
বাংলাদেশের পক্ষে ওয়ানডে তে সর্বপ্রথম ২০০ উইকেটের মালিক! বর্তমানে ২০৭ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে উইকেটের মালিক ও তিনি। সাকিব আল হাসান ২০৬ উইকেট নিয়া তার ঘাড়ে শ্বাস ফেলতেসে! ওয়ানডে তে এক ইনিংস এ সবচেয়ে বেশিবার ৫ উইকেটের মালিক ও তিনি, বাংলাদেশের পক্ষে!

তাকে দিয়েই বাংলাদেশের স্পিন বোলার দিয়ে বোলিং শুরু করার সাহসি-যুগ শুরু হয়! তার যে কোন সময় বোলিং এ এসে খেলা ঘুড়িয়ে দেয়ার সামর্থ্য ছিল। বেশ কয়েকবার সে সামর্থ্যের প্রমান ও রেখেছেন। কিন্তু কথা হচ্ছে কেউ তার অতীতের অবদান মনে রাখে নাই
অবশ্য কারন ও আছে!
২০১৩ সালের মার্চে শেষ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন! এরপর ২০১৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত ১২টি ওয়ানডে খেলে মাত্র ৭টি উইকেট পেয়েছিলেন! এদিকে ঘড়োয়া ক্রিকেটের ত্রাস আরাফাত সানি ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজের জায়গা টা থিতু করে নেন! এরপর থেকেই আব্দুর রাজ্জাক অনেকটা আড়ালে!

টেস্টে তিনি কখনই আহামরি ধাচের বোলার ছিলেন না! তাই টেস্ট ক্যারিয়ার টা আড়ালেই থেকে যাক
টেস্টে আমাদের মূল জেনুইন স্পিনার তাইজুল ইসলামের জায়গায় আব্দুর রাজ্জাক কে আশা করেছিলাম বিশ্বকাপে। কিন্তু তাকে দলে না দেখে বেশ বিস্মিত হয়েছিলাম! কারণ, ২০১৪ সালের আগস্টের পর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ফিরতে না পারলেও ঘড়োয়া ক্রিকেটে বেশ ভালই করছিলেন আব্দুর রাজ্জাক, অন্ততঃ পত্রিকার পাতা তাই বলে
তাই তাকে একটা সুযোগ বিশ্বকাপে দেয়া হোউক এই আশায় ছিলাম!

গত বছর বাংলাদেশ ৪টা হোম ওয়ানডে সিরিজ খেললো! একটা না একটায় তো অন্ততঃ আব্দুর রাজ্জাক কে সুযোগ দেয়া যেত! জিম্বাবুয়ে কে দেখলে আব্দুর রাজ্জাক এর বোলিং এর ধার যেন চারগুন বেড়ে যেত, অন্ততঃ সেই জিম্বাবুয়ের সাথেই একটা সুযোগ দিয়ে দেখতো নির্বাচকেরা! কেন দেন নাই জানিনা, তার নিশ্চয়ই আমাদের চেয়ে কম বুঝেন না!
কিন্তু কথা হচ্ছে, মাত্র ৩৩ বছর বয়স আব্দুর রাজ্জাক এর! উনি উপমহাদেশের মধ্যে জন্মানো বাহাতি স্পিনারদের মধ্যে উপরের দিকে থাকবেন! অনেক ক্রিকেটার ৪০ বছর পার করে গেছেন খেলতে খেলতে! অনিল কুম্বলে, সনাত জয়াসুরিয়া, শেন ওয়ার্ন বুইড়া হইয়া গেসে খেলতে খেলতে, পরে অবসর নিসে! রঙ্গনা হেরাথ, আবদূর রেহমান এর বয়স তো আব্দুর রাজ্জাক ভাই এর চেয়ে বেশি, তারা খেলতেসে! তাই আমার একটাই দাবি, উনাকে এখনই বাতিলের খাতায় না ফেলে দেয়া হোঊক। অন্ততঃ একটা বার একটা ওয়ানডে সিরিজে দলে ডেকে তাকে সুযোগ দেয়া হোঊক।

না, আমি বলতেসি না রাজ ভাই রে টি-২০ বিশ্বকাপ বা এশিয়া কাপে খেলাক! উনি টি-২০ প্ল্যায়ার না। উনি জেনুইন ওয়ানডে প্ল্যায়ার, তাকে ওয়ানডে তেই সুযোগ দেয়া হোউক। অন্ততঃ একবার, শেষবার হইলে না হয় তাই, কিন্তু দেয়া হোউক সুযোগ!!
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




