somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তুমি কার জন্য বাঁচো? কীভাবে এ-আই দিয়ে কভার সং তৈরি করি?

২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রথমত, এ-আই দিয়ে গান তৈরি করা অনেক সহজ। আপনি নিজে কোনো লিরিক না লিখে, কোনো সুর তৈরি না করেও এ-আই-তে প্রম্পট দিয়েই গান তৈরি করে ফেলতে পারেন। তবে সেটা আপনার ক্রিয়েটিভিটির স্বাক্ষর বহন করবে না। আপনার নিজের ক্রিয়েটিভিটি হলো নিজের লিরিক, নিজের সুর দিয়ে তৈরি করা একটা গান।

আমি কখনো এ-আই দিয়ে কোনো লিরিক, কবিতা, গল্প রচনা করিনি। নিজের লিরিক, নিজের সুর দিয়ে এ-আই জেনারেটেড কভার সং তৈরি করেছি। আজ সংক্ষেপে সেই পদ্ধতিটা বলছি।

প্রথমে লিরিক লিখি, বা সুর তৈরি করি। এরপর লিরিকের উপর সুর দিই, কিংবা সুরের সাথে সামঞ্জস্য রেখে লিরিক লিখি। আমার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সুর আগে তৈরি হয়। কিন্তু আজকের গানের লিরিক আগে লেখা হয়েছে, সুর দিয়েছি পরে। গতকাল এ লিরিক কবিতা হিসাবে কয়েকটা গ্রুপে শেয়ার করেছিলাম।

এরপর গানটা গাই। আমার গানের গলা নেই, কিন্তু সুর তৈরি ও সুর ধরে রাখার জন্য একটা কণ্ঠের দরকার। আমার কণ্ঠটাই সেই কাজে ব্যবহার করি। এখানে খালি গলায় গাওয়া যে গানটি শেয়ার করেছি, এটাই এ-আইতে আপলোড করে এই সুরে কভার সং তৈরি করা হবে। এ-আই-তে বিশেষ ফিচার আছে আপলোডকৃত গানকে মিউজিকসহ অরিজিন্যাল সুরে জেনারেট করার জন্য। আমি সুনো নামক এ-আই ব্যবহার করি, এটাই বর্তমানে বিশ্বের লিডিং সং জেনারেটিং এ-আই। বাংলা গানের জন্য এটা এখনো ডেভেলপমেন্টের পর্যায়ে আছে। আমি এ-আই'র সাথে যোগাযোগ করে প্রচুর ফিডব্যাক দিয়েছি, ফলে আগের চাইতে সুনো এখন অনেক উন্নত হয়েছে বাংলা গানের জন্য।

আজ খালি গলায় গাওয়া গানটি শেয়ার করলাম। পরে এ-আই জেনারেটেড কভার সং তৈরি করে আবার শেয়ার করবো।

শুভেচ্ছা সবার জন্য।

তুমি কার জন্য বাঁচো
কথা, সুর ও কণ্ঠ : খলিল মাহ্‌মুদ

তুমি কার জন্য বাঁচো?
কার জন্য বেঁচে থাকো তুমি?
ধ্যান করো, কোথায় কিনে রেখেছো একখণ্ড জমি।

সে তোমাকে ফুল দেয়, ফল দেয়,
দেয় শস্যকণা;
অন্তরে জিইয়ে রেখে দেয় প্রণোদনা।
চৈত্র্যের খরতাপে সে তোমার
প্রাণসঞ্জীবনী জলাভূমি।

সে তোমাকে বেঁধে রাখে অদৃশ্য সুতোয়,
ফিরে আসতেই হবে তার নীড়ে, যেখানেই রাত্রি হয়।
উন্মনা, ভবঘুরে, হারিয়ে যেতে যেতে
সম্বিতে চেয়ে দেখো, তার কোলে শুয়ে আছো তুমি;
ধ্যান করো, কোথায় কিনে রেখেছো একখণ্ড জমি।

১৯ জুন ২০২৬

গানের লিংক : প্লিজ এখানে ক্লিক করুন - তুমি কার জন্য বাঁচো?

অথবা নীচের লিংকে ক্লিক করুন।

সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৩৩
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের শাহেদ জামাল- ৯৮

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:২২



আজ শুক্রবার। শুক্রবার মুসলমানদের জন্য বিশেষ একটি দিন।
আজ বাংলা আষাঢ় মাসের ৫ তারিখ। যদিও বর্ষাকাল। আজ আকাশে মেঘ নেই। বরং রোদ উঠেছে। রোদের তাপ ভালোই। শাহেদ পথে বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইউরোপের সবচেয়ে বড় ফিনটেঁক কোম্পানী রিপাবলিক ইউরোপকে ছেড়ে দেওয়ার সত্য ঘটনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩

বাংলাদেশের আইটি ফার্মগুলোর মাঝে আমার ফার্মই তাঁর ইঞ্জিনিয়রাদের সবচেয়ে বেশি বেতন দিতো। আমার সিনিয়র রুবি অন রেইলস ব্যাকএন্ড ডেভেলপার ছিলো রিফাত। বয়স ৩০, সেই বয়সেই সে মাসে পেতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে এসো পূর্ণিমায়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:৫৫



তুমি ছাড়া ভালো লাগে না পূর্ণিমা চাঁদ, তুমি লুকিয়ে চন্দ্রিমার হলুদ বর্ণে। মায়াবী জোছনা মাখা রাত সবই যেন নিস্ফল, মন যেন হারিয়েছে আঁধারে সব সময় কাঁদে। চারিদিকে যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে মিছিল কেন?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে জুন, ২০২৬ রাত ১:২১


ঢাকার রাজপথে আজ এক নতুন কুশীলবের আবির্ভাব ঘটলো। নাম তার ‘বাংলাদেশ আজাদ পার্টি’। এই নামের কোনো রাজনৈতিক অস্তিত্বের কথা দেশের আমজনতা না জানলেও, হঠাৎ এক রাতে তারা ‘অবৈধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যদি কামের কাম না হয়, সংখ্যা দেখলে বিগাড় ওঠে

লিখেছেন অপলক , ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:২২



বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল বর্তমানে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট। এতেই রুগিরা সেবা পায়না, অপরিচ্ছন্ন, লোকবল নেই, যন্ত্রাংশ নষ্ট, ওষূধ নেই, ১৫০০ শষ্যাবিশিষ্ট করে লাভ কি? সেবা নিশ্চিত হবে না...

এখন ডাক্তাররা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×