পরিকল্পনাটা খুবই সাধারন, একটা পূর্নাঙ জাতিয় তথ্য ভান্ডার তৈরী করা। এই তথ্য ভান্ডারে সকল বাংলাদেশি নাগরিকের যাবতীয় তথ্য থাকবে।
যেমনঃ ১)তার পরিচয় (ছবি, আগুলের ছাপ ইত্যাদি)
২) ঠিকানা (বর্তমান এবং স্থায়ী)
৩) শিখাগত এবং পেশাগত তথ্য
৪) চিকিতসা তথ্য
৫) ভ্রমন তথ্য
ইত্যদি বিভিন্ন শ্রেনীতে ভাগ করা থাকবে। এই তথ্যগুলো বিভিন্ন সরকারি/ বেসরকারি প্রতিষ্টান তাদের কর্মস্থল থাকে যাচাই করতে পারবে।
(প্রত্যেক প্রতিষ্টান শুধু তাদের জন্ন্য বারদ্দ ক্রিত তথ্যগুলো দেখতে পারবে)
(PIN/PASSWORD দিয়া ACCESS LEVEL CONTROL করা হবে)
পরিচয় পত্ত্রটা ৈত্ররী হবে জন্মের সময় হাসপাতাল / সাস্থকেন্দ থেকে ।আর নাগরিকের জীবনের সাথে সাথে তা UPDATE হতে থাকবে। নাগরিকের সাথে শুধু একটা CARD (WITH NUMBER AND BARCODE ONLY) থাকবে। তাহলে আর জন্ম নিবন্ধন পত্র দরকার হছে না। ভোটার ID-ও দরকার হছেনা।
তথ্য UPDATE করার জন্য কিছু সরকারি অফিস থাকবে। তথ্য যেমন ঠিকানা, ছবি বছর বছর UPDATE করতে হবে। ঠিকানা পরির্বতন হলে ঠিকানা UPDATE করতে হবে।শিখাগত তথ্য স্কুল, কলেজ থেকে UPDATE হবে। চিকিতসা তথ্য হাসপাতাল / সাস্থকেন্দ থেকে, ভ্রমন তথ্য CUSTOMS/IMIGRATION থেকে, ফিনান্সিয়াল তথ্য ব্যঙ্ক, অফিসের পেমেন্ট সিস্টেম থেকে, বিল পেমেন্ট থেকে UPDATE হতে থাকবে।এভাবে নাগরিকের যাবতিয় তথ্য UPDATE হবে।
(চাই কি FACEBOOK থেকে STATUS UPDATE এর অপসনও রাখা যেতে পারে।
আর একটা জিনিস তথ্যের সাথে UPDATE হবে তা হল যে বেক্তি তথ্য UPDATE করছে তার সম্প্ররকিত তথ্য। এভাবে কেঊ যদি ভুল তথ্য UPDATE করে তাহলে তার বিচার করা যাবে।
এভাবে একটা জায়গায় তথ্য UPDATE থাকলে অনেক সুবিধা হবে। যেমনঃ
ভোটার তালিকা আপডেট কবা লাগবে না। এটা অটো আপডেট হবে। আপনি শুধু যাবেন আর ভোট দিয়ে আসবেন। ভোট চুরি এম্নিতেই বন্ধ হয়ে যাবে ।
আটো আদ্মশুমারি হবে। তথ্য নিয়ে বিভ্রন্তি থাকবে না। ট্যাক্স কার কাত আসছে তা অটো বের হবে ফলে কেউ ট্যাক্স ফাকি দিতে পারবে না।আলাদা ভাবে কোন কাজে আর পুলিস ভেরিফিকেস্ন লাগবেনা।আপনি কোন কারনে হাসপাতাল ভ্ররতি হলে আপ্-নার পরিচিত জনের কাছে সেন্ট্রাল তথ্য কেন্দ্র থেকে SMS চলে যাবে।
এরকম আরো অনেক উপকার পাওয়া যাবে।
কি বলেন আপনারা ?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





