লাবণ্যময়ী লুবিয়ানা-7 (উৎসর্গ: মাশীদ)
১১ ই মে, ২০০৬ রাত ৯:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
প্রেসেরেন স্কোয়ার থেকে পাঁচটি রাসত্দা চলে গেছে পাঁচদিকে। প্রতিটি রাসত্দা দিয়ে হাঁটলেই সুন্দর সুন্দর স্থাপত্য ও ভাষ্কর্য দেখতে পাওয়া যায়। তবে স্কোয়ার থেকে ট্রেন ও বাস স্টেশনের দিকে যে রাসত্দাটি গেছে তার সৌন্দর্য আলাদা। এর নাম মিকলোসিসেভা সেসত্দা। সেসত্দা মানে সড়ক অনুমান করি। এই সড়কের দু-পাশে আছে অনেক রকমারী ভবন। বিশেষ একটি সময়ের সক্ষী এরা। সস্নোভেনিয়ার নামকার স্থপতিরা নিজস্ব স্থাপত্যরীতি তৈরির উচ্চাশা নিয়ে এসব ভবন ডিজাইন করেছিলেন। এদের মধ্যে এগিয়ে আছেন ইভান ভুরনিক। এক সময়ের কো-অপারেটিভ ব্যাংকটা তারই তৈরি। তার ভবনটির গায়ে লাল, নীল, হলুদ নঙ্া এঁকেছিলেন তার স্ত্রী হেলেনা। (পোস্টটির মূল ছবিটিই এই ভবনের)।
ক্রিম রংয়ের আরেকটি ব্যাংক ভবন আছে যার উপরে দুজন নারী বসে আছেন হাতে মধুর চাক আর টাকার ব্যাগ নিয়ে। পরিশ্রম ও সম্পদের প্রতীক। এটি ছিল পিপলস্ লোন ব্যাংক। গ্র্যান্ড হোটেল ইউনিয়নের ভবনটিও একটি নজরকাড়া স্থাপত্য ছিল এই শহরের। 1905 সালে তৈরি করা হয়েছে এটি। সড়কটির শেষ মাথায় আছে মিকলোসিসেভ পার্ক। পার্ক পার হয়ে একটু এগুলেই বাস ও রেল স্টেশন। রাজধানী থেকে দূরে কোথাও যেতে হলে এখানেই আসতে হয়। ট্রেন চড়া হয়নি আমার। টু্যরিস্ট ইনফরমেশন সেন্টারের সহাস্য তরম্নণীদের পরামর্শে বাস নিয়েই গেছি একদিন লেক ব্লেডে, আরেকদিন পোস্তনস্কা গুহা দেখতে।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মে, ২০০৬ সকাল ৮:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অকারণে মন ভালো না আজ
তুমি কোথায়?
এসো এক গুচ্ছ রঙ্গন নিয়ে
বাঁধো আমায় ভালোবাসার সুতায়।
অকারণে ভালো লাগে না কিছু;
তুমি কই গেলে?
রক্ত রঙ ফুল নিয়ে এসো;
উড়ো এসে মন আকাশে - প্রেমের ডানা মেলে।
কী...
...বাকিটুকু পড়ুন
সূর্যমুখীঅন্যান্য ও আঞ্চলিক নাম : রাধাপদ্ম, সুরজমুখী (হিন্দি)
সংস্কৃত নাম : আদিত্যভক্তা, সূর্যকান্তি, সূর্যকান্তিপুষ্প
Common Name : Sunflower, Common sunflower
Scientific Name : Helianthus annuus সূর্যমুখী একটি বর্ষজীবী ফুলগাছ। সূর্যমুখীকে শুধু ফুলগাছ বলাটা...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
আরোগ্য, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:২১
গতবছর এই মে মাসের ১৭ তারিখেই আমার চোখের প্রশান্তি, আমার কর্মের স্পৃহা, আমার জননী এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী ও আমাদের কাছ থেকে মহান রব্বের ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে পাড়ি জমান। আব্বু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইচ্ছে করে ডিগবাজি খাই,
তিড়িং বিড়িং লাফাই।
কুমারী দীঘির কোমল জলে
ইচ্ছে মতো ঝাপাই।
রাস্তার মোড়ে সানগ্লাস পরে
সূর্যের দিকে তাকাই,
সেকান্দর স্টোর স্প্রাইট কিনে
দুই-তিনেক ঝাঁকাই।
ঝালমুড়িতে লঙ্কা ডাবল,
চোখ কচলানো ঝাঁঝে,
ছাদের কোণে যাহাই ঘটুক,
বিকেল চারটা বাজে।
ওসবে আমার...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
মেহবুবা, ১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০

মায়া এক কঠিন বিষয় ! অনেক চেষ্টা করে জয়তুন গাছ সংগ্রহ করে ছাদে লালন পালন করেছি ক'বছর।
বেশ ঝাকড়া,সতেজ,অসংখ্য পাতায় শাখা প্রশাখা আড়াল করা কেমন আদুরে গাছ !...
...বাকিটুকু পড়ুন