শিলাবৃষ্টি পুকুরে মিশেছে দেখে বিস্মিত হয় না পানকৌড়ি, আড়ালে
আমি জ্ঞাত জলরসে ভাগ্যবান জীব, শ্রমরীতি
শ্বেতবিন্দু দিয়ে জল কেনে,
কত দেশ ঘুরে
কানায় কানায় নদী কত উৎসে আসে মোহনায় - সে ভাবনায়, ডুব দিয়ে
জন্মকুঠিতে সমঝে নিতে চাই আমি কোনো উৎস থেকে এলাম।
২
কাচারিতে অপেক্ষায় বসে আছো শিশুটিকে নিয়ে,
এক পাশে রোদ - ওখানে এক কাল শিশু খেলে
মাটিতে ধূসর ছায়া এবং বাড়ন্ত বংশধর
দুই খানি আলাদা সত্তা
একান্ত তাহার।
৩
ক্লাসের একটা আয়ত বোর্ডে দীর্ঘ অঙ্কের সূত্র লেখা হয়,
সচল বিদ্যালয় ভেঙে বাড়ি যায় - লেখাগুলো একই রয়ে যায়।
পড়া শেষে পরিচ্ছন্নতা এসে
সব আগের মত করে দেয়
কর্মীর কাছ মুছে দেয়া, সব ঠিক করে দেয়া দায়িত্বের সততা,
গাড়ির ওয়াইপারের মত ডাস্টারের হাত মুছে দিচ্ছে সেই দামী কথা -
মুছে দিতে দিতে ঘেমে যাবে মখমল,
ভেজা মখমলের কাছে সব সাদা কালো
যেমন সাদা-কালো ঐ কর্মীর কাছে
যদিই দীর্ঘ সূত্রের রেখা মুছতে গিয়ে
অর্ধেকটা রয়ে গেল ওখানেই, যদি তখনই
নতুন এক তত্ত্ব তৈরি হয়,
গণিতের অনেকগুলো সচেতন মাথা বোঝে না - বুঝবে না,
যদিও অনেক শতাব্দী পর সেই একই কথা
উদ্ভাবিত হবে নতুন আপেলে -
ফের সেই আয়তবোর্ডে লিখে সুনাম কুড়াবে আরেক বিদ্যান।
-
ড্রাফট ১.০
আরো যোগ হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

