somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আল্লাহর সুন্নাতের উপর রাসূলের (সা.) সুন্নাতকে স্থান দেওয়া আল্লাহর মহাঅসন্তুষ্টির কারণ

০৭ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

সূরাঃ ৪ নিসার ১২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৯। আর তোমরা যতই ইচ্ছা করনা কেন তোমাদের স্ত্রীদের প্রতি সমান ব্যবহার কখনোই করতে পারবে না, তবে তোমরা কোন এক জনের প্রতি সম্পূর্ণ ঝুঁকে পড়বে না ও অপরকে ঝুলিয়ে রাখবে না; যদি তোমরা নিজেদিগকে সংশোধন কর ও সাবধান হও তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

* আল্লাহর সুন্নাতে পরিবর্তন ও ব্যতিক্রম নাই বিধায় এর পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়। রাসূলের (সা.) সুন্নাতে পরকালের কল্যাণের উপরে পার্থিব সম্পদকে স্থান দেওয়া হয়েছে আল্লাহ এর বিরোধীতা করেছেন।একাধীক স্ত্রীর সাথে সমান ব্যবহার করা যায় না বিধায় আল্লাহ একাধীক স্ত্রীর বিপক্ষে কথা বলেছেন। এটি পাপের নিশ্চয়তা সহকারে জায়েজ। রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরাম (রা.) ক্ষমাপ্রাপ্ত বিধায় তাঁদের একাধীক বিবাহের দায়মুক্তি রয়েছে। তাঁরা ছাড়া অন্য কেউ একাধীক বিবাহ করলে গুণাহগার হবে। রাসূলের (সা.) ক্ষেত্রে চারের বেশী বিবাহ শুদ্ধ, সাহাবা (রা.) ও অন্যদের চার বিবাহ শুদ্ধ। তবে সাহাবা (রা.) ছাড়া অন্যদের একাধীক বিবাহে গুণাহের নিশ্চয়তা রয়েছে। বিবাহের শুদ্ধতার কারণ খোর-পোষ ও মিরাস। গুনাহের নিশ্চয়তার কারণ সমতা বিধান করতে না পারা।রাসূল (সা.) ও সাহাবার (রা.) সুন্নাতের দোহাই দিয়ে একাধীক বিবাহকে সাওয়াবের কাজ মনে করার সংগত কোন কারণ নাই। কারণ এটি আল্লাহর সুন্নাতের পরিপন্থী। আল্লাহর সুন্নাত কি?

সূরাঃ ৫৫ রাহমান, ১ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। আর রাহমান (পরম মেহেরবান)।
২। তিনিই শিক্ষা দিয়েছেন কোরআন।
৩। তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন।
৪। তিনিই তাকে শিখিয়েছেন বাইয়ান (ভাব প্রকাশ করতে)।
সূরাঃ ৯৬ আলাক, ১ নং থেকে ৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন
২।সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক’ হতে
৩। পড় তোমার রব মহামহিমাম্বিত
৪। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।
৫। তিনি শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে, যা সে জানতো না।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

* কোরআনের বাইয়ানে লিখিত অভিন্ন ফিকাহ আল্লাহর সুন্নাত। রাসূলের (সা.) সময় এটি লিখিত হওয়া শুরু হওয়ার দরকার ছিল। সেটি না হওয়ায় ইন্তেকালের সময় রাসূল (সা.) তাঁর সাহাবায়ে কেরামের (রা.) মাঝে মতভেদ দেখেছেন। রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের চব্বিশ বছর পর তাঁর সাহাবায়ে কেরাম (রা.)পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়েছেন।তখনও কোরআনের বাইয়ানে অভিন্ন ফিকাহ লিখিত হয়নি।তবে সাহাবায়ে কেরাম (রা.) হাদিস ও তাফসির নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। যা তাঁদের মতভেদ ও পরস্পরের যুদ্ধ ঠেঁকাতে পারেনি।হাদিস ও তাফসিরের খেদমত চলার পরেও মুসলিম পাইকারী হারে কাফের হতে থাকে।কাফের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় কারবালায় হযরত ইমাম হোসেন (রা.) তাঁর প্রতিপক্ষে কোন মুমিন খুঁজে পাননি। তারা তাঁর মাথাকেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়। আল্লাহ কলমের সাহায্যে কোরআন ও বাইয়ান শিক্ষা দেন তাঁর খলিফার মাধ্যমে। কলমের সাহায্যে কোরআন সংকলন করে হযরত ওসমান (রা.) আল্লাহর খলিফা হলেন। লোকেরা তাঁকে হত্যা করে আল্লাহর রোষের মধ্যে পড়ে। সেই রোষে এ ঘটনার ছয় বছর পর খেলাফত বিলুপ্ত হয়।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

