لسلام عليكم
আপনার /তোমার উপর শান্তি বর্ষিত হোক,
ইসলামে সালামের গরুত্ব অপরিসীম,
বিশ্ব-শান্তি প্রতিষ্ঠায়, মানবতার কল্যাণ সাধনে পরস্পরে একে অপরের কল্যাণ কামনা ব্যতিত সম্ভব নয়, আর সমাজে কিভাবে শান্তি আসবে এর সার্বিক দিক -নির্দেশনা বিশ্বনবী মুহাম্মদ (সাঃ) প্রায় সাড়ে চৌদ্দশত বছর আগে দিয়ে গেছেন,একমাত্র সালাম ই হল সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রথম কাজ,পরস্পরে দেখা হলেই সালাম বিনিময় করা, ছোটরা যেমন বড়দের কে সালাম দিবে তেমনি বড়রাও ছোটদেরকে সালাম দিবে, গরীবেরা যেমনিভাবে ধনীদেরকে সালাম দিবে তেমনিভাবে ধনীরাও গরীবদেরকে সালাম প্রদান করবে, ইসলামে সালাম মানে শুধুমাত্র শ্রদ্ধা করা নয়,সালাম কোন প্রকাশভঙ্গিমার নাম নয়, যেমনটি তোমাদের কারো কারো ধারনা। সালামের শাব্দিক অর্থ তো ধর্ম -বর্ণ নির্বিশেষে সকলের ই জানা যা উপরে উল্লেখ করা হয়েছে,অথচ সালামের রয়েছে বিশেষ তাৎপর্য, রয়েছে ব্যাপক অর্থ যা শুধুমাত্র মুখে দুটি বাক্য উচ্চারণ করলেই শেষ হয়ে যায় না,অর্থাৎ কাউকে সালাম দেওয়ার মানে শুধু এই নয় যে, তার জন্য শুধুমাত্র শান্তি আর কল্যাণ করলাম, বরং এর সাথে সাথে এ আমান ও গ্যারান্টি প্রদান করলাম যে, সে আমার যাবতীয় অনিষ্ট হতে মুক্ত, আমার পক্ষ হতে সার্বিক নিরাপত্তাপ্রাপ্ত, অর্থাৎ আমার দ্বারা তোমার কোন প্রকারের ক্ষতি হবে না, তোমাকে কোন প্রকারের কষ্ট দিব না ইত্যাদি ইত্যাদি, তাই তো মানবতার মুক্তির দূত বিশ্বনবী মুহাম্মদ আহমাদ (সাঃ) এরশাদ করেছেন: তোমরা পরস্পরে বেশী বেশী সালাম বিনিময় কর, আর এছাড়াও হাদীসে সালামের অনেক ফাজায়েল ও গুরুত্ব বর্ণিত রয়েছে,
আল্লাহ্ আমাদের সকলকে বেশী বেশী সালাম বিনিময় করার তৌফিক দান করুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


