পরিবার নির্ভরতা আমাদের দেশে একটি অত্যন্ত বড় বিষয়। পৃথিবীর অনেক দেশেই এই উপাদান একেবারে অনুপস্থিত। তো একজন বিদেশি গবেষক লিখেছেন, ' বাংলাদেশে একজন ব্যক্তি যখন ক্রমণ বৃহত্তর সমাজে প্রবেশ করে তখন পদে পদে তার পথটি মসৃণ করে দেবার জন্য প্রয়োজন পড়ে আত্মীয়স্বজন, চেনাজানা লোকের। একটা চাকরি পেতে, বাচ্চাকে স্কুলে ভর্তি রতে,অফিসের একটা ফাইল সই করিয়ে নিতে সহজ হয় যদি সঠিক লোকের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ থাকে। আত্মীয়স্বজন, চেনাজানা লোকের পৃষ্ঠপোষকতার জালে ঢুকতে না পারলে এখানে অস্তিত্বই বিপন্ন।"
মনে হয় না ব্যাটা জানিলো কেমনে? তো আরেক জনের মন্তব্য পড়ি চলুন, মানুষের ভেদাভেদ জ্ঞান সম্পর্কে। তিনি বলেছেন, "বাংলাদেশের মানুষ যখন নতুন কারো সঙ্গে পরিচিত হয় তখন সে দ্রুত মেপে নেবার চেষ্টা করে নতুন মানুষটি সামাজিক মর্যাদায় তার উপরে না নিচে? সাধারণ কথাবার্তা বা কোনো আনুষ্ঠানিক আদান প্রদান সবক্ষেত্রেই এই উঁচু নিচু বোধটি থাকে খুব টনটনে। কে উঁচু, কে নিচু তা নির্ধারণ হতে পারে উপার্জনের অংক দিয়ে, পড়াশোনার ডিগ্রি দিয়ে, বয়স দিয়ে এমনকি গায়ের রং দিয়েও।"
সত্যিই কি তাই। কতটা সত্যি?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




