ঢাকা শহরের বাসগুলো মামলা থেকে বাচে কিভাবে?
কারনটা একদম সহজ,বাস মালিক ওনার্স এসোসিয়েশন আছে বলে ওরা মামলা থেকে বেচে যায়। সার্জেন্ট মামলা দিলে ওরা বাস ধর্মঘটের হুমকি দেয়।
একটু লক্ষ করে দেখুন আমরা কি আসলেই একটা স্বাধীন দেশের নাগরিক? যদি তাই হয় তবে আমরা কেন ওদের কাছে জিম্মি হয়ে থাকব?
একটু খেয়াল করে দেখুন ঢাকা শহরে কয়টা বাসের ফিটনেস ঠিক আছে? কয়টা বাস এর ড্রাইভার অরিজিনাল ড্রাইভিং লাইসেন্সপ্রাপ্ত?
কয়টা বাসের সিট সঠিক আছে? ৩০সিটের সব বাস ৪০-৪৫ সিট।
অনেক বাসের লুকিং গ্লাস পর্যন্ত নাই।
ব্যাক মিরর নাই
রিভার্স লাইট নাই
স্টপ লাইট নাই
গাড়ীর উইন্ডো ভাঙ্গা
সিট এর ডানে বামে লোহা লক্কর বের হয়ে থাকে,মানুষ আহত হয়
গেটলক নামধারী বাসগুলো কখনো গেট লক করে কি?
সিটিং বাস আদৌ সিটিং কি?
যেখানে ইচ্ছা সেখানে মানুশ ওঠানামা করায় ওরা
রাস্তার বামে পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও গাড়ী যখাসম্ভব রাস্তার ডানেই রাখে ওরা।
আরো কত যে অসঙ্গতি তা লিখে শেষ করার মত নয়।
বলুনতো এগুলো দেখা কার দায়িত্ব? সে কি দেখছে? আর যদি না দেখে তাহলে আমাদের কি করার আছে???
পথচারি চলাচলের জন্য ফুটপাত হকারদের দখলে! অনেক জায়গাতেই পথচারিদেরকে বাধ্য হয়ে প্রধান সড়কে চলতে হয় আর বাকি জায়গাতে অভ্যাসের দোষ।
রাস্তায় সিগনাল বাতি আছে কিন্তু মানা হচ্ছে না তাহলে ওগুলা জালিয়ে অযথা বিদ্যুত খরচ করা হচ্ছে কেন।
আইন সবার জন্য সমান তাহলে সরকারী মন্ত্রনালয়ের গাড়ী রাস্তার রং সাইড দিয়ে চললে কোন মামলা হয়না অথচ আপনি যান মামলা খেয়ে যাবেন।
ঢাকা ইউনিভার্সিটির গাড়ী রং সাইড দিয়ে যায়, অনেক সরকারী গাড়ী রং সাইড দিয়ে যায়।
এটা নিয়ে যদি রাস্তায় নামেন তাহলে চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন এর মত আপনাকে অপমানিত হতে হবে। তাহলে এর সমাধান কোথায়???
এসব অসঙ্গতি যদি দূর করা যেত তাহলে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকটাই রোধ করা যেত।
দেশটাকে সুন্দর করে গড়া যেত!
আলোচিত ব্লগ
প্রচন্ড রোদে
প্রচন্ড রোদে
সাইফুল ইসলাম সাঈফ
রূপসী এদিক ওদিক কী খুঁজো
মনের মতো কাঙ্ক্ষিত পুরুষ
এভাবে সোনালি কতোদিন বিনষ্ট করবে
আমায় একটু ভেবে দেখো।
শূন্য হৃদয় নিয়ে কেঁদে মরি
কেউ নেই পাশে, গেছে সবাই ছাড়ি।
দরিদ্র বলে জুড়েনি তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন
জেফরি আর্চারের জগৎ বিখ্যাত উপন্যাস ‘A Prisoner of Birth’ এবং অন্যান্য প্রসঙ্গে....

ছবিতে আমি, মারুফ জামান এবং লেঃ কর্নেল রাজীব।
জেলে থাকতে জেফরি আর্চারের (Jeffrey Archer) লেখা ‘A Prisoner of Birth’ বইটির পড়ার জন্য বলেছিলেন ক্যাপ্টেন (চাকুরিচ্যুত) খন্দকার রাজীব... বইটি সম্পর্কে... ...বাকিটুকু পড়ুন
মার্কো রুবিও ভারতে কী করছেন?

আওয়ামী দোসর নবনীতা আপার মতে, মার্কো রুবিও ভারতে গেছেন শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ব্যবস্থা করতে। ডিসেম্বর মাসে যাতে শেখ হাসিনা ট্রাভেল পাস নিয়ে দেশে ফিরতে পারেন, সেই আলোচনা করতেই নাকি... ...বাকিটুকু পড়ুন
সুন্দর সর্বনাশ

সবকিছুই পাওয়া যায় এখন বিপণনের কল্যাণে,
বিপনি বিতানে বিতানে;
চাইলে কিনে নিতে পারো লালনীলহলুদ মনও!
মন চাইলে পোষ মানাতে পারো বনের অবাধ্য পশুও;
শুধু পোষ মানাতে যেও না মানুষ;... ...বাকিটুকু পড়ুন
দেশভাগের পর-

সময় তখন ১৯৫০ সাল।
ওমর আলীর জ্বর এসেছে। জ্বর নিয়েই তিনি পত্রিকা পড়ছেন। দীর্ঘদিনের অভ্যাস। টারজান গিয়েছে বাজার করতে। এর আগেও টারজান বেশ কয়েকবার বাজার করেছে। বাজার করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।