somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্মৃতির বৃহৎ মাঠ থেকে ফিরে বছর-ভর কত-না গৃহত্যাগ

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তোমাকে দেখছি না। একবার তো তোমার আসার
কথা, যখন স্বপ্নরাশি নিজেরই উলঙ্গ ও ঠান্ডা, ধর্মগ্রন্থের
চেয়ে প্রবিত্র পায়ের চাপে ভাঙা। জলোগন্ধ ভরা এই আকাশ
থেকে নেমে, যখন সমুদ্র বেগে ধেয়ে যাবে শীত সন্ধ্যা;
পুরানো প্রাচীন রক্তধারা লীন ও স্বপ্নজুড়ে উদ্ভিদের মৃত
চিৎকার! নদী শুকিয়ে চিল হয়ে গেছে উড়ে, ওড়ে
ডানাঅলা সমস্ত মাটি। আর তোমার চোখের এক মুঠো কান্না,

এবং শোনো অস্থায়ী জলের জাল দিয়ে পুরোটা কাজ করা
পোশাকের আচ্ছাদনে ঢাকা আমার দেশের সুগন্ধ মেয়েরা,
তোমরা যারা তার বিরোধীতা করো! সকাল বেলায় আসো
আর রোজ হাওয়াদের ওপর দাঁড়াও

তোমরা কী জানো না! বহুদূর পথ হেঁটে গেলেও
কোনোদিন আকাশে মাটিতে দেখা না পাওয়া, ও সৌন্দর্যের
সামান্য স্ফূরণ সমান ভূমি আর জ্বলতে দেখবে না।
কোনোখানে;

...আমার মানে আমাদের মৃত্যুময় তীরে

অথচ এখন পর্যন্ত কিনা তাঁর নামকরণও করা হয়
নি! সংশোধিত। তাই জীবিত ...আমাদের সব মায়া এবং
স্বপ্ন থেকে বাতাসে ও বৃষ্টিতে, সে চেয়েছে সীমানা
ছিঁড়তে! সে চেয়েছে ফল! আমি বলি কী 'সকল
প্রশংসা শুধুমাত্র তার'।

সেই সেই ওহি বহন করা কোল আর সকাল মুছে
বসতে চেষ্টা করো। তোমাদের ভালো করে জানিয়েই দিতে
চাই যে, পাহাড়ের সামনে সন্ধ্যার পর মাদ্রাজে আর
মোরগের লবণমাখা ডাক

নিভলে সে ছিল! আমার সঙ্গে ঐ তিথিগুলোতে।

আর মৃত্যুর চেয়ে দামি দামি দেশে তোমাদের যাতায়াত
তোমরা আসতে চাইলে আসতে পারো। আর আমরা যেতে
চাইলেই- শুধু এটা সেটা বলো! বিশাল জিভ বের করে
মাটির যেই পাশে গজালো যে জ্ঞানদাঁত! এক কোপে
পড়ে যাওয়া মাথা! আমাদের দাঁতে দাঁতে জড়ানো
যে আলোর কষ; আর আমাদের ইন্জিনের শক্তি স্পর্শ করো
ক্রমাগত মাপো,

(...জানি না ঈশ্বরদের মধ্য হতে কোন্ জন তোমাদের তৈরি করেছে)

ও আমার দেশগুলোর জাতির জনকগণ, তোমরা কি সেই,
যাদের খুলি একটু আগেই আমরা আবিস্কার করলাম
পিকিং শহরমধ্য থেকে,

তোমাদের রং-করা আকৃতি বোঝা ভার, তা ছিল
কি ভেড়া ও মনুষ্যযুগলের?

দুঃখিত, আমাদের রাষ্ট্রপতি কিংবা জাতির পিতাগণ!
আমরা এটা দ্যাখার জন্যই শুধু জন্মেছিলাম যে, কী
করে উপসাগরের পারে একটি মৃত ছাগশিশু ভাসছে,

...আর কোমরছাড়া দুই পায়ের দাপাদাপির ভিতর
থেকে বেরিয়ে জোনাকির হাড়ের স্ফূরণে স্ফূরণে
বেড়ে ওঠেছ যে মেয়েরা,

তোমাদেরই নীল ঝুড়িশাড়ি মধ্য থেকে হলুদ আকাশের
দিকে উড়ে গিয়েছিল

...আমার সমস্ত সংগ্রহ করা তিতির!

ওই খোলামেলা দা এর দিকে চুপে মুখ করে আছে
যে চুপচাপ আকাশ, সবুজ পাতার ভিড়ে উড়তে থাকা
এক ঝাঁকবদ্ধ যে হলুদ অতিরিক্ত শালিখ, স্বপ্নের উপত্যকা
গুলো আর হ্যামিলন শহরের কোনও বেহালা বাদক,
আর আমার দীর্ঘভাই! যাকে কখনোই দেখি নি
আর তোমরা! তোমাদের মধ্য থেকে যাকে সবাই অনু
সরণ করছে, আমাদের স্বপ্নের আয়নায় যে সমুদ্রটা
বাঁধা, সেই সেই লেবু ছড়ানো মেয়েগণ আর মমি
মিশ্রিত জনতার দল!