* আখারিনের ইমাম আবু হানিফার (রা.) শুরায় কোরআনের বাইয়ান অভিন্ন ফিকাহ লিখিত হলে অজ্ঞ লোকেরা মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস দিয়ে এর সাথে মতভেদে নেমে আল্লাহর ক্রোধ বাড়িয়ে তোলে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

* ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আমির হারুনুর রশিদের শুরায় আখারিনের শুরার কোরআনের বাইয়ানে লিখিত আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ পরিশোধীত হলে আমির কর্তৃক তা অনুমোদীত হয়ে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম কর্তৃক গৃহিত হয়। তথাপি অজ্ঞলোকেরা হাদিস দিয়ে এর বিরোধীতা করে। তারা সহিহ হাদিসের কথা বলে উত্তেজনা দেখায়। অথচ আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে কোন হাদিস গৃহিত নয়। এমনকি আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে আল্লাহর আয়াতও মানসুখ হয়।

# কোরআনের বাইয়ানের একটি দৃষ্টান্ত-

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৩৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৯। আর তোমরা তাদের বিরুদ্ধে কিতাল (যুদ্ধ) করতে থাকবে যতক্ষণ না ফিতনা দূরীভূত হয় এবং আল্লাহর দ্বীন সর্বত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।অতঃপর যদি তারা বিরত হয় তবে তারা যা করে আল্লাহতো এর দর্শক।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৪৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৪। নিশ্চয়ই আমরা তাওরাত অবতীর্ণ করেছিলাম; তাতে ছিল পথনির্দেশ ও আলো। নবিগণ, যারা আল্লাহর অনুগত ছিল তারা ইয়াহুদীদিগকে তদনুসারে বিধান দিত, আরো বিধান দিত রব্বানীগণ, এবং বিদ্বানগণ। কারণ তাদেরকে আল্লাহর কিতাবের রক্ষক করা হয়েছিল। আর তারা ছিল উহার সাক্ষী।সুতরাং মানুষকে ভয় করবে না। আমাকেই ভয় কর। আর আমার আয়াতসমূহ তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করবে না। আল্লাহ যা নাজিল করেছেন সে অনুযায়ী যারা হুকুম প্রদান করে না তারাই কাফির।

সূরাঃ ৪৯ হুজরাত, ১০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০। মু’মিনগণ পরস্পর ভাই ভাই; সুতরাং তোমরা ভাইদের মাঝে ইসলাহ (শান্তি স্থাপন) কর, আর আল্লাহকে ভয় কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও।

সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। নিশ্চয়ই আমি তোমাকে দিয়েছি সুস্পষ্ট বিজয়।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
২০১। আর তাদের মধ্যে কিছু লোক বলে, হে আমাদের রব! আমাদেরকে ইহকালে কল্যাণ দান করুন এবং পরকালে কল্যাণ দান করুন। আর আমাদেরকে জাহান্নামের আগুন হতে রক্ষা করুন।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

