বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুর পাশাপাশি রাখলে যা দঁড়ায়বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুুর
১। সিঙ্গাপুর স্বাধীন হয় ১৯৬৫ সালে আর বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে।
২। সিঙ্গাপুরও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, বাংলাদেশও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
৩। ১৯৬৫ সালে মালেয়শিয়া থেকে স্বাধীন হওয়ার পর সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে যিনি ছিলেন তিনি তাঁর দায়িত্ব থেকে সরে যান ১৯৯০ সালে। আর ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান যিনি ছিলেন তাঁকে ১৯৭৫ সালে হত্যা করা হয়। এরপর ১৯৯০ সালের মধ্যে বেশ কয়েকবার ক্ষমতা রদবদল হয়। এর মধ্যেও কয়েকজন রাষ্ট্রপ্রধানের মৃত্যু ঘটে।
৪। সিঙ্গাপুর স্বাধীনের পর দেশে লি কুয়ান রাষ্ট্র প্রধান ছিলেন, বর্তমানে তাঁরই ছেলে রাষ্ট্র প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন। আর বাংলাদেশ স্বাধীনের পর যিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্র প্রধান ছিলেন তাঁর সবগুলে ছেলে সন্তানকেই তাঁর সঙ্গেই মেরে ফেলা হয়।
৫। সিঙ্গাপুরে কোনো প্রাকৃতিক সম্পদ নেই, তবে বাংলাদেশে প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে।
৬। সিঙ্গাপুরে সুইংগাম ও দেওয়াল লিখন নিষিদ্ধ। বাংলাদেশে চুইংগাম ও দেওয়াল লিখন নিষিদ্ধ নয়।
৭। সিঙ্গাপুরে ১৯৭৮ সালের পর থেকে কোনো ধর্মঘট হয়নি,আর বাংলাদেশে ধর্মঘট, অবরোধ, হরতাল কখন থেকে হবে না তা কেউ নিশ্চিত নয়।
৮। সিঙ্গাপুরে পর্নোগ্রাফি নিষিদ্ধ, বাংলাদেশে পর্নোগ্রাফি এখনও নিষিদ্ধ সেভাবে নয়।
৯। ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে ৪০৮ জনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়, অথচ এদেশটি কর্পোরেট ক্রাইম, চাঁদাবাজি, মাফিয়া চক্র ও মাদক সম্রাট মুক্ত একটি দেশ হিসাবে বিশ্বে পরিচিত। তবে বাংলাদেশে এত মৃত্যুদন্ড কার্যকর এ সময়ের মধ্যে সম্ভব হয়নি, কিন্তু বিশ্বের দরবারে এভাবে সিঙ্গাপুরের মতো পরিচিত নয় বাংলাদেশ।
১০। সিঙ্গাপুরে আইনি প্রক্রিয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা বেশি কার্যকর করা হলেও, বাংলাদেশে বিশৃংখলা ও অস্থিরতার কারণে মৃত্যুর ঘটনা অসংখ্য।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




