দ্বীপের দক্ষিণে যে সিঁড়ি সেটিই বেশি সুন্দর। কিন্তু এর ছবি তুলতে হলে পানিতে যেতে হবে। আমাদের গনডোলা চালক এদিকে তো আসবে না। পরে ঐ পাড়ে যদি যাই তখন তুলবো। দক্ষিণ দিক থেকে গির্জাটির কিছু ছবি তুললাম। 9ম শতাব্দী থেকে এখানে চার্চ ছিল। কিন্তু প্রত্নতাত্তি্বক খননের পর দেখা গেছে এখানে আরো অন্তত: এক শতাব্দী আগে পর্যন্ত পাগান মন্দির ছিল।
আধঘন্টা সময় দ্রুত ফুরিয়ে গেল। নীচে নেমে দেখলাম সবাই গনডোলায় চড়ে বসেছে। উঠার আগেই চালক টাকা চাইলো। মনে মনে হাসলাম। লেকের মাঝে রেখেই টাকা নিয়ে নিচ্ছে। যদি না দেই তবে কি ফেলে রেখে চলে যাবে?
(স্লোভেনিয়া যাওয়ার আগে সাদিক বলেছিলেন স্লোভিন মুসলিম ও মসজিদের ছবি তুলতে ও তথ্য জোগাড় করতে। কিন্তু স্লোভেনিয়ার মাত্র 2.5% লোক মুসলমান। সংখ্যায় তা মাত্র 50,000। এর বেশিরভাগই মনে হয় বসনিয়ান মুসলমান। অটোমান সাম্রাজ্যের কালে তুর্কীরা বেশ কয়েকবার আক্রমণ করেছিলো স্লোভেনিয়া। বেশ কিছু কাবাবের দোকানে আছে লুবিয়ানায়। তারা মনে হয় তুর্কী মুসলমান। তবে স্লোভেনিয়ায় স্থায়ী কোনো মসজিদ নেই। আমাদের হোটেলের ড্রাইভার জানিয়েছিল (যদিও জিজ্ঞেস করিনি তবু আমার ধারণা সে বসনিয়ান মুসলমান) আগামী বছরের মধ্যে একটি মসজিদ বানানো হয়ে যাবে। সাদিক যেহেতু সর্ব ধর্মের বিষয়ে সমান শ্রদ্ধাশীল সেহেতু লেক ব্লেডের গির্জাটির ছবিগুলোই সাদিকের জন্য উৎসর্গ করলাম।)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



