somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আসলেই কি সরকার এবার পারবে?

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২৩ ভোর ৬:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




সরকারী দলের কোন প্রার্থী হারতে চাইবে না। অত:পর যারা হারবে তাদের সবাই যদি বলে নির্বাচন সুষ্ঠ হয় নাই। যারা নির্বাচনে আসে নাই তারা তো বলবেই নির্বাচন সুষ্ঠ হয় নাই। বিশ্ব যদি বলে নির্বাচন সুষ্ঠ হয় নাই। তারপর যদি বিবিধ নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়। তাতে জনগণ কষ্ট পেয়ে যদি বাইরে বেরিয়ে আসে। তথাপি কি সরকার ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে?

ও কাড়লে আমি ছাড়ব কেন? এভাবে কাড়া-কাড়ির মহোৎসব হলে কিভাবে বলা যাবে নির্বাচন সুষ্ঠ হয়েছে? নির্বাচন সুষ্ঠ না হলে বিদেশীরা যা করবে বলছে তা’ করলে জনগণ আনন্দে থাকবে কি? নিরানন্দে তারা ঘরে ঘুমিয়ে থাকবে নাকি বাইরে বের হবে? তো জনতার তাড়া খেয়ে দেশ ছাড়া হওয়ার থেকে যাতে জনতার তাড়া খেতে না হয় সে ব্যবস্থা করা উচিৎ নয় কি?

দেশে সব কিছুর উন্নয়ন হলেও নির্বাচন ব্যবস্থার উন্নয়ন হয়েছে বলে মনে হয় না। হিরো কান্ড থেকে শেষতক সেটাই বুঝাগেছে। চলেই যদি যাব তবে বসে আছ কেন? এ গানের জবাব কি হতে পারে? আমাদের কর্তাব্যক্তিরা কি ইজ্জতের সাথে যাওয়ার চিন্তা করতে পারে না? এবারের আব-হাওয়া ঠিক আগের মত নয় বলেই মনে হচ্ছে। নিম্ন চাপের খবর গোপন করা হলেও মনে হচ্ছে ওটা সৃষ্টি হয়েছে। অত:পর তীব্র ঝড়ে হয়ত সব উলোট-পালট করে দিবে। নিম্নচাপ না বুঝার বদনাম সাথে নিয়ে বিদায় যাত্রা হলে সহজে ফিরে আসা যাবে কি?

দশ দিন চোরের এক দিন গৃহস্তের এমন হয়। গৃহস্তের সে দিন যদি এবার হয়ে যায় তাহলে চোরের কি উপায় হবে? দশ দিনের দশ কিল খেলে হয় মুশকিল। ত্রিশ তারিখ চলে গেলো তারা নির্বাচনে এলো না। এখন প্রত্যাহার দেখার অপেক্ষা। দেথা যাক কি হয়? একদলকে একা রেখে অন্যরা যদি বলে এই আমরা চললুম, তারপর কি হবে? এবারের অবস্থা এখনো অবোধ্য মনে হচ্ছে।

বিচার পতি এর বিচার করে, ওর বিচার করে। তারপর সবাই মিলে বিচার পতির বিচার করলে তথন বিচারপতি কি করবে? সব কিছুর একটা সীমা থাকে। সেই সীমা একবার লংঘন হয়, দুবার লংঘন হয়ে বার বার লংঘন হতে থাকলে বিপত্তি হতেই পারে। কেড়ে নেওয়া ছাতা দিয়ে কত আর রোদ্র থেকে বাঁচা যায়? প্রতিরোধের বাঁধ কেটেগেলে যে স্রোত বইবে সে স্রোত ঠেঁকিয়ে রাখা যাবে কি? এখন অনেক অনেক প্রশ্ন। উত্তরের অপেক্ষায় সবাই অপেক্ষায় আছে। অপেক্ষা শেষ হলে বুঝা যাবে সরকার পাস, নাকি ফেল? তবে এবার পরিস্থিতি আগের মত মনে হচ্ছে না।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২৩ ভোর ৬:৫৯
১৫টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ খোকার অভিমান

লিখেছেন ইসিয়াক, ২০ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৬


খোকা খাবে মুড়ি মুড়কি, মা দিলো খই
এই নিয়ে অশান্তি, ব্যাপক হই চই।

বাবা যাচ্ছে হাটে, খোকা পিছু ছোটে
বকা খেয়ে ঘরে ফিরে কাঁদছে মাথা খুঁটে। 

কত কাজই... ...বাকিটুকু পড়ুন

অপারেশন ইকারুস: বালির নীল গোলকধাঁধা

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:১২



কুয়ালালামপুর অপারেশনের ঠিক সাতদিন পর। ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের ‘নগুরা রাই’ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যখন একটি প্রাইভেট চার্টার্ড বিমান ল্যান্ড করল, তখন বালির আকাশ জুড়ে গোধূলির রক্তিম আলো।

বিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

যদি কামের কাম না হয়, সংখ্যা দেখলে বিগাড় ওঠে

লিখেছেন অপলক , ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:২২



বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল বর্তমানে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট। এতেই রুগিরা সেবা পায়না, অপরিচ্ছন্ন, লোকবল নেই, যন্ত্রাংশ নষ্ট, ওষূধ নেই, ১৫০০ শষ্যাবিশিষ্ট করে লাভ কি? সেবা নিশ্চিত হবে না...

এখন ডাক্তাররা... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুমি কার জন্য বাঁচো? কীভাবে এ-আই দিয়ে কভার সং তৈরি করি?

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৩৩

প্রথমত, এ-আই দিয়ে গান তৈরি করা অনেক সহজ। আপনি নিজে কোনো লিরিক না লিখে, কোনো সুর তৈরি না করেও এ-আই-তে প্রম্পট দিয়েই গান তৈরি করে ফেলতে পারেন। তবে সেটা আপনার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পলাশবাড়ীর মূর্তি বিতর্ক, ধর্মীয় স্থাপনার আড়ালে কি অন্য কোনো নীলনকশা?

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:১৪

সাম্প্রতিক ভূরাজনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার সমীকরণে হাইব্রিড ওয়ারফেয়ারবা অপ্রতিসম যুদ্ধকৌশল এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যার প্রধান লক্ষ্যবস্তু রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সামাজিক ফাটল ও অননুমোদিত কাঠামোর মাধ্যমে মানুষের মনস্তত্ত্ব নিয়ন্ত্রণ করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×