পুলিশকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বা গাড়ল বলে সমস্যার জায়গা থেকে চোখ ফিরিয়ে রাখায় চেষ্টা মাত্র। রাষ্ট্র যেখানে প্রতিনিয়ত মৌলিক অধিকার লংঘন করে , দায়িত্বশীলরা নিয়মিতভাবে অনিয়ম আর সৈরাচার, করে সেখানে পহেলাবৈশাখ এর দিনে কিছু যুবকের অনৈতিক কর্মকান্ড তো খুব বেশী কিছু না। খুব বেশী কিছু না বলেই এখন পর্যন্ত দায়িত্বশীলরা কোন বক্তব্য দেননি। মুখে কুলিপ এঁটে বসে থাকলেই কি সব ঠান্ডা হয়ে যায়?
কিছু কিছু প্রত্রিকা বাদে কেউ জোরালো ভাবে বলেই নি যে কারা ছিল ওইদিন বা কি তাদের পরিচয়? পুলিশ কেন তাদের ছেড়ে দিয়েছিল তার কোন উত্তর কেউ দিয়েছে কি? মানবাধিকার থেকে শুরু করে সকল সামাজিক সংগঠন পর্যন্ত এক হতে পারেনি এই ইস্যুতে আর রাজনীতিকদের কথা ............বাদ দিলাম. এক ঘন্টা ধরে পাশবিকতা চলল আর এখন সময় নাকি ছি ছি ক্যামেরা দেখে চিহ্নিত করার.... প্রথম আলু বলছে ৪ জনের নাকি একই রকম চাপদাড়ি ছিল...চমৎকার এদের বিশ্লেষণ ... কে দাড়ি রাখল বা পাঞ্জাবি পরল সেটার থেকে বড় হল তার অপরাধ. কায়দা করে জামাতি সিল মারতে পারলেই তো সব ঝামেলা শেষ? সে জামাতি হোক আর যেই হোক রাষ্ট্রের উচিত তাদেরকে সবার সামনে হাজির করা।
উন্নত জাতি হলে এসব পা চাটা মিডিয়া কবেই গনেশ উল্টে যেত...দুঃখ এখানেই
রাষ্ট্র যখন ব্যার্থতার দিকে ধাবিত হয় তখন এরকম বিষ ফোড়ার বিষ্ফোরন শুরু হয়...আমাদের দেশেও শুরু হয়ে গেছে এখন ব্যবস্থা নিলে কাজ হতে হতে রোগী বেচেঁ থাকবে কিনা সেটা সময় বলে দিবে.....

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


