somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ন্যানো ব্লগার ইমু
হিমু হবার ইচ্ছে আমার নেই, ইমু হয়েই না হয় থাকলাম।হরহামেসা খরচ হওয়া বড় নোটটগুলি না হয় হতে পারলাম না, হৃদয় নামক মাটির ব্যাংকে না হয় জমা হলাম কিছু খুচরো পয়সা হয়ে।

"শুভ হোক ডায়েরীর প্রতিটি পাতা"

০১ লা জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সম্ভবত মানুষ দুইটি জায়গায় মিথ্যা কোন কিছু ব্যবহার করতে পারে না। আমার মতে সে দুইটি জায়গার প্রথমটি হচ্ছে তার 'মন' এবং দ্বীতিয়টি হচ্ছে সেই ব্যক্তির যদি নিয়মিত ডায়েরী লেখার অভ্যাস থাকে তবে তার সেই 'ডায়েরী'। আর দুইটিই মানুষের অনিভূতির জায়গা। এই দুইটি জায়গাতেই মানুষের অনুভূতিগুলো লিপিবদ্ধ হয়ে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

ডায়েরী লেখার আইডিয়াটা প্রথম এসেছিলো ২০০৭ এর শেষের দিকে। সেহুতু আমার ডায়েরী লেখার সূত্রপাত ২০০৮ সালের ১ লা জানুয়ারি থেকে। সেই হিসেবে আমার ৭ টি ডায়েরী লেখা ইতঃমধ্যে সমাপ্ত করেছি। যার প্রত্যেকটি পাতায় কলমের কালো কালির খোচায় লিপিবদ্ধ হয়েছে কিছু স্মৃতি জড়ানো মূহূর্ত, কিছু আবেগ, অনুভূতি, ভালোলাগা, ভালোবাসা, কষ্ট, হাসি, কান্না ইত্যাদি মানবীয় দিকগুলি। হিসেব করে দেখলে প্রায় (৩৬৪*৭) এতগুলি জীবনকালের হারানো অতীত লিপিবদ্ধ হয়ে আছে। যেখানে মিশে আছে কিছু অনাবিল সুন্দর মূহূর্ত, কিছু দুঃসহ স্বপ্ন আর সম্ভবনার ভবিষ্যতের হাতছানি। যা হোক এগুলির সবটুকুই অতীত। হয়তো এই সময়গুলি আর ফিরে পারো না। কিন্তু একটা সময় এই দিনগুলিকে অনেক বেশি মনে পরবে। তাই হয়তো সেই সময়ে এই অতীতগুলিকে রোমন্থন করার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।

আজ হয়তো আমার ৮ম ডায়েরীটার চকচকে সাদা পাতায় অনুভূতির কালো কালির ছোয়া পরবে। আজকাল নিয়মিত ডায়েরীতে লেখি না, কিংবা লেখা হয় না। প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারে কাগুজে লেখা অনভূতিগুলির মুখ অনেকটাই থুবড়ে পরেছে। সবাই ব্যস্ত প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজের অনুভূতিগুলিকে ব্যক্ত করতে। হয়তো তা করি। তবে সেই অনুভূতির কতটুকু মূল্যায়ন করা হয় তা বুঝতে পারি না। হাতে লেখা চিঠি এবং ই-মেইল কিংবা মোবাইল ট্রেক্সট সবগুলিই অনুভূতি দিয়ে লেখা হয়। কিন্তু অনুভূতির সর্বোত্তম প্রকাশটা কিন্তু কাগুজে চিঠিতেই অধিক গ্রহনযোগ্যতা পায়। তাই হয়তো আমরা আজও প্রিয়জনকে মনের কথাগুলি বলার জন্য ই-মেইলের পরিবর্তে হাতে লেখা চিঠিটাই ব্যবহার করি, নিমন্ত্রণপত্র হিসেবে ফটোশপ কিংবা ইলাস্ট্রেট করা সফট কপির পরিবর্তে আজও কাগুজে নিমন্ত্রণপত্রই প্রেরন করে থাকি। অনুভূতির জায়গা থেকে এগুলো পূর্বেও ছিলো, এখন আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে সেটাই আশা করি। শুভ হোক বছরের প্রতিটা দিন, শুভ হোক ডায়েরীর প্রতিটা পাতা।।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=মনের হিংসা দূর করো রব=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:২৯


তবুও হিংসা এসে যায় কারণে অকারণে;
পারি না সামলাতে মন আমার - ইয়া রব,
নিতে পারি না সহজ করে কিছু
মনের কিনারে ভাঙ্গে হুড়মুড় স্বার্থের কলরব।

স্বচ্ছ মনের মানুষ কী করে হই,
সহজরে করে ফেলি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি প্রবাসীর মৃত্যুদন্ড ও রটানো গুজব

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২২

আপনি যে দেশে যাবেন, সেই দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রাখাটা আপনার দায়িত্ব।
আমেরিকায় আপনি মদ কিনতে পারবেন। কিন্তু আপনার বয়স অবশ্যই ন্যূনতম ২১ হতে হবে। ইউরোপে হয়তো এই বয়সটা ১৮।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরো...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫২

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরোচ.....

বিপ্লবের লক্ষ্য কী- পরিবর্তন, নাকি প্রদর্শন?
বাংলাদেশে জেন-জি স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে; কিন্তু প্রশ্ন- স্বৈরাচার গেছে, স্বৈরাচারী মানসিকতা কি গেছে?
যে তরুণ প্রজন্ম গণতন্ত্র, অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে রাজপথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রম্য: পর্নের সেকাল একাল!

লিখেছেন গেছো দাদা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬

গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করছিলাম। সময় হচ্ছিল না। আজ এই গভীর রাতে মনে হলো, লিখেই ফেলি। কেন মনে হলো, সে আলাপে আর না যাই। টপিক হলো:... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×