আমদানি ব্যয় কমার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ বাড়ার কারণে টাকার মূল্যমান বাড়ছে। যা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক দিক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফের ডলার কিনতে শুরু করায় যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশের টাকার বিনিময় হার আবার বাড়ছে। গত এক মাসে ডলারের বিপরীতে টাকার মান বেড়েছে ৪৫ পয়সা। রপ্তানি আয় এবং রেমিটেন্সে প্রবাহের ইতিবাচক ধারায় বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। এছাড়া জ্বালানি তেল এবং খাদ্যপণ্য আমদানিতে খরচ কমাও ডলার সরবরাহ বাড়ার একটি কারণ। এ কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশের টাকা অনেকটা শক্তিশালী হয়েছে। ৭৮ টাকা ৫০ পয়সা দরে আড়াই কোটি (২৫ মিলিয়ন) ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এক মাস আগে এর দর ছিল ৭৮ টাকা ৯৫ পয়সা। চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরে মোট ২১৬ কোটি ডলার কিনেছে বাংলাদেশ। এখন জ্বালানি তেলের পেমেন্ট একেবারেই কমে গেছে। খাদ্যপণ্য আমদানিতেও ব্যয় কম হচ্ছে। বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্যে (ব্যালেন্স অফ পেমেন্ট) বড় উদ্বৃত্ত রয়েছে। ব্যালেন্স অফ পেমেন্ট উদ্বৃত্ত হলে টাকা শক্তিশালী হবে- এটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৭ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন (দুই হাজার ৭৪৭ কোটি) ডলার। এই অংক অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) রপ্তানি আয় বেড়েছে গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। এ অর্জন বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও বেগবান করতে সাহায্য করবে নিশ্চিত।

সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




