি এই সন্তুষ্টিতে সে একটা দরজা খুলে পা রাখে ভেতরে।
আধঘন্টা ধরে বসে আছে আজাদ ছোট্ট ঘরটিতে কিন্তু নুপুরের কোনও স্মৃতি এই সময়টায় তার কাজে আসে না। অনেক জান্তব উদ্দাম সময় কেটেছে তাদের এবং নুপুরও জীবন-যৌবন নিংড়ে সবটুকু সুখ চুমুক দিয়ে পান করা নারী তবু এই জরুরি মুহুর্তে নুপুরের চলে যাওয়ার দু:খমাখা আলো-আঁধারি সন্ধ্যায় একা বসে থাকা শূন্য বেডরুমটার দৃশ্য মন থেকে তাড়াতে পারে না আজাদ। প্লে-বয় ম্যাগাজিনটা নিয়ে আসার সুযোগটা নিলে কতটা সুবিধা হতো তার একটা যাচাই মনে মনে আজাদ করে তখন এও তার মনে হয় নার্সটাকে ভালো করে খেয়াল করা হলো না নতুবা তাও হয়তো কাজে লাগতো। সময়ের মাপটা কখনই আজাদ ভালো বুঝে না সেকারণে হতে পারে অথবা অনেক দীর্ঘ সময় সে নিচ্ছে এ কারণে তার রেস্টরুমের দরোজায় টোকা দেয় কেউ এবং আজাদ কিছু বুঝার আগে নার্সের কণ্ঠ শুনতে পায় সে, `আর ইউ ওকে, মি: হাসান`?“ প্রশ্নের উত্তরটা খুব সহজ এরকমই মনে হয় আজাদের কিন্তু এই পরিস্থিতিতে তার হাতের শূন্য টেস্টটিউবের দিকে তাকিয়ে উত্তরটা ঠিক করতে পারে না আজাদ ফলে নার্সের পরবর্তী টোকায় অধৈর্য ভাব ধরা পড়ে। নার্সটার গলা অবশ্য আরেকটু নরোম ও আন্তরিক মনে হয়, `ইজ এভরিথিং অলরাইট ডিয়ার`। সবকিছু কি করে ঠিকঠাক থাকে এমন মন্ত্র আজাদ জানে না এবং জানা থাকলে আজ এখানে তাকে বসে থাকতে হয় না কিন্তু এই মুহুর্তে প্রশ্নের উত্তর দেয়াটা জরুরি মনে হয় তার কাছে নতুবা তার সন্দেহ হতে থাকে নার্সটা চেঁচামেচি করে লোক ডেকে একটা কান্ড ঘটাবে অথবা দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে যেতে পারে। সে সম্ভাবনার কথা কল্পনা করে বিব্রতই হয় আজাদ তবে তা যতটা তার স্বল্পবসন অবস্থার জন্য তার চেয়ে বেশি তার এখনও শূন্য টেস্টটিউবটার বাস্তবতায়। দরোজায় এবারে নার্সটা আর টোকা দেয় না বরং ধাক্কাই বলা যায় তার প্রতিক্রিয়াকে এবং এই পাশে ভাষাহীন মানুষের মত মনের ভেতর উত্তর গোছাতে গোছাতে দরোজার কাছাকাছি এসে দাঁড়ায় আজাদ ।
ছবিঃ আর্ল জোনস্।
সর্বজনীন পেনশন: সুবিধা বাড়ছে, ভবিষ্যৎ কতটা নিশ্চিত ?

সরকারের মনোভাব সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা কঠিন। ফ্যাসিস্ট আমলের বিতর্কিত 'সর্বজনীন পেনশন' প্রকল্পটি বাতিল না করে বর্তমান সরকার উল্টো নতুন নতুন স্কিম চালু করছে এবং এর সুযোগ-সুবিধা দিন দিন... ...বাকিটুকু পড়ুন
১৯৭১ এর পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তান কি বাংলাদেশে জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ছে?

পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়বার সহযোগী সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়ার কয়েকজন নেতা দাবি করেন, হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এই জঙ্গি সংগঠনটির নেতা সাইফুল্লাহ কাসুরি বলেন, তারা ১৯৭১ সালে... ...বাকিটুকু পড়ুন
অচেনা মাটিই আমার শেষ ঠিকানা !
অচেনা মাটিই আমার শেষ ঠিকানা !

পাথর বা গ্রানাইটে বেঁধো না তো আমার শেষ শয্যা,
নাম খোদাই করে রেখো না আমায়, দিতে একা থাকার লজ্জা।
চাই না উপাধি, চাই না তারিখ, ধূসর... ...বাকিটুকু পড়ুন
নৈতিক অবক্ষয়ের দায় কার?
ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের দায় কার?
সমাজে যখন অপরাধ বাড়ে, পারিবারিক বন্ধন দুর্বল হয়, সন্তান বাবা-মাকে সম্মান করে না, মানুষ মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারায়, দুর্নীতি-প্রতারণা-সহিংসতা স্বাভাবিক হয়ে ওঠে- তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কাতুকুতু'র কাহিনীনামা
কাতুর সাথে কুতু দিয়ে হচ্ছো পগারপাড়,
ফের যদি আসো কাছে বলবো- 'খবরদার!'
একটু হেসে, কাছে এসে, দিচ্ছো বুঝি কাশি,
ঝুলিয়ে দাড়ি, যাচ্ছো বাড়ি, যেথায় আছেন মাসি।
তোমার সাথে, দুধে-ভাতে, গপ্প করছি কত,
তবু কেন, ঘন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।