somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এই নিউজটা কি সত্যি ? শাহবাগীদের কোটি টাকার হিসাব কোথায়? !:#P

২২ শে জুলাই, ২০১৩ ভোর ৬:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




অনলাইন পোর্টাল বিবার্তা শাহবাগীদের নিয়ে একটি রিপোর্ট করে , এখানে বলা হয় শাহবাগীরা আন্দোলনের সময় কিভাবে , কার কাছ থেকে টাকা পেয়েছিলো ? রিপোর্টটির উল্লেখযোগ্য অংশ তুলে ধরা হলো .....

আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত একজন ছাত্রনেতা বলেন, যে যেভাবেই যার পরিচিতজনের মাধ্যমেই টাকা দিতেন না কেন সেই টাকা তুলে দেওয়া হতো ইমরানের হাতে। এরপর যখন যে খাতে টাকা লাগতো তা তার কাছ থেকে নিতো সংগঠকরা। কিন্তু আন্দোলন শুরুর পর খুব দ্রুতই ইমরানের পুরোনো মোবাইল বদলে হাতে উঠে দামী মোবাইল ও ট্যাব। আন্দোলনের দুই মাসে প্রতিদিনই তিনি একটি করে নতুন পাঞ্জাবি পরে আসতেন। এ নিয়েও শুরু হয় নানা প্রশ্ন।

বিবার্তা কিছু লিফলেট সংগ্রহ করেছে। বিষয়টি নিয়ে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত অনেকের সঙ্গে কথাও হয়েছে। তাতে জানা গেছে, এফবিসিসিআই চেয়ারম্যান কাজী আকরাম উদ্দিন ৬০ লক্ষ টাকা, বসুন্ধরা গ্রুপ ২০ লক্ষ টাকা, ইস্পাহানি গ্রুপ ১০ লক্ষ টাকা, হামীম গ্রুপ ২০ লক্ষ টাকা, অটবি ১০ লক্ষ টাকা, বেস্টওয়ে গ্রুপ ৫ লক্ষ টাকা, ওয়ালটন কোম্পানি ১০ লক্ষ টাকা, বায়োফার্মা ৫ লক্ষ টাকা, একটি শীর্ষ দৈনিক পত্রিকা (প্রথম আলো ) চার লাখ টাকা, সাবেক এসপি মাহবুবের কাছ থেকে ৪ লক্ষ টাকা, ইনসেপ্টা কোম্পানী ৫ লক্ষ টাকা, ফরিদুর রেজা সাগরের কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা, সাংবাদিক আবেদ খানের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা, এডভোকেট আনিসুল হক থেকে ১০ হাজার টাকা, কানিজ সুলতানা থেকে ১০ হাজার টাকাসহ বিভিন্ন ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রায় দুই কোটি টাকা পেয়েছে গণজাগরণ মঞ্চ। এর বাইরে পানি, খাবার, ল্যাপটপসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র দিয়েও সহায়তা করেছেন অনেকে।


সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুর মাধ্যমেও অনেক টাকা এসেছে। এছাড়া আন্দোলেনর সঙ্গে যুক্ত অনেকের পরিচিতরাই টাকা দিয়েছেন। তবে সবাই একটি বিষয় বলেছেন, সব টাকাই ঘুরেফিরে ইমরানের হাতে দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রবাসীরাও বিপুল পরিমাণ টাকা পাঠিয়েছেন।

অভিযোগ উঠেছে, আন্দোলনের পেছনে সামান্য টাকা খরচ হলেও একটি বড় অংকের টাকাই ইমরান এবং তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নিজেদের কাছেই রেখেছেন। ইমরান তার প্রবাসী এক বান্ধবীর কাছে অনেক টাকা পাঠিয়ে দিয়েছেন এমন কথাও অনেকে বলেছেন। তবে টাকা ভাগাভাগি করে নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে ব্লগার মারুফ রসূল বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ ভ্রান্ত তথ্য। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের এ ধরনের কোনো আর্থিক লেনদেন গণজাগরণ মঞ্চ করেনি। তবে কেউ কেউ আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের খাবার সরবরাহের জন্য টাকা দিয়েছিলেন যার পরিমাণ দশ থেকে পনের হাজার টাকার বেশি নয়।’

