somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ক্রিকেটীয় মশকরা। কঠোরভাবে ১৮+।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাগো উডানেই বিশ্বকাপ হইতাসে। আমার ১৮+ জুক্সগুলান কেমনে বিশ্বকাপ জ্বর থেইক্যা বাঁচে? তাই দুইডা বিশ্বকাপ স্পিশাল ১৮+ দিলাম। তয় ছুডু পুলারা-মাইয়ারা ডুকবানা কইলাম। এই পোস্টে কুনু ছুডু পুলা পাওয়া গেলে তারে শাস্তি হিসাবে অনবরত আছড়াফুলের গান ( স্যাম্পলের লাইগ্যা গুতা মারেন )শুনানো হইবো।




১। আছড়াফুল বিয়া করসে এবং তার চাইরডা পুলা-মাইয়া হইসে। তার বউ কিন্তু তারে লইয়া বড়ই পেরেশান। প্রতি খেলায় ১ রান লইয়া আউট হইয়া যায়। একবার এক খেলায় পরত্তম বলে আউট হইয়া গেসিলো। কিন্তু আম্পায়ারের আউট না দেয়ার লাইফ পাইয়াও এক রান লইয়া ক্লিয়ার বোল্ড হইয়া যায়। পাড়া প্রতিবেশীর খোঁটা শুইন্যা আছড়াফুলের বউয়ের মিজাজ বিলা। আছড়াফুল ঘরে আসনের লগে লগে শুরু কইরা দিসে বাউন্সার: তুমি এই এক মারা ছাড়া আর কিসু পারো না?
আছড়াফুল কয়: শুধুই যদি ১ মারতাম তাইলে চাইরডা পুলা-মাইয়া কেমনে হইলো?
আছড়াফুলের বউ: তুমার ওই আম্পায়ারের মতো লোটা কামাল যদি আমারে না হেলপাইতো তাইলে ডাক (০) লইয়া থাকতে হইতো।

২। এক ট্রাইনেশান প্রোগ্রামে ঈভা রহমানের গান চলতাসিলো। বেশী বোরিং লাগায় জয়সুরিয়া, শেওবাগ আর আছড়াফুলের বউ গল্প শুরু করসে। শেওবাগের বউয়ের আবার জামাইর মতো মুখ পাতলা। সে জয়সুরিয়ার বউরে কইলো: আপনের হাসব্যান্ড তো বুইড়া হইয়া গেসে, তার গায়ে কি কুনু শক্তি আছে?

জয়সুরিয়ার বউয়ের প্রেসটিজে লাগসে তার হাসব্যান্ডরে বুইড়া কইসে। সে উত্তর দিলো: ওহে মুখরা রমণী, ভুইল্যা যাইয়োনা, সে কিন্তু অলরাউরান্ডার ব্যাটে (!) না পারলে ঠিকই বলে(!) পুষাইয়া দেয়।

শেওবাগের বউ কয়: আমার হাসব্যান্ড কিন্তু হার্ডহিটার। তার স্ট্রোকগুলান (!)..... আহ হা হা হা বলার মতো না।

আছড়াফুলের বউ চিন্তা করতাসে, এইরে খাইসে। আমার জামাইতো এর কোনোটাই না, আমি কি কই? বড়ই শরমের কতা। সে এট্টু চিন্তা কইরা গলা খাকরি দিয়া কইলো: আমার হাসব্যান্ডও কিন্তু কম না। সেই কুটিকালে সেন্চুরী মারসে। এখন বুঝেন, তার বিচি কখন পাঁকসে।

বি:দ্র: (!) - নিজগুনে এই সংকেতের মানে বুইজ্যা লইয়েন।

আরো কিসু ক্রিকেটীয় মশকরা চাইলে নিচের লিংকে গুতা মারেন।

খেলা লইয়া প্যাচাঁল বাদ দিয়া আহেন এহন ক্রিকেট লইয়া একটু মশকারি করি। অপ্রাপ্তবয়স্ক প্রবেশ নিষেধ।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৪:০৪
১৩টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×