somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সামুর মডারেটরদের প্রতি বুক ভরা ভালবাসা। :> :>

২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সামহোয়ারইনে ব্লগাইয়া আমার মাথা নষ্ট হইছে বা নেটে বসলে সামহোয়ারইনে একবার না ঢুইকা কমেন্ট টমেন্ট না কইরা গেলে পেটের ভাত হজম হবে না বিষয়টা এরকম না। তারপরও যেটা সত্য সেটা হইলো আমার মত পাবলিকের অভাব পাওয়া যাইবো না যে পরীক্ষা দিতে বার হইবার আগেও একবার কেউ নতুন কমেন্ট দিল কিনা বা ফেভারিট ব্লগারদের পোস্ট চেক কইরা যায়। ব্যাপারটা এমনও না যে সামহোয়ারইন এতই ঝাকানাকা যে এখানেই ব্লগাইতে হবে। ব্লগায়া আমি দুই পয়সাও পাইনাই এইটা ঠিক, কারণ রেসিডেন্ট হইবার যোগ্যটা নাই। তবে যেটা পাইছি, সেটা হইলো অনেকগুলা বন্ধু, বড়ভাই, আপুদের নেটওয়ার্ক, যেটা আমার কাছে আর দশটা সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইটের চেয়ে একটু অন্যরকম মনে হইতো। ফেসবুকে আমি লগইন করার আগে সামুতে ঢুকতাম এই নেটওয়ার্কটার জন্যই, এর চেয়ে বেশি কিছু না। গত কয়েক মাসে (বছরখানেক হইতে চললো প্রায়) যে বিশাল সময় এখানে কাটাইছি, তার কারণ একটাই - এই নেটওয়ার্ক টা।

সময় নষ্ট হইছে ঠিক, তবে ভালো লাগতো এইটা ঠিক। এডিকশনের মতই। গাঞ্জার মত রিফ্রেশিং ড্রাগের ইফেক্ট হয়তো না, তবে ঘন্টার পর ঘন্টা অপচয়ের খেশারতও দিতে হইতো কোন না কোন ভাবে ঠিকই। হয়তো সেইটা পরীক্ষায় এফেক্ট ফেলতো, অথবা টাইম টেবিল ওল্টাপাল্টা করতো, নাহইলে যেই সময়টা আমি অন্য কোন ডেভেলপমেন্টের কাজে দিবার পারতাম সেই সময়টাও খাইতো। এতকিছুর পরও এন্টারটেইনমেন্টের খাতির বইলা কথা। শখের পোয়া

যাইহোক, ব্লগপতি আর ব্লগমাতার সৌজন্যে গত কয়েক সপ্তাহ আমার খারাপ কাটে নাই। ভাইবেন না স্যাটায়ার করতাছি, কথাটা আসলেই সত্য-

- জিনারেল থাকার কারণে কোন পোস্ট দেই নাই। পোস্টানোর লাইগা অলিখিতভাবে বরাদ্দকরা টাইমটা বাইচা যাওয়ায় অন্যান্য আকামগুলা যেইগুলা অনেকদিন স্টপ আছিলো, সেইগুলায় আবার আত্মনিয়োগ করতে পারছি।

- পোস্ট না দেওয়ার খাতিরে অন্যদের কমেন্টও নাই। কমেন্টের রিপ্লাই চেক করার লাইগা সামুতে ঢুকবার হয়নাই। আরো টাইম বাড়লো। আপুদের সাথে ফেসবুকে চ্যাট কইরা সামাজিক সম্পর্ক বজায়া রাখছি।

- বড়ভাইরা যা ছিলো সবাই গণহারে বান/ঝিনারেল। বিডি আইডল, শূন্য আরণ্যক, মুক্ত বয়ান এরকম আরো অনেক ভাইদের ব্লগ রেগুলার চেক করতাম- তারা সামুকে আলবিদা জানানোয় সেই টাইমটাও সেইভ হইলো। এই সময়ে জানালা দিয়া অসীমে দৃষ্টি নিক্ষেপণ কর্তৃক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের চর্চা চলিতেছে।

- 'আজাইরা' ব্লগানোর খেসারত স্বরূপ বসের ঝাড়ি খাইতাম। সেই সময়টায় আমি এখন আংরেজিতে টেকি ব্লগ লিখিয়া ক্যারিয়ার উজ্জ্বল করিতেছি।