বিদেশী প্রবাসীদের সাথে ভিডিও চ্যাটের সময় যে আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল সেই অর্থ কিভাবে খরচ হয়েছে এসব প্রশ্নের জবাবে মারুফ বলেন, বিদেশের বাঙালিদেরকে আমরা টাকার চেয়ে বেশি অনুরোধ করেছিলাম যাতে তারা এই আন্দোলনের কথা বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করে বিদেশিদের কাছে প্রচার করে জনমত সৃষ্টিতে সহায়তা করে। কিন্তু বিদেশ থেকে সেভাবে কোনো অর্থ সহায়তা আসে নি।’

ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি বাপ্পাদিত্য বসু বলেন, এসব লিস্ট তো নতুন নয়। গত মে মাস থেকে বিভিন্ন হাত ঘুরছে। এটি জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। তবে এসপি মাহবুব এর কাছ থেকে প্রাপ্ত সহায়তার কথা আমি জানি। শুরু থেকেই তিনি সহায়তা করতে চেয়েছিলেন কিন্তু আমরা নেইনি। পরে মহাসমাবেশ করতে টাকার দরকার ছিল তাই তিনি ইমরান এইচ সরকারকে আমার সামনে প্রায় চার লক্ষ টাকা দেন।

বাপ্পা বলেন, এটি ঠিক এতো বড় একটা আন্দোলন চালিয়ে নিয়ে যাবার জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন ছিল। তবে কোনো ছাত্র সংগঠনের হাত থেকে কোনো টাকার লেনদেন হয়নি। আন্দোলনের সব খরচ ইমরান এইচ সরকারের হাত দিয়ে হয়েছে।’

টাকার হিসেব নিয়ে ডা. ইমরান এইচ সরকার বলেন, যখন টাকা দরকার ছিল তখনই আমরা টাকা উঠিয়ে ফেলতাম। একেক জন একেকভাবে টাকা দিয়েছে তাই এটিকে সঠিকভাবে উল্লেখ করা সম্ভব নয়। তাবু, পিকআপ, মাইক ইত্যাদির ভাড়া মিটাতে আমাদের প্রচুর অর্থের প্রয়োজন পরেছিল।

বিদেশী প্রবাসীদের অনেকেই অর্থের সহায়তা দিয়েছে এমন অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, আমরা যখন ভিডিও চ্যাট করেছি তখন বিভিন্ন চ্যানেল লাইভ দেখিয়েছে। এই সময় যারা অর্থের সহায়তা দিতে চেয়েছিল আমি তাদের কে বলেছিলাম যে প্রতিনিধির মাধ্যমে গণজাগরণ মঞ্চের মিডিয়া সেলে এসে দিয়ে যেতে হবে। এভাবে কিছু সহায়তা এসেছে। এর মধ্যে নিউয়র্ক থেকে ‘অণু’ নামের একটা গ্রুপ কিছু পরিমাণ টাকা দিতে চেয়েছিল যা আনিসুল হকের মাধ্যমে আমাদের হস্তান্তর করা হয়েছিল। এই টাকার পরিমাণটা চার লক্ষ টাকার উপরে ছিল। সেই খবর প্রথম আলোতে প্রকাশিতও হয়েছিল। এরকম অনেকের কাছ থেকে নিতে হইছে। তখন আমাদের অনেক টাকার দরকার ছিল। তবে আন্দোলনকে বিতর্কিত করার জন্য জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্রশিবির শুরু থেকেই বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করেছে। তারা বিভিন্নভাবে আমাকে আক্রমণ করেছে। এখনও করছে। এসব অভিযোগ তারই অংশ।’



