জার্মান যন্ত্র বারবার ব্রেক কষার ফলে বিকল হৈয়া পড়িলো... 

০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
জার্মান যন্ত্র আবারও বিকল হৈয়া পড়িলো গন্তব্যস্থল হৈতে এক কিলোমিটার দূরে থাকা অবস্থায়।

৪ বছর পর একই গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হৈয়াছিলো জার্মান যন্ত্র। কিন্তু পুনরায় এক কিলোমিটার দূরে থাকাবস্থায় বিকল হৈয়া দুই কিলোমিটার পেছনের মেরামতকেন্দ্রে লৈয়া যাওয়া হৈলো। উল্লেখ্য, রাস্তা ঢালু থাকার কারণে জার্মান যন্ত্র তুমুল গতিতে চলিতেসিলো। মাঝেমাঝে হার্ডব্রেক কষার চেষ্টা করা হৈয়াসিলো। এরপর একবার কঠিনভাবে হার্ডব্রেক করার চেষ্টা করা হৈয়াসিলো। কিন্তু ব্রেকে কুলাইতে না পারিয়া যন্ত্র বিকল হৈয়া পড়িলো।
পুনশ্চঃ
ঢালু রাস্তা= তিনখানা ম্যাচ ৪ গোলে জয়। কঠিন গতিতে যাত্রা।
গন্তব্যস্থল হৈতে এক কিলোমিটার= বিশ্বকাপ শিরোপা।
দুই কিলোমিটার পেছনের মেরামতকেন্দ্র= তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ।
হার্ডব্রেক= ডিফেন্সিভ খেলা।
(ডিফেন্সিভ খেলা খেলে যে কোন দলকে আটকানো যায় না, উল্টো নিজেদেরকেই হেরে বিদায় নিতে হয়, সেটা আরও একবার প্রমাণিত হলো।)
আরও একখানা কথা।
অষ্টপদী বাবা পলের মুরিদ হৈতাম্চাই! 



সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
ইসিয়াক, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৪

চন্দ্রা পশ্চিমের বারান্দায় উদাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আকাশে ছড়ানো ছেটানো মেঘ, সেই মেঘের মতই তার মনটা আজ বিক্ষিপ্ত ।
ইদানীং মা কি সব সন্দেহ করে তাকে।অকারণই মনে হয় তার কাছে। তারই...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
জুল ভার্ন, ১৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৩
যুদ্ধে কে জয়ী হয়েছে?
আমার উত্তর খুব সহজ- কেউ না।
যুদ্ধের প্রকৃত বিজয়ী বলে কেউ থাকে না। যুদ্ধ যখন শুরু হয়, তখন শুধু সৈনিক নয়; মায়ের বুক খালি হয়, শিশুর ভবিষ্যৎ ভেঙে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবাক হয়েই চেয়ে দেখি
কখন এমন হলো?
এইতো আমার ব্লগবাড়ীটার
বয়স হল ষোল।
দুরুদুরু বুকে তখন
খুলেছিলাম ‘নিক’।
ফেলতে পলক, পেরিয়ে গেল
ষোল বছর ঠিক।
ফেসবুক আর ইউটিউবের
আছড়ে পরে ঢেউ।
সামুপাড়ায় এখন কি আর
উঁকি মারে...
...বাকিটুকু পড়ুন
বাল্য বন্ধু শফির ফোন পাইলেই টেনশনে থাকি। কোন একটা দুঃসংবাদ নিশ্চিত। আর সেটা যদি হয় সকাল বেলা তবে তো কথাই নেই। যদিও আমাদের মধ্যে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই মোটেও তবুও...
...বাকিটুকু পড়ুন
(শালবন ভ্রমণ)২০১২ সাল। সদ্য পাশ করে বের হয়েছি। কঠিন সময় পার করছিলাম। এদিক-সেদিক স্টেজ শো করে যে পেমেন্ট পেতাম, বাড়িতে ফিরতে ফিরতেই প্রায় শেষ হয়ে যেত। সকালে মায়ের হাতে...
...বাকিটুকু পড়ুন