1. কোনো বেলা খাওয়া বাদ দেবেন না। এতে পরের বার খাওয়ার সময় আপনার বেশি খাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।
2. খাবারের সময়ের মাঝে শরীরের জন্য ভালো স্ন্যাকস্ খেতে পারেন। সকালের মাঝামাঝি সময় বা বিকালে স্ন্যাক খাওয়ার প্ল্যান করতে পারেন। ফল ও কাঁচা শাক-সব্জি (যেমন গাজর) ভালো স্ন্যাক হতে পারে।
3. কমপরিমাণে খান, বেশিবার খান। এটা আপনার হজমের জন্যও সুবিধার হবে। হঠাৎ করে বেশি খাবার হজম করতে গিয়ে শরীর অসুবিধায় পড়বে না।
4. খাবার ভালো করে চিবিয়ে খাবেন। খাবার হচ্ছে দরকারি জিনিস কিন্তু উপভোগ করারও! ভালো করে খাবার চিবিয়ে খেলে আপনার পরিপাক (খাবার হজম করা) যন্ত্রের উপরও কম চাপ পড়ে।
5. প্রচুর পানি খান! প্রতিদিন ছয় থেকে আট গ্লাস পানি খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। এতে আপনার খাবার কম খেতে সাহায্য হবে এবং ওষুধের সাইড-এফেক্ট থেকে রক্ষা পাবেন এবং কিডনিকে ঠিকমত কাজ করতে সাহায্য করবে।
6. খাওয়ার প্রায় আধঘন্টা আগে রিল্যাক্স করে দেখুন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