* ফিতনা শেষ না হতে যুদ্ধ বন্ধ করার অপরাধে খারেজীরা হযরত আলীকে (রা.) কাফের ফতোয়া দিয়ে হত্যা করে ফেলে অথচ রাসূল (সা.) কাফেরদের সাথে যুদ্ধ না করে ইসলাহ করায় তাঁর এ ইসলাহকে আল্লাহ সুস্পষ্ট বিজয় বলেছেন। এখানে কোরআনের বাইয়ান হলো ইসলাহতে সমাধান না হলে ফিতনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে। কিন্তু ইসলাহতে ফিতনার সমাধান হলে কিছুতেই ফিতনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা যাবে না। কারণ যুদ্ধে নয় বরং ইসলাহতে কল্যাণ এবং আল্লাহ কল্যাণের পক্ষে। এখানে বাইয়ান আয়াতকে মানসুখ করায় খারেজীরা কোরআনের বাইয়ান অস্বীকার করে নিজেরা কাফের হয়েছে। ফিতনা শেষ না হতে যুদ্ধ বন্ধ করার অপরাধে হযরত আলী কাফের হননি। এ কোরআনের বাইয়ান যখন অভিন্ন হয় তখন এটি ফিকাহ হয়। কোন ফিকাহ যদি আমির অনুমোদন করে এবং কোন ফিকাহ যদি আমির অনুমোদন না করে তবে আমিরের অনুমোদন করা ফিকাহ হলো অভিন্ন ফিকাহ এবং আমিরের অনুমোদন না করা ফিকাহ হলো বিভিন্ন ফিকাহ। অভিন্ন ফিকাহ না মেনে বিভিন্ন ফিকাহ মানার পরিনাম হলো জাহান্নাম। কোরআনের বাইয়ানে লিখিত অভিন্ন ফিকাহ হলো আল্লাহর সুন্নাত এর উপর রাসূলের (সা.) সুন্নাত ও মানসুখ আয়াতকে স্থান দিয়ে সাহাবায়ে কেরাম বিপদ গ্রস্থ্য ছিলেন। এক্ষত্রে অন্যদের জন্য জাহান্নাম বরাদ্ধ আছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:১৭
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রমজান ২০২৬ এর সাত দিন ও আমার ইফতার প্লাটারস..... :) :) :)

লিখেছেন শায়মা, ০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৫১

সেই যবে থেকে আমি এই ব্লগে পদার্পন করেছিলাম তবে থেকেই আমি রোজা রমজানে আর কিছু না হোক আমার ক্রিয়েটিভিটির নানা রকম ইফতার ও তার রেসিপি দিয়ে আসছিলাম। কালের বিবর্তনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরান যুদ্ধ ও অপরিচিত বাংলাদেশ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:০৮



আমি অনেক প্রবাসী বাংলাদেশীর কাছে শুনেছি, খুব গর্ব করে বলেন “তিনি যেই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন তিনিই একমাত্র বাংলাদেশি। তিনি যেই আবাসিক ভবনে বসবাস করেন তিনিই একমাত্র বাংলাদেশি। তিনি যেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিয়ানে আলী - পারপিচুয়াল রেভোল্যুশনারিদের কাল্ট

লিখেছেন সাজিদ উল হক আবির, ০৭ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:১৫



১।

ছোটবেলা থেকেই বাংলাদেশের মুসলিমদের বড় হওয়া সুন্নি ইসলামের ক্রোড়ে। হয়তো কখনো কারবালার ঘটনা প্রাসঙ্গিক ছিল এ দেশে। আমাদের মা খালাদের আমলে। তখনও ইন্টারনেটের তরঙ্গে ভেসে সৌদি সালাফিজম বাংলাদেশে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ । বাঙালির জাগরণের নতুন অধ্যায় শুরু হয় এই ভাষণের মাধ্যমে ।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৭ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৪:৫২


১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ । এই ভাষণে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের স্বাধিকারের দাবি তুলে ধরেন এবং পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের আহ্বান... ...বাকিটুকু পড়ুন

এপস্টেইনের এলিট: পশ্চিমা গণতন্ত্র আর মতপ্রকাশের স্বাধীনতা

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৭ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


"ইসরায়েল এবং শয়তান যদি একে অপরের সাথে যুদ্ধ করে, আমরা শয়তানের পাশে থাকবো।"

বাংলাদেশে কেউ যখন আমাদের হুমকি দেয়, তখন বলে, "এই, আমি কে, চিনোস!" তবে দেখা যায়, হুমকিদাতা বড়জোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×