somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একমাত্র ত্রুটি বিহীন আল্লাহ এটা বুঝাতে আল্লাহ, রাসূল (সা.) ও সাহাবার (রা.) ত্রুটি প্রকাশ করে তাঁদেরকে ক্ষমা করার কথা বলেছেন

১৫ ই মে, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।

সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

* ওহী ভিত্তিক কার্য পরিচালনা করায় রাসূলের (সা.) কাজে ত্রুটি থাকার কথা নয়। কিন্তু ওহীতে রাসূলের (সা.) জন্য যে সব বিষয় ঐচ্ছিক রাখা হয়েছে তাঁর সেই সব বিষয়ের কোন কোনটিতে ত্রুটি থকার বিষয়টি আল্লাহ প্রকাশ করেছেন। সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতে উল্লেখিত বদরের বন্দী মুক্তি সেই রকম বিষয়ের একটি। রাসূলের (সা.) ঐচ্ছিক কাজে ত্রুটি এবং সাহাবায়ে কেরামের (রা.) অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির ক্ষমা আল্লাহর পূর্ব বিধান বিধায় এসব ত্রুটি সংগঠিত হওয়ার পর এর সমালোচনা আল্লাহর বিধানের কুফুরী। যারা এসব কুফুরী করে তাদেরকে মুসলিম মনে করার মূলত কোন দরকার নাই। শিয়া, আহলে বাইত পন্থী, খারেজী (ইবাদী), সালাফী ও আহলে হাদিসদের মধ্যে এমন কুফুরী পরিদৃষ্ট বিধায় এসব গুষ্ঠির সঙ্গ ত্যাগ করা মুসলিমদের জন্য ফরজ। যারা এদের সঙ্গে যুক্ত হবে তারাও এদের মতই কাফের হয়ে যাবে। আল্লাহ সত্যবাদীগণের সাথে থাকতে বলেছেন। সাহাবায়ে কেরামের (রা.) মধ্যে মেরাজের ঘটনায় রাসূলের (সা.) পক্ষ থেকে সত্যবাদী খেতাব প্রাপ্ত হযরত আবু বকর (রা.)। শিয়া ও কতিপয় আহলে বাইত পন্থী তাঁর সঙ্গ ত্যাগ করে ইসলাম ত্যাগ করেছে।হযরত আবু বকরের (রা.) উপর অসন্তুষ্ট হওয়ার কারণে হযরত আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইতদেরকে আল্লাহ মানুষ হতে রক্ষা করছেন না। তাঁদের যারা সাহাবা (রা.) তাঁরা ছাড়া হযরত আলীর (রা.) অন্য আহলে বাইতদের যারা হযরত আবু বকরের (রা.) উপর অসন্তুষ্ট তারা ও তাদের ভক্তরা জাহান্নাম থেকেও রক্ষা পবে না। কারণ মুমিনগণ হযরত আবু বকরের (রা.) সমালোচনা সহ্য করে না তারা হযরত আবু বকরের (রা.) সমালোচনা করে মুমিনদের পথ ছেড়ে অন্যপথে জাহান্নামে চলে যায়।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ৪০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪০। যদি তোমরা তাঁকে সাহায্য না কর, তবে আল্লাহতো তাঁকে সাহায্য করেছিলেন যখন কাফিরগণ তাঁকে ধাওয়া করেছিল (হত্যা করার জন্য), আর তিনি ছিলেন দু’জনের মধ্যে দ্বিতীয় জন। যখন তাঁরা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিলেন, তিনি তখন তাঁর সঙ্গিকে বলেছিলেন, তুমি বিষণ্ন হয়ো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।অতঃপর তাঁর উপর আল্লাহ তাঁর প্রশান্তি নাজিল করেন এবং তাঁকে শক্তিশালী করেন এমন সৈন্যবাহিনী দ্বারা যা তোমরা দেখনি।আর তিনি কাফেরদের কথা তুচ্ছ করে দেন।আর আল্লাহর কথাই সুউচ্চ। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী সুবিজ্ঞ।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।

