আমার ছোটকাকা ছিলেন কুটিকালে আমার শয়তানির শিক্ষক। অর্থাত শয়তানির মধ্যেও এক আর্ট আছে-এটা উনি আমাকে আকারে বিকারে বুঝায়েছেন। যেমন মফস্বলে কোনো খেলা হইলেই নাক দিয়া হিঙ্গুল পড়া পোলাপান থিকা শুরু কইরা আকিজ বিড়ি খাওয়া চোখে না দেখা বুইড়া মানুষও খেলা উপভোগ করতে যায়। তা আমার ছোট কাকার কাজ ছিলো যেই সব পুচকি পুচকি নাদান পোলাপান ভুল কইরাও আকাশ পানে উদাস নয়নে তাকাইয়া থাকতো তখনই দিতো লুঙ্গি টান!
তা হঠাত লুঙ্গি টানের কিছু প্রতিক্রিয়া থাকতো: একটা হইল আকাশ দেইখা হাটতে হাটতে খোলা লুঙি পায়ে পেচাইয়া ঠাস, আবার কেউ কেউ পড়ে যাওয়া লুঙ্গি তুলে রাগান্বিত নয়নে এমনভাবে তাকাতো যে ও বড় হয়ে ওর ইজ্জত হত্যার প্রতিশোধ নিবে(খাইয়ালামু) ।
ঘটনাটা হইতাছে জাষ্ট ফিলিস্তিনের মতো: আমেরিকারে কিছু করতে পারেনা, ইসরাইলের সেনাবাহিনীর ভ্রুও ছুইতে পারেনা ,মাগার মর্টার ২-১টা মাইরা বুঝাইয়া দেয়- আমরাও গরুর গোস্ত খাই।(ক্লোজআপহাসি)
নানা দুখের মধ্যে নগরবাসী আর ব্লগ বাসী দিন গুজরান যাইতাছে। বাজারে জিনিসের দাম, ভাবের মধ্যে কমেন্ট করলে বিধিবাম, চারিদিকে খালি অকাম। এককালে দেখতাম বিটিভি দেইখা মানুষ গালাগালী পারত, এখন মানুষ ঘুম থিকা উইঠা দিনটারে কলের টেপ খুইলাই গালাগালী করে। ফিলিস্তিনির মতো দশা: আমারাও গরু থুক্কু বুইড়া ষাড়ের গোস্ত খাই।
আমার এক মামতো ম্যাট্রিক পরীক্ষার রেজাল্ট নিয়া বাসায় আসতে দেরী করতাছে। তা এই পরিস্হিতিতে বাসার সবাই তিন ভাগে বিভক্ত: এক ভাগ বেতের সাপ্লাইদাতা, আরেকভাগ মিষ্টির সাপ্লাই দাতা, এবং অবশিষ্টাংশ হলো পরিস্হিতি মতো অংশ নেয়া। মামাতো অনেক দেরি কইরা আসলো, মন খারাপ, কি হইছে, আশানুরুপ রেজাল্ট হয় নাই। এই কথা শুইনা যখন যে যার কাজের জন্য উদ্যেগ নেয়া শুরুর জন্য মনস্হির করলো তখনই বিপত্তি ঘটলো রেজাল্ট শুইনা: কত- ৪.৭৫। সবাই বুঝ পাইলো না কি করবো!
যাই হোক এই পাট লওয়া ভোম্বলটাকে একদিন জিগাইলাম দুধে নুন দিলে ফাটে কেন? ওর কপালে দেখি এরশাদ ভাই (চাচা বললাম না, এখনও তো উনার যৌবন কাল) এর মতো কপালে ৩২টা ভাজ পড়লো। একটা খাতা কলম লইলো লবন, ক্ষার আর কি কি জানি জিনিসের সংকেত লেইখা খাতার মধ্যে বিক্রিয়া কইরা ধুয়া ছুটায় ফালাইলো। যখন আকাশ পাতাল উল্টাইয়া ফেলিলো ঘন্টাখানিকের মধ্যে, তখন বিশাল একখান থিওরি মারিলো দুধ ফাটার পিছনে। আমি তহন বলিলাম, " মাখন, দুধে নুন মারলে দুধ ফাটে কিনা এইটা আগে দেখ?" ও বেকুবিয়ানদের মতো বলিলো," তাইতো!"
যাই হোক মামতো আমার প্রতারনা শিকার।
যাই হোক প্রতারনা শুধু দুনিয়াতেই হয় তা ঠিক না, পরপারেও হয়। যেমন আমার মতো এক বান্দর ইহধাম ত্যাগ করলো। মারা যাওয়ার পর আল্লাহর কাছে হিসাব দিতে উপস্হিত হইলো। কিন্তু সমস্যা হইল বান্দার হিসাব নিয়া। বান্দার ভাল মন্দ সব সমান। তাই ও পারতাছে না জান্নাটে আর না পারতেছে জাহান্নামে এন্ট্রি মারতে। এখন ওর সামনে একটা অপশন রাখা হলো ঘুইরা আসার। (আহ কি শান্তি!)। বান্দরটা প্রথমে গেলো জান্নাতে। জান্নাতে গিয়া দেখে কিছু হুজুর খেজুর টাইপের মানুষ ভাব গাম্ভির্য পূর্ন পরিবেশে সান বাথ করতাছে। ইয়া লাম্বা লাম্বা দাড়ি!
যাই হোক এর পরে গেলো জাহান্নামে, গিয়া দেখে কি তমসা: মৌসুমী, পলি, মুনমুন, বিপাশা, ঐশ্বরিয়া! কন দেহি বান্দরটা কোন জায়গায় গেলো? পুরা মাথাডাই বিলা!
এইটা হইলো সেরা তমসা!
দুঃখের কাব্য শুনেন একটা:
no sunshine, no more mourn
my summer has been lost in you
the world has become a freakin' zoo.
my sense become faintless
a fallen king beg for the mercy
ruthless cruelty just wants more to see.
but still remains some optimism
here comes a boy of new hope, new day
darkness will embrace the happiness to stay.
একসময় রাস্তা ঘাটে ঘুড়লে ভিক্ষুক আসতো তখন চারআনা আটআনা দিলেই কাম হতো, কিন্তু এখন নোটের জামানা। আর যদি লগে দুই একটা ফরেনার থাকে তাইলে তো ডলার পাউন্ড ছাড়া কথাই নাই। কি জামানা: অকটেনের দাম বাড়লে ভিক্ষার রেটও বাইড়া যাও। আইজ ও বুঝতে পারলাম না কি অকারণ সম্পর্ক?
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



