somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিদেশী গবেষকের চোখে বাঙালি

৩০ শে মার্চ, ২০০৬ রাত ৮:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নিজের চেহারাটা নিজের চোখে অনেক সময় ঠিক-ঠাক মত ধরা পড়ে না। তখন আমরা বন্ধুকে বলি এই দেখতো এই কাপড়টা আমাকে মানিয়েছে কি না। আবার যে মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একসাথে থাকে তার চোখেও অনেক ভুলত্রুটি ধরা পড়ে না। অভ্যাস হয়ে যায়। অথবা চর্বি বেড়েছে কিনা তা জানার জন্য অনেক দিন পর দেখা হওয়া পরিচিতজনের মতামতই ভালো। তারা পরিবর্তনটা চট করে ধরতে পারে। একেবারে অপরিচিত কারো চোখে আবার সবকিছুই বিস্ময় ঠেকে। তার বিচার হয় একেবারে নতুন কিছু। নিজেকে আয়নায় দেখে সেসব বিষয় সহজে ধরা যায় না। তো এই পরিপ্রেক্ষিতে বাঙালি জাতির কিছু আচার-আচরণ সম্পর্কে দুয়েক জন বিদেশির মতামত তুলে ধরি। দেখুন আমাদের চারিত্র তাদের কাছে কিভাবে ধরা পড়েছে।

পরিবার নির্ভরতা আমাদের দেশে একটি অত্যন্ত বড় বিষয়। পৃথিবীর অনেক দেশেই এই উপাদান একেবারে অনুপস্থিত। তো একজন বিদেশি গবেষক লিখেছেন, ' বাংলাদেশে একজন ব্যক্তি যখন ক্রমণ বৃহত্তর সমাজে প্রবেশ করে তখন পদে পদে তার পথটি মসৃণ করে দেবার জন্য প্রয়োজন পড়ে আত্মীয়স্বজন, চেনাজানা লোকের। একটা চাকরি পেতে, বাচ্চাকে স্কুলে ভর্তি রতে,অফিসের একটা ফাইল সই করিয়ে নিতে সহজ হয় যদি সঠিক লোকের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ থাকে। আত্মীয়স্বজন, চেনাজানা লোকের পৃষ্ঠপোষকতার জালে ঢুকতে না পারলে এখানে অস্তিত্বই বিপন্ন।"

মনে হয় না ব্যাটা জানিলো কেমনে? তো আরেক জনের মন্তব্য পড়ি চলুন, মানুষের ভেদাভেদ জ্ঞান সম্পর্কে। তিনি বলেছেন, "বাংলাদেশের মানুষ যখন নতুন কারো সঙ্গে পরিচিত হয় তখন সে দ্রুত মেপে নেবার চেষ্টা করে নতুন মানুষটি সামাজিক মর্যাদায় তার উপরে না নিচে? সাধারণ কথাবার্তা বা কোনো আনুষ্ঠানিক আদান প্রদান সবক্ষেত্রেই এই উঁচু নিচু বোধটি থাকে খুব টনটনে। কে উঁচু, কে নিচু তা নির্ধারণ হতে পারে উপার্জনের অংক দিয়ে, পড়াশোনার ডিগ্রি দিয়ে, বয়স দিয়ে এমনকি গায়ের রং দিয়েও।"

সত্যিই কি তাই। কতটা সত্যি?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ঢাবিতে "মব সায়েন্স" পড়তে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:১৮



- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।

- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গোকুলে বাড়িছে সে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৪

গোকুলে বাড়িছে সে

পরিস্থিতি যতই ঘোলাটে হচ্ছে, ততই স্পষ্ট হয়ে উঠছে- ক্ষমতার অন্দরমহলে অস্বস্তি বাড়ছে। একের পর এক বক্তব্য, ভিডিওবার্তা, ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ দেখে মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগছে- এত অস্থিরতার কারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আর্কাইভ থেকে: ফেলে আসা এক সড়কের কথা

লিখেছেন অর্ক, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:১৫



ফেলে আসা এক সড়কের কথা মনে পড়ে। হলুদ নিয়ন বাতির ম্লানাভ সন্ধ্যেবেলা। পলেস্তারা খসা বয়োজীর্ণ দেয়াল। দুয়েকটি রিক্সা। সিটের ’পর পা তুলে আঁটোসাটো ঝিমানো চালক। খেলা শেষে ঘরে ফেরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোথাও একটা ভুল হচ্ছে!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৪২

একটা ছোট নৌকা পাল তুলে পাড়ি দিচ্ছে-
অনন্ত নক্ষত্রবীথি।
পেরিয়ে যাচ্ছে- গ্রহ নক্ষত্র, মহাজাগতিক উল্কা।
দূরে কোথাও সংঘর্ষ হচ্ছে।
ধীর, অতি ধীর তার গতি। নৌকায় কয়েকজন মানুষ!
একটি শিশু,... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিদারাবাদ থেকে মাছুয়াপাড়া

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৫৫

আপনার সবচেয়ে অপছন্দের খাবার হচ্ছে শুকর। শুধু অপছন্দের না, এটা আপনি ঘৃণাও করেন। কিন্তু আপনার পাশে বসে সবাই শুকর খায়। যে পাতিলে শুকর রান্না করা হয়, সেই পাতিলেই আপনার জন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×