* আয়াতে উল্লেখিত তিনজন হলেন আল্লাহ, রাসূল (সা.) ও হযরত আবু বকর (রা.)। সংগত কারণে সেই সময় রাসূলের (সা.) পর আল্লাহ হযরত আবু বকরের (রা.) স্থান সাব্যস্ত করেছেন।যথারীতি রাসূলের (সা.) পর আল্লাহ তাঁকে ক্ষমতাসীন করেছেন। তাঁর হাতে বাইয়াতে হযরত আলীর (রা.) বিলম্ব তাঁর ত্রুটি ছিল, যা আল্লাহর পূর্ব বিধান সাহাবার (রা.) প্রতি ক্ষমার সূত্রে হযরত আলী (রা.) ক্ষমাপ্রাপ্ত। তবে এ ঘটনায় যারা তাঁর সমর্থক হয়ে মুমিনদের সঙ্গ ত্যাগ করেছে তারা জাহান্নামী। রাসূল (সা.) চল্লিশ বছর বয়সে মাওলার দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েছেন। তেত্রিশ বছরের হযরত আলীকে (রা.) মাওলার দায়িত্ব প্রদান রাসূলের (সা.) ত্রুটি ছিল এবং আল্লাহর পূর্ব বিধান রাসূলের (সা.) প্রতি ক্ষমার সূত্রে তিনি ক্ষমাপ্রাপ্ত। তবে এ ঘটনায় যারা হযরত আলীকে (রা.) মাওলা না মানা সাহাবায়ে কেরামকে (রা.) বিভ্রান্ত বলে তারা মুমিনদের পথ ছেড়ে জাহান্নামে চলে যায়।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। সদকা বা যাকাত ফকির, মিসকিন, এর কর্মচারী, মোয়াল্লাফাতে কুলুব (অন্তর আকৃষ্ট),দাসমুক্তি, ঋণ পরিশোধ, আল্লাহর পথে ও মুসাফিরের জন্য। এটা আল্লাহর বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ সুবিজ্ঞ।

সূরাঃ ১১০ নাসর, ১ ও ২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে।
২। আর তুমি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করতে দেখবে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৮৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮৬। আল্লাহ কারো উপর এমন কোন কষ্ট দায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না যা তার সাধ্যাতীত।সে ভাল যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। সে মন্দ যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। হে আমাদের প্রতিপালক যদি আমরা ভুলে যাই অথবা আমাদের ত্রুটি হয় তবে আমাদেরকে পাকড়াও করো না। হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের পূর্ববর্তিগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করবেন না।হে আমাদের প্রতিপালক এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই।আমাদের পাপ মোছন করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের উপর আমাদেরকে জয়যুক্ত করুন।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।

