প্রথমত, এ-আই দিয়ে গান তৈরি করা অনেক সহজ। আপনি নিজে কোনো লিরিক না লিখে, কোনো সুর তৈরি না করেও এ-আই-তে প্রম্পট দিয়েই গান তৈরি করে ফেলতে পারেন। তবে সেটা আপনার ক্রিয়েটিভিটির স্বাক্ষর বহন করবে না। আপনার নিজের ক্রিয়েটিভিটি হলো নিজের লিরিক, নিজের সুর দিয়ে তৈরি করা একটা গান।
আমি কখনো এ-আই দিয়ে কোনো লিরিক, কবিতা, গল্প রচনা করিনি। নিজের লিরিক, নিজের সুর দিয়ে এ-আই জেনারেটেড কভার সং তৈরি করেছি। আজ সংক্ষেপে সেই পদ্ধতিটা বলছি।
প্রথমে লিরিক লিখি, বা সুর তৈরি করি। এরপর লিরিকের উপর সুর দিই, কিংবা সুরের সাথে সামঞ্জস্য রেখে লিরিক লিখি। আমার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সুর আগে তৈরি হয়। কিন্তু আজকের গানের লিরিক আগে লেখা হয়েছে, সুর দিয়েছি পরে। গতকাল এ লিরিক কবিতা হিসাবে কয়েকটা গ্রুপে শেয়ার করেছিলাম।
এরপর গানটা গাই। আমার গানের গলা নেই, কিন্তু সুর তৈরি ও সুর ধরে রাখার জন্য একটা কণ্ঠের দরকার। আমার কণ্ঠটাই সেই কাজে ব্যবহার করি। এখানে খালি গলায় গাওয়া যে গানটি শেয়ার করেছি, এটাই এ-আইতে আপলোড করে এই সুরে কভার সং তৈরি করা হবে। এ-আই-তে বিশেষ ফিচার আছে আপলোডকৃত গানকে মিউজিকসহ অরিজিন্যাল সুরে জেনারেট করার জন্য। আমি সুনো নামক এ-আই ব্যবহার করি, এটাই বর্তমানে বিশ্বের লিডিং সং জেনারেটিং এ-আই। বাংলা গানের জন্য এটা এখনো ডেভেলপমেন্টের পর্যায়ে আছে। আমি এ-আই'র সাথে যোগাযোগ করে প্রচুর ফিডব্যাক দিয়েছি, ফলে আগের চাইতে সুনো এখন অনেক উন্নত হয়েছে বাংলা গানের জন্য।
আজ খালি গলায় গাওয়া গানটি শেয়ার করলাম। পরে এ-আই জেনারেটেড কভার সং তৈরি করে আবার শেয়ার করবো।
শুভেচ্ছা সবার জন্য।
তুমি কার জন্য বাঁচো
কথা, সুর ও কণ্ঠ : খলিল মাহ্মুদ
তুমি কার জন্য বাঁচো?
কার জন্য বেঁচে থাকো তুমি?
ধ্যান করো, কোথায় কিনে রেখেছো একখণ্ড জমি।
সে তোমাকে ফুল দেয়, ফল দেয়,
দেয় শস্যকণা;
অন্তরে জিইয়ে রেখে দেয় প্রণোদনা।
চৈত্র্যের খরতাপে সে তোমার
প্রাণসঞ্জীবনী জলাভূমি।
সে তোমাকে বেঁধে রাখে অদৃশ্য সুতোয়,
ফিরে আসতেই হবে তার নীড়ে, যেখানেই রাত্রি হয়।
উন্মনা, ভবঘুরে, হারিয়ে যেতে যেতে
সম্বিতে চেয়ে দেখো, তার কোলে শুয়ে আছো তুমি;
ধ্যান করো, কোথায় কিনে রেখেছো একখণ্ড জমি।
১৯ জুন ২০২৬
গানের লিংক : প্লিজ এখানে ক্লিক করুন - তুমি কার জন্য বাঁচো?
অথবা নীচের লিংকে ক্লিক করুন।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