কি পরিমান টাকা উঠেছে প্রশ্ন করা হলে ইমরান বলেন, আমি এর আগে পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছি যে কেউ যদি পাঠাতে চায় তাহলে প্রতিনিধির মাধ্যমে গণজাগরণ মঞ্চের মিডিয়া সেলে দিয়ে যেতে হবে। যারা টাকা দিয়েছেন তারা সবাই এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দিয়েছেন। তবে কি পরিমাণ টাকা উঠেছে সেটা নির্দিষ্ট করে বলা অসম্ভব।

সূত্র ....
Click This Link


এই রিপোর্ট লেখার আগে ও লন্ডন প্রবাসী ব্লগার শাহবাগীদের নামে টাকা তুলে আত্মসাত করে বলে প্রচার হওয়ার পর ফেসবুকে তুলকালাম হয় ...আসলে টাকা পেলে সব মানুষ আবুল হয়ে যায় ...বিচিত্র এই দেশ ...তবু ও চলুক চেতনার ব্যবসা ও খাটি দেশপ্রেমিকদের পদ্মা সেতু ভক্ষণ
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুলাই, ২০১৩ ভোর ৬:২০
৯টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আবারও রাফসান দা ছোট ভাই প্রসঙ্গ।

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ১৮ ই মে, ২০২৪ ভোর ৬:২৬

আবারও রাফসান দা ছোট ভাই প্রসঙ্গ।
প্রথমত বলে দেই, না আমি তার ভক্ত, না ফলোয়ার, না মুরিদ, না হেটার। দেশি ফুড রিভিউয়ারদের ঘোড়ার আন্ডা রিভিউ দেখতে ভাল লাগেনা। তারপরে যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

মসজিদ না কী মার্কেট!

লিখেছেন সায়েমুজজ্জামান, ১৮ ই মে, ২০২৪ সকাল ১০:৩৯

চলুন প্রথমেই মেশকাত শরীফের একটা হাদীস শুনি৷

আবু উমামাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইহুদীদের একজন বুদ্ধিজীবী রাসুল দ. -কে জিজ্ঞেস করলেন, কোন জায়গা সবচেয়ে উত্তম? রাসুল দ. নীরব রইলেন। বললেন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আকুতি

লিখেছেন অধীতি, ১৮ ই মে, ২০২৪ বিকাল ৪:৩০

দেবোলীনা!
হাত রাখো হাতে।
আঙ্গুলে আঙ্গুল ছুঁয়ে বিষাদ নেমে আসুক।
ঝড়াপাতার গন্ধে বসন্ত পাখি ডেকে উঠুক।
বিকেলের কমলা রঙের রোদ তুলে নাও আঁচল জুড়ে।
সন্ধেবেলা শুকতারার সাথে কথা বলো,
অকৃত্রিম আলোয় মেশাও দেহ,
উষ্ণতা ছড়াও কোমল শরীরে,
বহুদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ক- এর নুডুলস

লিখেছেন করুণাধারা, ১৮ ই মে, ২০২৪ রাত ৮:৫২



অনেকেই জানেন, তবু ক এর গল্পটা দিয়ে শুরু করলাম, কারণ আমার আজকের পোস্ট পুরোটাই ক বিষয়ক।


একজন পরীক্ষক এসএসসি পরীক্ষার অংক খাতা দেখতে গিয়ে একটা মোটাসোটা খাতা পেলেন । খুলে দেখলেন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্প্রিং মোল্লার কোরআন পাঠ : সূরা নং - ২ : আল-বাকারা : আয়াত নং - ১

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ১৮ ই মে, ২০২৪ রাত ১০:১৬

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আল্লাহর নামের সাথে যিনি একমাত্র দাতা একমাত্র দয়ালু

২-১ : আলিফ-লাম-মীম


আল-বাকারা (গাভী) সূরাটি কোরআনের দ্বিতীয় এবং বৃহত্তম সূরা। সূরাটি শুরু হয়েছে আলিফ, লাম, মীম হরফ তিনটি দিয়ে।
... ...বাকিটুকু পড়ুন

×