- পড়ালেখার জন্য সময় বরাদ্দ করা গেছে। আগে যেখানে পরীক্ষায় এককের ঘরে নম্বর পাইতাম সাম্প্রতিকালে নম্বরের স্বাস্থ্যের উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে দশকের ঘরে যেতে বেশিদিন লাগবে না।

- আন্তজালের পেছনে সময় কম যাওয়ায় রোমান্টিজম বাড়ছে। ডিপার্টমেন্টের বাৎসরিক সুভ্যেনিরে আমার কবিতা প্রকাশিত হতে যাচ্ছে।

- অনেক নতুন বন্ধু পেয়েছি, যারা আমাকে জীবনের পথে পাথেয় হিসেবে পাঞ্জেরি'র ভূমিকা রাখছেন। পেয়েছি ফিফার মত একনিষ্ট কর্মীর দেখা। সত্যের মুখে, ন্যায়ের প্রশ্নে নির্ভীক এবং আপোষহীন। তার ব্লগ চিরকালই আমাকে প্রণোদনা দান করবে।

এতকিছু ঘবেষণার পর দেখলাম শুধু ব্লগবন্ধুই আমার ভালো চায়। আপনাদের সবাইরে মাইনাস। ব্লগবান্ধিবার প্রতি বুক ভরা ভালবাসা। বাকিদের জন্য বাসি চানাচুর থাকলো। :)

বি:দ্র: অত্যাচারের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া আমার কীবোর্ডটা মডারেটরদের ধন্যবাদ জানাতে বলেছে।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৪
৩৪টি মন্তব্য ৩৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশে নিয়ানডার্থাল জিন: করোনার প্রাদুর্ভাব

লিখেছেন কলাবাগান১, ০৫ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:১১


ঘন্টা খানিক আগে একটা সাইন্টিফিক পেপার প্রকাশ হয়েছে.....পড়ে মাথা বন বন করে ঘুরছে....এত দেশ থাকতে কেন শুধু বাংলাদেশে????? এশিয়াতে তো করোনার প্রাদুর্ভাব কম এবং সেটা ব্যাখা করে ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নারী পুরুষ সম্পর্ক

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৫ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৫৭




একজন পুরুষের জীবনে অনেক নারী আসে।
কমপক্ষে পাঁচ জন নারী। এরকম নারী জীবনের যে কোনো সময় আসতে পারে। বিয়ের আগে বা পরে। কিন্তু তারা জীবনে আসে। জীবন থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাটির চুলা

লিখেছেন সোহানাজোহা, ০৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:৩১


ছবি কথা বলে: আজ হাটবার আপনে দেড়ি না করে বাজারে যান গা, নাতি নাতনি ছেলে বউ শহরের বাসায় নদীর মাছ খায় কিনা আল্লাহ মাবুদ জানে! (মাটিরে চুলাতে দাদীজান পিঠা ভাজছেন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

উত্তর মেরুতে নিশি রাতে সূর্য দর্শন - পর্ব ৪

লিখেছেন জোবাইর, ০৫ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০১

বিভিন্ন ঋতুতে ল্যাপল্যান্ড: শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম ও শরৎ

রেন্ট-এ-কার' কোম্পানীর সেই মেয়েটি কুশলাদি জিজ্ঞাসা করে আগে থেকেই পূরন করা একটা ফরমে আমার দস্তখত নিয়ে কিরুনা স্টেশনের পাশের পার্কিং এরিয়াতে নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নন্দের নন্দদুলাল : স্বপ্ন রথে

লিখেছেন বিদ্রোহী ভৃগু, ০৫ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৬

স্বপ্নের অশ্বারোহী
দূরন্ত ইচ্ছেতে ঘুরে বেড়াই, নন্দ কাননে
তাম্রলিপি থেকে অহিছত্র
পুন্ড্রবর্ধন থেকে উজ্জয়িনী, স্বপ্ন সময়ের নন্দদুলাল।

আমাদের শেকড়
বাংলার আদি সাম্রাজ্যে যেন
পতপত ওড়ে পতাকা সবুজ-লাল,
মিলেনিয়াম নন্দ ডাইনাস্টির স্বপ্ন সারথীর স্বপ্নরথে

মানচিত্র: নন্দ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×