ব্রিকলেনে সকাল থেকেই সাজ সাজ রব। যদিও আকাশ মেঘে ঢাকা, লোকে লোকারণ্য হয়ে উঠলো সমগ্র এলাকা। প্রথমেই দু'জন বন্ধুকে ধরে কাগজ দেখালাম। যেহেতু লন্ডনে নগদ টাকা নিয়ে কেউ হাঁটে না, কার্ডই ভরসা, সুতরাং দুজনই ছুটতে চাইলেন। আমি নাছোড়বান্দা। কিন্তু একজনের পকেট থেকে যে টাকা বের হলো তা দুজনের বলে চালিয়ে দিলেন। মানুষ ক্রমাগত বেড়ে চরম উৎসবে পরিণত হলো ব্রিকলেন। সবাই হাসি-খুশি আর আনন্দ-উৎফুল্ল মনে চকচক করছেন। একসাথে এত লোক হাঁটছেন যে, অনেকের মাঝে এরকম কষ্টমাখা একটি কাগজ বের করতে মন সায় দিচ্ছিল না। আরো কয়েকজনকে মনে করিয়ে দিলাম। কিন্তু টাকাটা নেয়ার সুযোগ তৈরি হলো না। খুব কষ্ট নিয়েই ফিরলাম বাসায়।
আসলে কখনোই এরকম কাজ আমি করিনি। কারো কাছে টাকা চাইতেই আমি পারিনা। ভেবেছিলাম প্রাপ্তির জন্য হয়তো আমি এই লজ্জাটাকে জয় করতে পারবো। কিন্তু দেখলাম বাস্তবে তা সহজ নয়। কেউ আমার কথা অবিশ্বাস করছে না। অজুহাতও তুলছে না। কিন্তু আরেকটু সময় লাগবে মনে হচ্ছে। তবে বৃহস্পতিবারের মধ্যে টাকা প্রাপ্তির জন্য টাকা আমি পাঠাবোই। দেখা যাক, কাল, পরশু'র মধ্যে কি দাঁড়ায়!!!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



