গার্মেন্টস পণ্য রফতানিতে রেকর্ড গড়তে চায় বাংলাদেশ। এই লক্ষে মুন্সীগঞ্জের বাউশিয়ায় একটি গার্মেন্ট শিল্পপার্ক করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার
০৪ ঠা মে, ২০১৫ বিকাল ৪:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
গার্মেন্টস পণ্য রফতানিতে রেকর্ড গড়তে চায় বাংলাদেশ। এলক্ষ্যে আগামী ২০২১ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন ডলার পোশাক রফতানির যে রোডম্যাপ প্রণীত হয়েছে তা বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছে সরকার। আগামী ২০২১ সালে বিশ্বে পোশাকশিল্পের বাজার দাঁড়াবে ৬৫ হাজার কোটি ডলারে। বর্তমানে আছে ৪৫ হাজার কোটি ডলারের বাজার। এর মধ্যে বাংলাদেশের হিস্যা মাত্র ৫ শতাংশ। এটি ৮ শতাংশে নিয়ে যেতে পারলেই লক্ষ্য অর্জনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাবে বাংলাদেশ। পোশাক রফতানি নতুন রেকর্ড অর্জিত হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে ইতোমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে একটি রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হয়েছে। এই রোডম্যাপের আওতায় মুন্সীগঞ্জে দেশে প্রথমবারের মতো গড়ে তোলা হচ্ছে গার্মেন্টস পল্লী। পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরের কাছে এ ধরনের পল্লী গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এছাড়া পোশাক শিল্পে বিদেশী বিনিয়োগের সুযোগ দ্বার উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। এতে জাপান, চীন, কোরিয়া এবং ভারতের বহু বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে আসার সুযোগ পাবে। শুধু তাই নয়, প্রণীত রোডম্যাপ বাস্তবায়নে তৈরি পোশাক খাতে শ্রম কল্যাণ ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ উন্নয়নে সোস্যাল কমপ্লায়েন্স ফোরাম ফর আরএমজি গঠন করেছে সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জিএসপি সুবিধা পুনর্বহাল, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে এই সুবিধা ধরে রাখতে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তৈরি পোশাক শিল্পে সাব-কন্ট্রাকটিং ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকল্পে সাব-কন্ট্রাক্টিং নীতিমালা প্রণয়ন, শ্রম আইন সংশোধন করে বিধিমালা প্রণয়ন এবং এ খাতের শ্রমিকদের পেশাগত মান উন্নয়নে প্রশিক্ষণ এবং ঢাকার ওপর চাপ কমাতে মুন্সীগঞ্জের বাউশিয়ায় একটি গার্মেন্ট শিল্পপার্ক করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ৫০ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারের বিভিন্ন বাস্তবমুখী পদক্ষেপের ফলে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে উদ্যোক্তারা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। রফতানি বাণিজ্য ৫০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পাশাপাশি ওই সময়ের মধ্যে শুধু পোশাক শিল্পে আরও ৩০ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বর্তমানে এ শিল্পে ৪০ লাখ নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। এছাড়া পোশাক শিল্পে এখন প্রতিবছর গড়ে ১৫-২০ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। আগামী ২০ বছরনাগাদ এ শিল্পের গ্রোথ এ হারেই বাড়বে।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
রাজীব নুর, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩১

এবছর দেশে আমড়ার ফলন ভালো হয়েছে।
আমড়ায় আছে প্রচুর ফাইবার যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এক কেজি আমড়া মাত্র ৫০ টাকা। এক কেজি আপেল ৩৫০ টাকা। মালটা...
...বাকিটুকু পড়ুনগাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮
চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....
বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়...
...বাকিটুকু পড়ুন
আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন...
...বাকিটুকু পড়ুন