ইউনিভার্সিটি কনফারেন্সের জন্য হোটেলটি ভাড়া করেছিলো। ভেবেছিলাম কনফারেন্স শেষ হলেই চার তারকা হোটেলটি বদলে সস্তা কোনো হোটেলে উঠে যাবো। কিন্তু এত ভালো লেগে গেলো এর সুযোগ সুবিধা যে বাড়তি খরচের চাপটা মেনে নিলাম।
প্রথম দিন রুমে ঢুকেই দেখি বিরাট আড়াই হাতের (সম্ভবত: 45-46 ইঞ্চি) পর্দাওয়ালা টিভি স্ক্রিন। টিভি অন করা মাত্র আসে 10 টি অপশন। তাতে টিভি নিউজ, মুভিজ, এন্টারটেইনমেন্ট, স্পোর্টস, ইত্যাদি ছাড়াও রয়েছে আছে ইন্টারনেট। দেয়া আছে কর্ডলেস কিবোর্ড। ইন্টারনেটে লগইন করে সামহোয়ারইনব্লগ ডট নেট টাইপ করতেই পর্দা জুড়ে এলো বাঁধ ভাঙার আওয়াজ। সাউথ এশিয়ান ল্যাঙ্গুয়েজের অপশনটা অন নেই বলেই লেখাগুলো পড়া যাচ্ছিল না তবে শুভ আর শাওনের ছবি দেখা যাচ্ছিল। আর অন্যান্য ছবিগুলোও ছিল স্পষ্ট। দেয়াল জুড়ে এত বড় বাঁধ ভাঙার আওয়াজ দেখে আমার তো আর আনন্দ ধরে না। তুলে রাখলাম একটি ছবি।
সারাদিন ঘুরাঘুরির পর ব্লগিং করার কোনো উপায় ছিল না। তাই ব্লগিং করতে না পারলেও ল্যাপটপ অন করে কিছু লেখা পড়তাম। ওয়ারলেস নেটওয়ার্কিং-এর সুবিধা আছে রুমে রুমে। একটি ক্যাসিনো ও ফিটনেস সেন্টারও আছে হোটেলটিতে। ভালো ব্রেকফাস্টের ব্যবস্থা ছিল। সকালে যথেষ্ট নাসত্দা করে নিতাম যাতে দুপুরে খাওয়ার জন্য রেস্টুরেন্ট খুঁজে সময় নষ্ট না হয়। খাওয়ার জন্য আমার পছন্দ ছিল পুরান শহরের রেস্টুরেন্টগুলো। ক্লান্ত দেহে যখন ঘরে ফিরতাম তখন রুমটা থাকতো পরিপাটি করে সাজানো। 'জুলিয়ানা' নামের যে মেয়েটি বিছানাপত্র সাজিয়ে রেখে যেত তাকে হয়তো যথেষ্ট টিপস্ দিয়ে আসা হয়নি। পরের বার নিশ্চয়ই এমন ভুল করবো না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




