দ্বীপের মাঝের চার্চে উপাসনা করতেই আগে মানুষেরা আসতো এখানে। পরে 1855 তে এক সুইস ডাক্তার খুললেন স্বাস্থ্য নিবাস; ঝর্ণার জলে ভিজতে আসতো ইউরোপের স্বাস্থ্য-সন্ধানী মানুষেরা। পাহাড়ের নির্মল বাতাস আর মায়াবী আলোও একটি বড় আকর্ষণ। বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সৌন্দর্যে ধরা দেয় লেক আর তার আশ-পাশের এলাকা। 'সামারে' আরো বেশি পর্যটকের জন্য নানা রকম জল-ক্রীড়ার ব্যবস্থা হয়। যদিও এখন প্রচন্ড রোদ পড়েছে এই কয়দিন তবু 'সামারের' পুরো স্বাদ নাকি পাওয়া যাচ্ছে না। শীতে যখন লেকের জল জমে বরফ হয়ে যায় তখন তার উপর স্কেটিং-য়ের আসর বসে। দূরে পাহাড়ের গায়েও তখন থাকে অনেক বেশি বরফ।
জনপ্রতি দশ ইউরো গুণে 'গনডোলা' চড়লাম। গন্তব্য লেকের মাঝের অনু-দ্বীপটি। মোটমাট দশজন যাত্রীকে নিয়ে আমাদের চালক ধীরে এগুতে থাকলো দ্বীপটির দিকে। লেকের পান্না-সবুজ পানির তল থেকে কড়া রোদে জ্বলজ্বল করা পাহাড়ের শৃঙ্গ আর দুর্গটিকে তখন মনে হচ্ছিল ফ্রেমে আঁকা ছবি। দ্বীপটি সমতল নয়, আসলে একটি ছোট্ট পাহাড়। মাঝখানে উঁচুতে যে চার্চ তার দু'দিকে আছে বিশাল দু'টি সিঁড়ি। দ্বীপে পেঁৗছে চার্চে যাবার জন্য আমাদেরকে আধঘন্টার বিরতি দিলো গনডোলা-চালক।
(উৎসর্গ: দীক্ষক দ্রাবিড়: লেকের মাঝের অনু-দ্্বীপটিতে 9ম সেঞ্চুরিতে খৃষ্ট ধর্মাবলম্বীরা চার্চ স্থাপন করে। তার অন্তত: একশ' বছর আগে থেকেই সেখানে ছিলো পাগান মন্দির যাতে উপাসনা করতো স্লাভরা। 'আমাদের ধর্ম, উপাসনালয়গুলো চুরি হয়ে যায়, দীক্ষক'।)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



