একজন আনফিট প্লেয়ার ইচ্ছা শক্তি দিয়ে লড়ে, ২ টা গোল করে বেঞ্ছে গিয়েও কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছে, কারন তখনও তাঁর দেশের জয় নিশ্চিত হয়নি! এই খেলোয়াড় ইংলিশ লীগে এক সপ্তায় যা আয় করে পুরো বিশ্বকাপে তার ধারে কাছেও হয়ত পাবে না! এটাই দেশপ্রেম।
স্টেইটস ম্যানশীপ।
আমার আপনার মধ্যে, আমাদের নাগরিকদের মধ্যে দেশের জন্য ডেডিকেশন নাই, আছে, তদবির করে, সন্ত্রাস করে, নেতা হয়ে, চিপায় ফেলে বা অস্রের মূখে বাধ্য করে দেশের আর গরীব, অসহায় আর বিপদে পড়া মানুষের ধন সম্পত্ত্বি লূটপাট করা যাবে, হঠাত ধনী হওয়া যাবে, অন্যকে নিজের দামী মোবাইল, জামা কাপড়, বাড়ি গাড়ি দেখিয়ে ভাব নেয়া যাবে সেই ধান্ধা।
কেন? দেশ আমাদের কিছু দেয় নি বলে, দিচ্ছে না বলে আমরা দেশকে ফিল করি না, এইত?
দেশ তখনই দিতে পারে তখন দেশকে সে ভাবে গড়া হয়! ৪২ চলে গেসে আমরা কি দেশকে গড়েছি? একটাও প্রতিষ্ঠান বানাতে পেরেছি যা নাগরিক স্বার্থে কাজ করবে? আমরা কি দেখছি না, এই সেদিনের স্বাধীন হওয়া কয়েকটা দেশ কিভাবে এগুচ্ছে? আমাদের ইচ্ছাও নেই একটা দায়িত্বশীল দেশের নগরিক হয়ে নিজেরদের পরিচয় গড়তে?
আমরা দেখি না সোভিয়েত ভেঙ্গে জাবার পর কিভাবে ডজন খানেক নতুন দেশ কিভাবে মাথা গজিয়ে উঠছে। আমরা দেখি না, কিভাবে ইতিহাসের জঘন্যতম জাতিগত সন্ত্রাসে প্রায় হারিয়ে যাওয়া দেশ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা কিভাবে মাথা তুলছে!
আমরা দেখি ব্রাজিল আর আরজেন্টিনার খেলা, আমরা তাদের পতাকা টানাই ছাদে আর গাছের মগ ঢালে, গ্রামের খালে বিলে পুকুরে। ফেসবুকে গালাগালি করি আমরা, বিবাদে পড়ে মারামারি করি, আমরা সেই মারামারিতে আমাদেরই ভাই হারাই।
আমরা কোনদিনও দেখবো না, একটি নতুন জাতি কিভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে, একে অপরকে সহায়তা করে উপরে উঠে আসছে, দেশ গড়ছে! আমরা খুঁজবো না (নিজের রাষ্ট্রের বয়স এবং জনসংখ্যা কে মাথায় রেখে) অন্যের সমর্থক হয়ে খেলা দেখার চাইতে নিজের দলকে বিশ্বকাপে খোজার প্রেরনা। আমরা জানবোনা দেশাত্ববোধ, আর দেশকে গড়ে তোলার প্রানশক্তির উৎস!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



