দখিনা বিলাস নেই, কাসার হুড়কায় ঠন ঠন শব্দ নেই,
পুস্তকের ভাঁজে লেখা আছে রাজন্যের বংশলতিকা,
কিছু কথা; মুখে মুখে সেই কথা ফেরে -
বাতায়নে দীর্ঘকেশ শুকায়,
পাথরের সিংহের ভাঙা অংশ যেখানে,
পোড়ামাটিতে রাজন্যের স্তুতি যেখানে,
সসস্ত্র বরকন্দাজ নেই তার প্রহরায়
পৌরানিক গৃহে,
বইছে হুহু নোনাধরা হাওয়া,
উই ধরেছে, মরিচা ধরেছে, অভেদ্য পাঁচিলের গায়ে বুনোশ্যাওলার চাষ -
পথিক সে ইতিহাস দেখে
দীর্ঘশ্বাস ফেলে।
কঙ্কালের গায়ে লেখা নেই অধিপতি কে হবে,
মাংসের পেশীতে, মজ্জার শর্করায় কেউ জানে না ইতিহাস উল্টে গেল কি হবে তায় ক্ষতি
যুগে যুগে প্রভূ হয়ে যায় কেউ - অন্যরা অনুগত কিংবা অনুচর
শাখার চেয়ে উদ্ভিদের অভাবে,
ভাতের চেয়ে বিদ্রোহের অভাবে,
নিজেকে ভুসাকালির ছবিতে নগন্য ভেবে ভেবে
কষ্টার্জিত জীবন যায় ক্ষুধা,জরায় আর শীতে
অথচ তাবৎ নৃপতি ভৃত্যের মত মিশে যায় আগুন বা মাটিতে।
-
ড্রাফট ১.০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