...গভীর সমুদ্রে ময়ূরেরা তর্ক তোলে

...তোমরা কি সত্যিই বেঁচেছিলে। বৃষ্টিছাড়া
বৃদ্ধি পাওয়া দমবদ্ধ এই তিতকুটে ধোঁয়ায়?

(যাও মাছের ভিতরে আমার শিশু
যাও ভুবনময় মাছ আমার শিশুমধ্যে)

...ঘুরতে থাকা এক পাখার পুরানো চক্কর
আমাদের নাকে মুখে,

এবং নীরবতা মধ্যে আবার সব মনে পড়ে! অন্যদের
ঝড় বহন করা ট্রেনে আমাদের তুলে দিয়ে মেঘদের
গমনপথ ধরে 'এখানকার ঋতুরা বেশ বিশৃঙ্খল'-
এই বলে, চলে যাওয়া সেই তুমি কি আবার আসবে!
এসে পৌছাবে?

পরিভ্রমণ রত তোমার চতুর্দিক সকলের মিহিমুখে ...

...খেজুরের কাঁটা গেঁথে ছিলি তুই! শৈশবের সারা
দেহে,

ভিতরের এক দুলর্ভ আয়নায় দেখি ডুবে যাচ্ছে
পৃথিবী থেকে রক্তাক্ত কাচের সমুদ্রগুলি ও আমাদের মীনের
অবদান! চাঁদের ভরপুর বাতাসে! পশ্চিমের সিংহ
দরজামুখ ঘেষে তখন কে ছিল দাঁড়িয়ে?

'অভিবাদন, তোমাকে স্বদেশী! এই নতুন ঝকঝকে
দেশে। এখানে পাবে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরতম
নৈশপথগুলি। চলো, প্রদর্শনীতে গেলে হয়তো ভালো
লাগবে'।

সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৪১
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

টগর ফুল

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ০৯ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:৪০

টগর ফুল
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

টেম্পুতে উঠে বসে আছি
গন্তব্য উত্তরা, আজমপুর
আগে আরো কয়েকজন বসে আছে
একটু পর পর একজন করে উঠছে
হঠাৎ অষ্টাদশী যুবতী, হাতে শুভ্র
তিনটি টগর ফুল, সে রূপসী, ফুলগুলো
নাড়াচাড়া করছে, ডান হাত-
থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আরেকটা পদ্মা সেতু না বানিয়ে দেশ উন্নয়নের নিনজা টেকনিক!

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১০ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১:৪৫




আগে জানতাম উন্নয়নের জন্য বিনিয়োগ লাগে, চাহিদা অনুযায়ী শিল্প গড়ে ওঠে, কর্মসংস্থান তৈরি হয় - তারপর দেশের উন্নতি হয়।

কিন্তু বাংলাদেশ স্বাধীনতা ২.০-এ এসে উন্নয়নের সংজ্ঞাই পাল্টে গেছে।

এখন উন্নয়নের নতুন... ...বাকিটুকু পড়ুন

৭১-কখনোই ৫০/৫৫বছরের পুরোনো কোনো ঘটনা নয় ।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১০ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৭:০১




৭১-হলো আমাদের বাংলাদেশের বাঙালি জাতির প্রতিদিনের এগিয়ে চলার অনুপ্রেরণা । ৭১ আমাদের অস্তিত্ব,একাত্তর আমাদের আত্মপরিচয়ের ইতিহাস । একাত্তর যদি মলিন বা বিলীন হয়,তখন আমি আর আমি,আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুভ সকাল। আসসালামু আলাইকুম।

লিখেছেন রাজীব নুর, ১০ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৩৪



ভোর থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে!
অবশ্য বর্ষাকাল চলছে, বৃষ্টি তো হবেই। ছাতা ছাড়াই বাসা থেকে বের হলাম। ছাতা নেই। ভেঙে গেছে। এক বছর হয়ে গেলো। কিনবো কিনবো করে আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ ভুল, অনুতাপ ও ভালোবাসা

লিখেছেন সামিয়া, ১০ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৮


আজকে একটু তাড়াতাড়ি ফিরবা? আমি রান্নাঘর থেকে মাথা বের করে আনিসকে বললাম। সে জুতোর ফিতা বাঁধতে বাঁধতেই ছোট্ট করে উত্তর দিল,
- চেষ্টা করব। আমি হেসে বললাম,
- তোমার এই চেষ্টা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×