* জাকাতের সম্পদ ব্যয়ের একটি খাত মোয়াল্লাফাতে কুলুব (অন্তর আকৃষ্ট)। হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ছিলেন তাঁদের অন্যতম সদস্য। কারণ হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) বন্ধু খালিদ সাইফুল্লাহ (রা.) মক্কা জয় করায় এবং তাতে দলে দলে মানুষ আল্লাহর দীনে প্রবেশ করায় খালিদ সাইফুল্লাহর (রা.) প্রতি আল্লাহ ও রাসূলের (সা.)অন্তর আকৃষ্ট ছিল। হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) দাওয়াতে তিনি ইসলাম গ্রহণকরায় এবং হুনায়নের যুদ্ধে হযরত মুয়াবিয়া (রা.) বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করায় হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) প্রতি আল্লাহ ও রাসূলের (সা.)অন্তর আকৃষ্ট ছিল। রাসূল (সা.) তাঁকে উপহার দিয়েছেন একশত উট, আল্লাহ তাঁকে দিয়েছেন বিয়াল্লিশ বছরের ক্ষমতা। সাহাবায়ে কেরামের (রা.) কেউ এমন ক্ষমতা প্রাপ্ত হননি। হযরত আলী (রা.) তাঁকে ক্ষমতা চ্যুত করে নিজে নিহত হয়ে ক্ষমতা থেকে বিদায়গ্রহণ করেছেন। তাঁর পর হযরত মুয়াবিয়া (রা.) আরো বিশ বছর ক্ষমতায় ছিলেন। যারা হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) পক্ষ ত্যাগ করেছে মুমিনগণ হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) পক্ষে থাকায় তারা মুমিনদের পথ ছেড়ে জাহান্নামে চলে গেছে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে হযরত মুয়াবিয়া (রা.) খেলাফত ছেড়ে বাদশাহী গ্রহণ করেছেন। ইসলামে মুসলিম বিশ্বের এ বাদশাহী চলে প্রায় তেরশ বছর।এটি একটি অপারগ অবস্থা। কারণ যুদ্ধ করে বাদশাহী বড় করা গেলেও বাদশাহীর একতৃতীয়াংশ নাগরিককে আল্লাহর অনুগত বান্দা বানানো অসম্ভব ছিল। হযরত মুয়াবিয়া (রা.) সে অসম্ভবের পথে হাটেননি। তিনি যেটা সম্ভব সেটা করেছেন। পরবর্তী মুসলিম শাসকগণের সবাই তাঁর পথেই হেঁটেছেন। সুতরাং এ বিষয়ে তাঁকে দোষারফ করা বেকুবী। খেলাফত ও মুলকিয়াত পুস্তকে মওদূদী সেই বেকুবীটাই করেছেন।মওদূদীর দল বাংলাদেশে খেলাফত কায়েম করতে চাইলে আগে তাদেরকে বাংলাদেশের ছয়কোটি নাগরিককে আল্লাহর প্রকৃত বান্দা বানাতে হবে। যারা লড়াই হলে কোন অবস্থাতে লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে যাবে না। অথচ একাত্তরে তারা লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে দাবী করছে তারা ইসলামী দল- আসতাগফিরুল্লাহ।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০২৬ ভোর ৬:৪৯
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ডেঙ্গু আবার ধেয়ে আসছে তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে একটি সমন্বিত কার্যক্রম রূপকল্প

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৪ ই মে, ২০২৬ সকাল ১০:৪১


লেখাটির উপক্রমনিকা
মাস কয়েক আগে সামুর পাতায় ব্লগার কলা বাগান ১ এর একটি গুরুত্বপুর্ণ লেখা প্রকাশিত হয়েছে । লেখাটিতে থাকা মুল কথাগুলি ছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

বৃষ্টি বিলাস - ০১

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ১৪ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:০৪



তখন কলেজে পড়ি, তেজগাঁও কলেজ। আমরা বলতাম গোয়াল ঘর। সেই হিসেবে আমাকে গোয়াল ঘরের প্রাণী বলা চলে।

তো একদিন গোয়াল ঘরে যাওয়ার জন্য বাসা (উত্তর বাড্ডা) থেকে বেরিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কালো পাথর

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৪ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪



এক সুন্দর সকালে হিমু রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলো।
হঠাত সে ফুটপাতে এক টুকরো পাথরের সাথে উষ্ঠা খায়। উষ্ঠা খেয়ে হিমু মাটিতে পরে যায়। পাথরের পাশে এক ভিক্ষুক ভিক্ষা করছিলো। পাথর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী লীগ আসার ক্ষেত্র প্রস্তুত করা হচ্ছে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১:২৫


সোশ্যাল মিডিয়ায় দুটো স্ট্যাটাস পড়লাম। দুজনই বিএনপি সমর্থক।
প্রথমজন লিখেছেন, গতকালকের গরম খবর ছিল আওয়ামী লীগরে ঝুলায় মারছে বিএনপি বা জামায়াত শিবির। তারপরে প্রথম আলো নিউজ করলো পদ্মার পাড়ে কৃষকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

পদ্মা ব্যারেজঃ সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৫ ই মে, ২০২৬ সকাল ৮:৩০

পদ্মা ব্যারেজঃ সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত....

অনেকেই “ব্যারেজ” এবং “ব্রিজ”কে একই ধরনের স্থাপনা মনে করেন। বাস্তবে দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়। তাই প্রথমেই ব্রীজ এবং ব্যারেজের পার্থক্য-

ব্রিজ (Bridge) কী?
ব্রিজ বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×