somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা রাসূলের (সা.) ঐচ্ছিক কাজে ত্রুটি থাকার একটি দৃষ্টান্ত

০৩ রা মে, ২০২৬ ভোর ৬:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৮৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮৬। আল্লাহ কারো উপর এমন কোন কষ্ট দায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না যা তার সাধ্যাতীত।সে ভাল যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। সে মন্দ যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। হে আমাদের প্রতিপালক যদি আমরা ভুলে যাই অথবা আমাদের ত্রুটি হয় তবে আমাদেরকে পাকড়াও করো না। হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের পূর্ববর্তিগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করবেন না।হে আমাদের প্রতিপালক এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই।আমাদের পাপ মোছন করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আপনিই আমাদের মাওলা (অভিভাবক)। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের উপর আমাদেরকে জয়যুক্ত করুন।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ৪০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪০। যদি তোমরা তাঁকে সাহায্য না কর, তবে আল্লাহতো তাঁকে সাহায্য করেছিলেন যখন কাফিরগণ তাঁকে ধাওয়া করেছিল (হত্যা করার জন্য), আর তিনি ছিলেন দু’জনের মধ্যে দ্বিতীয় জন। যখন তাঁরা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিলেন, তিনি তখন তাঁর সঙ্গিকে বলেছিলেন, তুমি বিষণ্ন হয়ো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।অতঃপর তাঁর উপর আল্লাহ তাঁর প্রশান্তি নাজিল করেন এবং তাঁকে শক্তিশালী করেন এমন সৈন্যবাহিনী দ্বারা যা তোমরা দেখনি।আর তিনি কাফেরদের কথা তুচ্ছ করে দেন।আর আল্লাহর কথাই সুউচ্চ। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী সুবিজ্ঞ।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

* রাসূল (সা.) ওহীয়ে মাতলু ও গাইরে মাতলু দ্বারা পরিচালিত ছিলেন। সেজন্য তাঁর কাজ ত্রুটি মুক্ত ছিল। কিন্তু ওহীয়ে গাইরে মাতলুতে যে ক্ষেত্রে তাঁর জন্য ঐচ্ছিক বিষয় রাখা হয়েছে সে ক্ষেত্রে তাঁর কাজের ত্রুটির কথা আল্লাহ বলেছেন। আল্লাহ ছাড়া আর কেউ ত্রুটি মুক্ত নন সেটা বুঝানোর জন্য এ ব্যবস্থা। কিন্তু আল্লাহর পূর্ব বিধান তাঁর প্রতি ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের কারণে এ ক্ষেত্রে তাঁর কোন পাপ নাই। তথাপি এসব ত্রুটির মূল্য চুকাতে হয়েছে। সেজন্য বদরের বন্দী মুক্তির কারণে উহুদের বিপর্যয় যাতে রাসূলের (সা.) দন্তমোবারক শহীদ হয়েছে। হযরত আলীকে (রা.) মাওলা ঘোষণা রাসূলের (সা.) এমন একটি কাজ।যার কারণে শিয়া সম্প্রদায় রাসূলকে (সা.) সাহায্যকারী রাসূলের (সা.) লক্ষাধীক সাহাবার সাথে (রা.) অসদাচরণ করে।

সূরাঃ ৫৫ রাহমান, ১ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। আর রাহমান (পরম মেহেরবান)।
২। তিনিই শিক্ষা দিয়েছেন কোরআন।
৩। তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন।
৪। তিনিই তাকে শিখিয়েছেন বাইয়ান (ভাব প্রকাশ করতে)।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

* রাসূল (সা.) মাওলার দায়িত্ব পেলেন চল্লিশ বছর বয়সে। মাওলার দায়িত্ব পালনের জন্য রাহমান চল্লিশ বছর বয়স থেকে তাঁকে কোরআন ও বাইয়ান শিক্ষা দিতে থাকলেন। কিন্তু রাসূল (সা.) তেত্রিশ বছর বয়সী হযরত আলীকে (রা.) তাঁর মাওলা ঘোষণা করলেন। সেই হিসাবে রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের পর হযরত আলী (রা.) সমস্ত সাহাবায়ে কেরামের (রা.) আনুগত্য আশা করলেন। কিন্তু তাঁর আনুগত্যের ডাকে সাহাবায়ে কেরামের (রা.) সাড়া মিলেনি।হযরত ওসমান (রা.) ছিলেন আল্লাহর ক্ষমাপ্রাপ্ত। তাঁর আত্মস্বীকৃত খুনীরা কাফের ছিল। হযরত আলী (রা.) তাদের মাওলা হয়ে তাদেরকে নিজ দলভূক্ত করেছেন।এ ঘটনার পর সাহাবায়ে কেরামের (রা.)দুটি দল তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে।এসব ঘটনায় সৃষ্ট খারেজী তাঁকে কাফের ফতোয়া দিয়ে হত্যা করে নিজেরা কাফের হয়েছে। কারণ হযরত আলী (রা.)আল্লাহর পূর্ব বিধান আল্লাহর ক্ষমা ও মহাপুরুস্কারের প্রতিশ্রুতি প্রাপ্ত সাহাবী (রা.) ছিলেন। তবে কাফেরের মাওলা হওয়ায় আল্লাহ তাঁকে খারেজী থেকে রক্ষা করেননি। তারপর হযরত আলীর (রা.) শিয়া যে সব সাহাবা মাওলা আলীর (রা.) অনুসারী হননি সেই সব সাহাবাকে (রা.) কাফের ফতোয়া দিয়ে, তাঁদেরকে লানত দিয়ে কাফের হয়ে যায়। শিয়াদের কাফের হওয়ার কারণ আল্লাহর পূর্ব বিধান আল্লাহর ক্ষমা ও মহাপুরুস্কারের প্রতিশ্রুতি প্রাপ্ত সাহাবায়ে কেরামকে (রা.) অসম্মান করা। আল্লাহ তাদেরকেও মানুষ থেকে রক্ষা করছেন না। শিয়া ইমামদেরকে ধারাবাহিকভাবে হত্যা করা হয়েছে। ইদানিং শিয়া ইমাম আলী খামেনীকে হত্যা করা হয়েছে।

সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

সূরাঃ ২১ আম্বিয়া, ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭। তোমার পূর্বে আমি ওহীসহ পুরুষ পাঠিয়েছিলাম; তোমরা না জানলে আহলে যিকরকে (যিকর সমৃদ্ধ)জিজ্ঞাসা কর।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

* রাসূলের (সা.) পর উম্মতের সঠিক মাওলা ছিলেন তাঁর চাচা হযরত আব্বাস (রা.)।কারণ রাসূলের (সা.) পর উম্মতের মাওলা চল্লিশ বছর বয়সি পুরুষ হওয়ার কথা। এ ক্ষেত্রে হযরত আব্বাসের তুল্য আর কেউ নাই। হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও রাসূলের (সা.) এ আহলে বাইতকে আল্লাহ মানুষ হতে রক্ষা করেছেন। তাঁকে তিনি উম্মতের অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র রেখেছেন। তাঁর আহলে বাইতকে আল্লাহ তাঁর রহমত ও বরকত দ্বারা মুড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁদেরকে আল্লাহ মুসলিম বিশ্বের রাজত্ব প্রদান করেছেন প্রায় আটশত বছর। তাঁরা ও তাদের অনুসারী হানাফীকে আল্লাহ একসাথে প্রায় এগারশ বছর মুসলিম বিশ্বের রাজত্ব প্রদান করেছেন। এখনো আব্বাসীয় অনুসারী হানাফীদের নিকট রয়েছে অধিকাংশ মুসলিম অঞ্চল, জনসংখ্যা ও দেশ। দুই তৃতীয়াংশ মসিলিম আব্বাসীয় অনুসারী হানাফী। হানাফীরা হযরত আব্বাস (রা.) হয়ে রাসূলের (সা.) সাথে যুক্ত। সাহাবায়ে কেরামের (রা.) সকল শাসককে শয়তান অভিযোগের আখড়া বানিয়েছে। সে ক্ষেত্রে রাসূলের (সা.) পর উম্মতের আসল মাওলা হযরত আব্বাসের (রা.) প্রতি কোন উম্মতের কোন অভিযোগ নাই। হযরত আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইতের চার জন যাঁরা সাহাবা ছিলেন তাঁরা আল্লাহর পূর্ব বিধান আল্লাহর ক্ষমা ও মহাপুরুস্কারের প্রতিশ্রুতি প্রাপ্ত। অন্যদের মুসলিম বিভেদ এগিয়ে নেওয়ার কারণে বিপদে পড়তে হবে। কারণ তাদের প্রতি আল্লাহর পূর্ব বিধান আল্লাহর ক্ষমা ও মহাপুরুস্কারের প্রতিশ্রুতি নাই।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মে, ২০২৬ ভোর ৬:২১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একাত্তরের আগের আর পরের জামাত এখনও এক

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ০২ রা মে, ২০২৬ সকাল ১১:৫৮


গোলাম পরওয়ার বলেছে একাত্তরের জামাত আর বর্তমান জামাত এক নয়। অথচ এক। স্বাধীনতার আগের জামাত আর পরের জামাত একই রকম।
একাত্তরের আগে জামাত পাকিস্তানের গো% চাটতো এখনও তাই চাটে। তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

সোনার ধানে নোনা জল

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০২ রা মে, ২০২৬ দুপুর ১:১২



হঠাৎ একটা তীক্ষ্ণ শব্দে রেদোয়ানের ঘুম ভাঙল। না, কোনো স্বপ্ন নয়; মেঘের ডাক আর টিনের চালে বৃষ্টির উন্মত্ত তান্ডব। বিছানা ছেড়ে দরজায় এসে দাঁড়াতেই এক ঝলক... ...বাকিটুকু পড়ুন

মরহুম ওসমান হাদীর কারণে কবি নজরুলের জনপ্রিয়তা বেড়েছে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা মে, ২০২৬ দুপুর ২:৫৯


ইনকিলাব মঞ্চের জাবের সাহেব মাইকের সামনে দাড়িয়ে যখন বললেন , শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের উসিলায় নাকি এদেশের মানুষ আজ কবি নজরুলের মাজার চিনতে পারছে, তখন মনে হলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের শিক্ষা - ১

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা মে, ২০২৬ রাত ৯:২৬



সমাজ আমাদের বিভিন্ন ভাবে পরীক্ষা করে। কখনো ধন-সম্পদ দিয়ে, আবার কখনোবা কপর্দকশূন্যতা দিয়েও! সমাজের এই পরীক্ষায় কেউ জিতেন, আবার কেউবা পুরোপুরি পর্যুদস্ত হয়ে বিদায় নেন এই ধরাধাম থেকে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিষন্ন মেঘের ভেলায় ভেসে....

লিখেছেন ইন্দ্রনীলা, ০২ রা মে, ২০২৬ রাত ১০:২৯



তোমাকে শুধু একটাবার বড় দেখতে ইচ্ছা করে...
এই ইচ্ছায় আমি হয়ে যাই একটা ঘাসফড়িং
কিংবা আসন্ন শীতের লাল ঝরাপাতা,
উড়ে যাই ভেসে যাই দূর থেকে দূরে...
অজানায়...

শরতের কাঁশফুলের পেঁজা তুলো হয়ে
ফুঁড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×