: তুমি মদ খাও না কেন?
: গন্ধ কয়?
: কি যাতা কইতাছো, আঙ্গুরের রস গন্ধ বলো কেন?
: আমার নাকে মনে হয় সমস্যা আছে, আসলে সমস্যা শুরু হইছে মাথা থিকা। পাগলের ডাক্তার দেখাইছি ৬ জন, তার মধ্যে তিনজন কইছে ইন্জ্ঞেকশন, ৩ জন কইছে ইলেক্ট্রিক শক আর দুই জন কইছে পাগলা গারদ!
: কিন্তু হিসাবে তো হলো ৮ জন, ৬জনের সাথে হিসাব মেলে কেমনে?
: তারা যুগপৎ ভাবে এই ট্রিটম্যান্ট দিছে!
: তা তুমি কি করলে?
: আমি গেলাম তুমাগো দেশের হাইম্যান সাহেবের উদ্ভাবতি আমাগো দেশের গুলিস্তানের এক হোমোপথীর ডাক্তারের কাছে, সে কইলো আমার নাকে নাকি সমস্যা। সে এক বোতল ড্রপ দিলো, এই ধরো তুমার হাতের এবসলুট ভোদকার সমান বোতল!
: বলো কি? প্রতিদিন কয় চামচ করে খেতে বলেছিলো? কয়দিনের কোর্স!
: আরে ধুরু মিয়া, ঐটা নাকে দেওনের ড্রপার আজীবন নিতে কইছিলো। প্রথম দুইদিন নিয়া দেখি বাড়িতে সমানে ঘুমাই। তিনদিনের দিন বাজারে গিয়া বাজার করতে গিয়া শুনি আমার নাক দিয়া নাকি হিস্যুর গন্ধ কয়! তাই রাগে দুঃখে অপমানে চিকিৎসা বাদ। এই জন্যই মদ খাই না!
মাতাল জার্মান ছেমরীর মাথা আউলাইছে বুঝলাম কারন পয়লাতেই একখান শক খাইছে এই পার্টতে যার লগে নাচতাছিলো সে আইজকা রাইতের লিগা অফার করছে, তার ১০ মিনিট পর ওর বয় ফ্রেন্ড নাকি ফুনাইয়া কইছে ও নাকি বাসে কইরা আসতাছে। তারপর ৬ জন ডাক্তারের আটমত থিকা শুরু কইরা হোমিপ্যাথি শুইনা আরও টাল!
: তোমার কথা কিছুই বুঝতে পারছি না, চলো নাচি!
: আমার নাচনেও সমস্যা, হাতে আঙ্গুলে ব্যাথা।
: তুমি নাচবা পা দিয়া, হাতের আঙ্গুল দিয়া কি করবা?
: আর কইয়ো না, ক্লাশ সেভেনে থাকতে একবার কাবাডী খেলতে গেছিলাম ১০ জন মিল্লা। ঐ খানে গিয়া বাশতলার আরও ৬ জন। কি আর করা ওগো কইলাম আহো আমরা ২২ জনে মিল্লা কাবাডী খেলি।
: এই তোমরা ১০ জন আর ওরা ৬ জন মিলে হয় ১৬ জন, বাকি ৫ জন কোথা থেকে আসলো?
: আশপাশ থেকে। বাংলাদেশ ঘন বসতীপূর্ন দেশ, কিন্তু খুব ভালা দেশ!
: আচ্ছা শোন, আমার মাথাটা ঘুরছে, আমি একটা কুকী খাবো!
: কুকী তো সব খাইয়া ফেলাইছে সবাই!
: মিথ্যা কথা বলো কেনো, তুমার হাতের ঐ পলিথিনে ওটা কিসের বাক্স?
: ঐটা হইলো ভোদকার বাক্স!
: তুমি মদ খাও না বাক্স নিয়া কি করো?
: আমার লিগা নেই নাই, আমার রুম মেট অসুস্হ, ওর পেট খারাপ ৬ দিন ধইরা, দিনে ৩ বার টয়লেট করে গুইনা গুইনা। ভোদকা খাইলে সব টাইট হইয়া যাইবো, এইটা তুমাগো হোমাপ্যাথির হাইনম্যান কইছে!
: দেখো, তুমি অনেক মিথ্যা কথা বলছো, আমার বোতল দাও!
আমি কোনো মতে ডাইনে বাইনে তাকাইয়া দিলাম দৌড়, দেখলাম ও দৌড়াইতাছে। কিছুক্ষন পর দেখলাম ওর হাত আমার পিছে...আমি হইলাম ৫ফুটি আটু তাও বয়স ৯২ আর ও হইলো ২৩ বছরের ৬ ফুটা তিন। আমার দৌড়ানিটাই বোকামী। আমার ঘেটি ধইরা থামাইয়া বুকে চাপাইয়া ধইরা আলগায় ফেলাইলো। বুঝলাম না এই চিকনির এতো জোর কেমনে আইলো! তারপর প্রথম ডাইনে বায়ে তারপর উপর নীচ ঝাকি দিলো..আমার পকেট থিকা সব পইড়া গেলো, গায়ের শার্ট আর সোয়েটার আছিলো সেইটাও খুইলা গেলো। এই শীতের মধ্যে আমার দফারফা সারা!
পরে কুনো মতে শার্ট নিয়া বাসায় আইলাম আর ওরে দেখি হাসতে হাসতে শেষ। বাসায় গিয়াই দেখি ফুন। দেখলাম ফোন করছে অয়," আজকা রাতে কি করতাছো?"
: কাবাডী খেলুম সবাই!
: আমাকে শিখাবে, আমার রুম নম্বর........
ফুন খান দূরে ফেলায় দিয়া ঘুমাইলাম, কিছুক্ষন পর আমার বেইজ্জতীর খবর রাস্ট্রই হইলো!
হ্যাপী হ্যালোউইন!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



